রাজনীতি
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় রাজনৈতিক মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। তরুণ-প্রবীণ একঝাঁক নেতার সমর্থকগোষ্ঠী ইতোমধ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা শুরু করেছেন।
ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজ ও গ্রুপে সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য *মোহাম্মদ নুর হোসেন নুরু*, উপজেলা বিএনপির সদস্য *আলাউদ্দিন*, উপজেলা বিএনপির সদস্য *নুরুল হুদা* এবং ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য *নুরুল আমিন মেম্বার* সহ আরও অনেকে।
অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত মোর্শেদ মিঠুকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়ে তার নামেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা শুরু হয়েছে।* তার সমর্থকরা ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট, ব্যানার ও লিফলেটের মাধ্যমে মিঠুর রাজনৈতিক ত্যাগ ও জনসেবার কথা তুলে ধরছেন।
শুধু অনলাইনই নয়, উপজেলার চা-দোকান থেকে বাজার পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের মাঝে চলছে সরগরম আলোচনা। কে হবেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি এবং কে নেবেন উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব, তা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই মনে করছেন এবারের নির্বাচনে স্থানীয়, শিক্ষিত ও সৎ যোগ্য প্রার্থী প্রয়োজন। আবার কেউ কেউ অতীতের ত্যাগী, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের কান্ডারী হিসেবে যারা দলের জন্য কাজ করেছেন, তাদেরকে দেখতে চান।
একাধিক কর্মী বলেন, "আমরা চাই সঠিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক শিষ্টাচারসম্পন্ন ও মার্জিত যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষ। যিনি জনগণের পাশে থাকবেন এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন, তাকেই আমরা বিজয়ী করতে চাই।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অনলাইন প্রচারণা ও তরুণদের সম্পৃক্ততার কারণে এবারের ইউনিয়ন ও উপজেলা নির্বাচন রামগড়ে বাড়তি গুরুত্ব পাবে।
সূত্র: স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটার

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় রাজনৈতিক মাঠ সরগরম হয়ে উঠেছে। তরুণ-প্রবীণ একঝাঁক নেতার সমর্থকগোষ্ঠী ইতোমধ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারণা শুরু করেছেন।
ফেসবুকের বিভিন্ন পেইজ ও গ্রুপে সক্রিয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য *মোহাম্মদ নুর হোসেন নুরু*, উপজেলা বিএনপির সদস্য *আলাউদ্দিন*, উপজেলা বিএনপির সদস্য *নুরুল হুদা* এবং ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য *নুরুল আমিন মেম্বার* সহ আরও অনেকে।
অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত মোর্শেদ মিঠুকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়ে তার নামেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা শুরু হয়েছে।* তার সমর্থকরা ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট, ব্যানার ও লিফলেটের মাধ্যমে মিঠুর রাজনৈতিক ত্যাগ ও জনসেবার কথা তুলে ধরছেন।
শুধু অনলাইনই নয়, উপজেলার চা-দোকান থেকে বাজার পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের মাঝে চলছে সরগরম আলোচনা। কে হবেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি এবং কে নেবেন উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব, তা নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অনেকেই মনে করছেন এবারের নির্বাচনে স্থানীয়, শিক্ষিত ও সৎ যোগ্য প্রার্থী প্রয়োজন। আবার কেউ কেউ অতীতের ত্যাগী, নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের কান্ডারী হিসেবে যারা দলের জন্য কাজ করেছেন, তাদেরকে দেখতে চান।
একাধিক কর্মী বলেন, "আমরা চাই সঠিক নেতৃত্ব, রাজনৈতিক শিষ্টাচারসম্পন্ন ও মার্জিত যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষ। যিনি জনগণের পাশে থাকবেন এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন, তাকেই আমরা বিজয়ী করতে চাই।"
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অনলাইন প্রচারণা ও তরুণদের সম্পৃক্ততার কারণে এবারের ইউনিয়ন ও উপজেলা নির্বাচন রামগড়ে বাড়তি গুরুত্ব পাবে।
সূত্র: স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটার
