চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) আবৃত্তি মঞ্চের ২০২৬-২০২৭ সেশনের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোছাম্মৎ সাজেদা ইসফাত রহমান সামান্তা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জুনাইদ হোসেন শান্ত।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দামপাড়া এলাকার ট্যালেন্ট স্কুলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে উম্মে সালমা হিমি, সহ-সভাপতি হিসেবে মো. সাব্বির মাহোসেন ও ঐতিহ্য দেওয়ান, সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শিপ্রা তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইব্রাহিম প্রধান এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মিথিলা মল্লিক লিলি দায়িত্ব পেয়েছেন।এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক আফরুনা হক উষা, অনুষ্ঠান সম্পাদক নাজনীন নাহার সাদী, সহ-অনুষ্ঠান সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল করিম আজাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাহফুজুল হক তুষার, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রিদওয়ানুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দা নাফিসা তাবাসসুম এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক সিরি পাত্র দায়িত্ব পেয়েছেন।কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইব্রাহিম খলিল, আফনান, মহাসাইন, পুষ্প, ছানাউর, আনোয়ার, প্রমিতা, নাইং শশী সিং মারমা, রিসপা, জায়েদ ও তাহমিদুর।সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাছুম আহমেদ। উপদেষ্টা পরিষদে আরও ২৪ জন সদস্য রয়েছেন।নতুন দায়িত্ব পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে সভাপতি মোছাম্মৎ সাজেদা ইসফাত রহমান সামান্তা বলেন, এ দায়িত্ব প্রাপ্তি যেমন সম্মানের, তেমনই এক বিশাল দায়বদ্ধতা। সংগঠনের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য ধারণ করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নতুন উদ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চকে আরও প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ করে তোলাই আমার লক্ষ্য।”সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ হোসেন শান্ত বলেন, আমার ওপর আস্থার মর্যাদা রক্ষায় আমি আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই। সবার সহযোগিতা নিয়ে আবৃত্তি চর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে।দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অঙ্গন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চিটাগং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি, চিটাগং ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ডিবেট, লোকজ সাংস্কৃতিক সংগঠন, রঁদেভূ শিল্পীগোষ্ঠী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ, বোধন আবৃত্তি পরিষদ ও তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সম্মিলিত আবৃত্তি জোট চট্টগ্রামের সভাপতি ফারুক তাহের ও সাধারণ সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণে মোট ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন তহবিল’। বন্যাকবলিত ১০টি পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে এই নগদ সহায়তা দেওয়া হয়।জার্মানিভিত্তিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘TOM TAILORS’-এর আর্থিক সহায়তায় এ অর্থ সংগ্রহের সমন্বয়ে ছিলেন চবির দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ আসিফ হোসেন।অর্থ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন তহবিলের সদস্য শাহাদাত হোসেন, সাব্বির হাসান সাকিন এবং বাঁশখালী স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ রায়হান চৌধুরী ও বাঁশখালী স্টুডেন্টস ফোরামের সভাপতি হাফেজ মোঃ বোরহান উদ্দীন।আয়োজকরা জানান, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সমন্বিত এ প্রয়াস দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি ইতিবাচক মানবিক দৃষ্টান্ত বলে জানান তাঁরা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান কর্তৃক নিজগ্রুপের কর্মীকে হলে সিট না দেওয়ার কথা-কাটাকাটির পর হল প্রভোস্টের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন চবির সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান।সোমবার (৩১ আগষ্ট) রাত ৮টায় তিনি এ পদত্যাগ করেন। তবে পদত্যাগ পত্রে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন।জানা গেছে, সোমবার দুপুরে সদ্য স্নাতকোত্তর শেষ করা চবি ছাত্রদল কর্মী রাশিদুল ইসলামের সিট বরাদ্দের জন্য সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্টের সঙ্গে ফোনালাপ করে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। সম্প্রতি রাশিদুল ইসলাম স্নাতকোত্তর পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন বলে জানা গেছে। কর্মীর ছাত্রত্ব না থাকা সত্ত্বেও চবি সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল নোমান প্রভোস্টকে আসন বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করতে থাকেন। এ নিয়ে এক পর্যায়ে তিনি হলের প্রভোস্টকে চাপাচাপির পর হুমকি দেন। তাদের কথোপকথনের অডিও ক্লিপ এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল।চবির সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান, আমি এসব বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না, আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ শান্ত থাকুক। ছাত্র সংগঠনগুলো যেন সংঘর্ষে না জড়ায়। আমার পদত্যাগে কিছু আসে যায় না। শিবিরের বিক্ষোভ কর্মসূচি: ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান কর্তৃক হল প্রভোস্টকে হুমকি প্রদানের ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল নেমেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট মোড়ে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট মোড় থেকে সোহরাওয়ার্দী হলসহ স্যার এ.এফ রহমান হল ঘুরে আবার জিরো পয়েন্ট এসে বক্তব্যের মাধ্যমে মিছিল শেষ করে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ২৫ শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা ও নবীন বরণের আয়োজন করেছে ইসলামি ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে এই নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সংগঠনটি। এসময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের প্রবেশলগ্নে বিভিন্ন গিফট, কুরআন, অনুপ্রেরণামূলক বই, ফুল, টি-শার্ট, স্নাক্স, ওয়ালেটসহ বিভিন্ন উপকরণ তুলে দেয়।সংগঠনটির সূত্র জানিয়েছে, ২৮ লক্ষ টাকা খরচে তাদের এই নবীন বরণে ২৫০০ শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছে। তবে এর বেশি শিক্ষার্থীকেও বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শিশির মনির, কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক ও চবি শিবিরের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, চাকসু জিএস সাইদ বিন হাবিবসহ সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং গঠনমূলক সংলাপ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তরুণদের দক্ষতা বাড়াতে তিন দিনব্যাপী বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও ডয়েচে ভেলের যৌথ আয়োজকবৃন্দ। তারা জানায়, গত ২৬ আগস্ট থেকে ২৮ আগস্ট মোট তিন দিনব্যাপী চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে এ বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও ডয়েচে ভেলে (DW Akademie)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচি ‘Loud and Clear: Empowering Youth Voices 2.0’ প্রকল্পের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) ও জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BMZ)-এর যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হয়।প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো তরুণ ও নাগরিক সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের মাধ্যমে তরুণরা তথ্যভিত্তিক মতামত গঠন, দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে ভূমিকা পালন এবং গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।তিন দিনব্যাপী এই কর্মসূচির শিরোনাম ছিল “Bootcamp for Youth Members of University Clubs on MIL, Digital Safety and Constructive Dialogue”. যা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি ক্লাবের মোট ৩০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। ক্লাবগুলো হলো— চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (চবিসাস), এক টাকায় শিক্ষা, আওয়ার গ্রীন ক্যাম্পাস, রেনডেনভাজ শিল্পীগোষ্ঠী (রঁদেভু) এবং চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটি স্কুল অব ডিবেট। ডয়েচে ভেলে একাডেমির প্রশিক্ষক মাসফিক মিজান এবং নাইমুর রহমানের তত্ত্বাবধানে পাঁচজন ফেলো কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তরুণদের সামনে তথ্য বিভ্রান্তি (misinformation), বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, অনলাইন হয়রানি, গুজব এবং নারীদের বিরুদ্ধে ডক্সিংয়ের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মিডিয়া ও তথ্য সাক্ষরতা (MIL), ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং গঠনমূলক সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এই প্রশিক্ষণে।এতে ট্রেইনিং দিয়েছেন ডয়েচে-ভেলে একাডেমির ফ্যাসিলিটেটর মাইশা তাবাসসুম রিন্তা, নওরিন হক, অর্পণ ধর, নূর আহসান মৃদুল ও জাওয়াদ উর রাকিব খান।অংশগ্রহণকারীরা তথ্য যাচাই, দায়িত্বশীল মতামত প্রকাশ এবং গঠনমূলক আলোচনায় অংশগ্রহণের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পান।কর্মসূচিতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। তিনি বলেন, ওয়েভ ফাউন্ডেশন এই বুটক্যাম্পের মাধ্যমে যে তিনটা বিশেষ বিষয়ের ওপর জোরদার করছেন, একটা হচ্ছে মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি—তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কৌশল। এরপর তারা বলছে- অনলাইন সহিংসতা থেকে সুরক্ষা, ডিজিটাল নিরাপত্তা।তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরাই আজকের জন্য যেমন আলোকবর্তিকা, ভবিষ্যতের জন্যও তোমরা আলোকবর্তিকা। তোমাদের দায়িত্ব হচ্ছে—তোমরা যে সমাজ দেখতে চাও, সেই সমাজ তৈরিতে ভূমিকা রাখা।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মিডিয়া শুধু পত্রিকায় লেখালেখির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রযুক্তির কারণে প্রত্যেক তরুণের হাতেই বিশ্বকে সংযুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। তাই এই সুযোগকে দায়িত্বশীলভাবে কাজে লাগাতে হবে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাই করতে হবে।অনলাইন নিরাপত্তার বিষয়ে উপাচার্য বলেন, সাংবাদিকতা বা কোনো তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সত্য তুলে ধরার পাশাপাশি নিজের নিরাপত্তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। কোনো সংবাদ বা বক্তব্যের কারণে ব্যক্তি, পরিবার কিংবা সমাজে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, সেটিও দায়িত্বশীলভাবে ভাবতে হবে।এছাড়াও আরো অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাঞ্চন চাকমা এবং এক টাকায় শিক্ষা ক্লাবের ফাউন্ডার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলের সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রিজুয়ান । আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার জুলিয়েট রোজেটি, কমিউনিকেশন এন্ড ষ্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট অফিসার সাইফুর রহমান এবং রিসার্স এন্ড ডকুমেন্টেশন স্পেশালিষ্ট সাজ্জাদুল করিম। উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) এবং জার্মান ফেডারাল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কোঅপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BMZ)-এর যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট অঞ্চলে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ অংশ নিয়েছেন।শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের সমবায় ভবনের মাল্টিপারপাস হলরুমে স্থানীয় সরকার বিভাগের আয়োজনে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।সভায় ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের ভবনসহ সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সরকারি সেবা আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে মাঠ প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিজ মিরানা মাহরুখসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সরকারি সেবা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ও তদারকির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নিজ উদ্যোগে একটি মাহিন্দ্রা পিকআপ গাড়ি সৌজন্য উপহার দিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু।পুলিশের বিভিন্ন ডিউটি, নিয়মিত টহল, অভিযান ও জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর সুবিধার্থে এমপির ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেওয়া গাড়িটি শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।গাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনসহ থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য এবং উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “ঈশ্বরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই আমার নিজ উদ্যোগে গাড়িটি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সদস্যরা যাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”গৌরীপুর সার্কেলের কর্মকর্তা দেবাশীষ কর্মকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমপির নিজ উদ্যোগে দেওয়া এই গাড়িটি ঈশ্বরগঞ্জ থানার বিভিন্ন ডিউটি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।”ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, “গাড়িটি থানার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী ডিউটি, অভিযান, টহল ও জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা হবে। গাড়িটি পাওয়ায় পুলিশের দায়িত্ব পালন আরও গতিশীল হবে।”সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন গাড়িটি ব্যবহারের মাধ্যমে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের নিয়মিত টহল, অভিযান এবং জরুরি সেবামূলক কার্যক্রম আরও দ্রুততার সঙ্গে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কার্যক্রমে এই গাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের পাঠদান শুরু হয়েছে।শনিবার (০৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-৩ এর মার্কেটিং বিভাগের গ্যালারি রুমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পুনঃভর্তিকৃত এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।এদিন ১ম সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত কোর্স স্ট্যাটিসটিক্স ইন রিসার্চের (আইআরই ১০১) কোর্সশিক্ষক বেরোবির পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ শাহ্জামান এবং একই সেমিস্টারের কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের নির্ধারিত আরেক কোর্স রিসার্চ মেথডলজির (আইআরই ১০২) কোর্সশিক্ষক ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মতিউর রহমান পৃথক পৃথক সেশনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদান সম্পন্ন করেন।এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাস শুরু প্রসঙ্গে ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন এ কারণে যে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি নতুন মাত্রা সংযোজিত হয়েছে। বেরোবি উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নিয়ে গবেষকরা নির্ধারিত তত্ত্বাবধায়কের অধীনে সামগ্রিক গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। গবেষকগণের গবেষণা কার্যক্রমের গবেষণালব্দ ফলাফল এ অঞ্চল ও দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন বেরোবি উপাচার্য। পাশাপাশি, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্সকে সচল ও কার্যকর রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পুনঃভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ৫৫ জন এবং ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে নিয়মিত পূর্ণকালীন ভর্তিকৃত গবেষকের সংখ্যা ১৩ জন। উল্লেখ্য, এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের গবেষকদের জন্য কোর্সওয়ার্ক বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক কোর্সওয়ার্ক ক্লাসের ১ম দিন সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করায় কোর্সশিক্ষক, ইনস্টিটিউটে কর্মরত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বেরোবি উপাচার্য।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়া প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক ও গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। এরই ধারাবাহিকতায়, দুই বছর পর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো এই ইনস্টিটিউটটি।
ঘটনা স্থান ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ছাপড়হাটী ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ গ্রামে হাবিজার রহমানের মেয়ে নুর হাওয়া আক্তার ধলির সঙ্গে একই উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর রাজিবপুর গ্রামের আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে মুন্নাফ মিয়ার আনুমানিক দুই- আড়াই বছর পূর্বে শুভ বিবাহ সম্পুর্ণ হয়। মঙ্গলবার ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে মুন্নাফ ভাই এর নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে আনুমানিক সন্ধ্যা ৭:৩০ ঘটিকার সময় শশুর বাড়িতে বেড়াতে আসে। এমতাবস্থায় মুন্নাফের শশুর বাড়ির লোকজন মুন্নাফ কে বাড়িতে যেতে না দিয়ে তাকে গাড়িসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে মুন্নাফের বাবাকে ফোন করে মুন্নাফ কে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয় টি অবগত করেন। রফাদফাকারী বিএনপি নেতা তছলিম উদ্দিন বাবলু মাষ্টার মুন্নাফের বাবার সঙ্গে বিষয় টি রফাদফার জন্য সর্ব মোট, ২,৯০,০০০/ ( হাজার) টাকা রফাদফা করেন। এর মধ্যে শশুর এর কছে ১,০০০০০/ এক লক্ষ টাকা জামাই পাওনা থাকায়, সর্ব মোট ২,৯০,০০০/ ( হাজার টাকার মধ্যে থেকে ১,০০০০০/ এক লক্ষ টাকা বাদ দিয়ে ১,৯০,০০০/ ( হাজার) টাকা রফাদফাকারী গ্রহন করেন। তসলিন উদ্দিন বাবলু ১,৯০,০০০/( হাজার টাকার মধ্যে, মেয়ে পক্ষের রফাদফাকারী ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মোকলেছুর রহমান মুকুল মাষ্টার কে ১,৭০,০০০/( হাজার) টাকার মেয়ের পরিবার কে দেওয়ার জন্য প্রদান করেন। ছেলে পক্ষের কাছ থেকে মোকলেছুর রহমান মুকুল মাষ্টার নিজ হাতে ৩০,০০০/ (হাজার) টাকা কেটে বাকী ১,৪০,০০০/ হাজার টাকা মেয়ে পক্ষের অভিভাবক আজাহার মাষ্টার কে প্রদান করেন। মেয়ে পক্ষ টাকা নেওয়ার পর ভোর রাতে ছাপড়হাটী ইউনিয়ন বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে মেয়েকে দিয়ে ছেলে কে খোলা তালাক দেওয়া হয়। এবিষয়ে ছাপড়হাটী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম মদব বলেন, যে মেয়েকে নিয়ে এই ঘটনা সে আমার অতি নিকটতম আত্মীয় হয়। এলাকায় যে কোন সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে, সে জন্য তাদের দুই পরিবার কে জিম্মি করে এতো টাকা হাতিয়ে নেওয়া আমি মনেকরি টিক হয়নি এলাকায় এ বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।