সাহিত্য
ডেকো না আমায়
--লায়ন মোঃ নূরুল আলম
কতটুকু ভালোবেসেছি বুঝাতে পারিনি,
যা বুক চিড়ে দেখানো গেলে—কিছুটা বুঝতে;
কতটুকু কাছের তুমি প্রতিটি ক্ষণে,
যদি বুঝতে—হয়তো আমায় তুমি খুঁজতে।
জীবনের প্রতিটি স্মৃতির পাতা খুলে,
প্রাণ খুলে আসতে আমার কাছে।
তবু কেন দূরে থাকো, নীরব অভিমানে,
কেন হারিয়ে যাও অচেনা কোনো গানে?
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমারই ছায়া,
তোমাকে ছাড়া এ হৃদয় কিছুই না চায়।
চোখের জলে লিখেছি তোমারই নাম,
নিঃশব্দ রাত জানে আমার কত অভিমান।
ডেকো না আমায়—যদি ফিরতে না দাও,
ভালোবাসার কথা বলে আবার কাঁদাও।
ডেকো না আমায়—যদি কাছে এসে
আবার হারিয়ে যাও দূরের দেশে।
আমি যে আজও তোমার অপেক্ষায়,
নীরব হৃদয় শুধু তোমাকেই চায়।
যেদিন পথ চলতে ক্লান্ত হয়ে যাবে,
চারপাশের মানুষ সবাই ভুলে যাবে,
সেদিন যদি মনে পড়ে আমার কথা,
এসো তুমি নিঃশব্দ কোনো এক প্রভাতে।
কোনো প্রশ্ন করব না, কোনো অভিযোগ নয়,
শুধু বলব—ভালোবাসা কখনো মিথ্যে নয়।
যে কথাগুলো বলা হয়নি কোনোদিন,
সেগুলোই আজ বাজে হৃদয়ের বীণ।
তোমার হাসি আজও ভাসে চোখের জলে,
তোমার স্মৃতি জড়িয়ে থাকে নীরব কোলে।
সময় যতই দূরে নিয়ে যাক দুজনায়,
মন কি কখনো সত্যিকারের ভুলতে চায়?
যদি কোনোদিন আমার কথা মনে পড়ে,
এসো ফিরে সেই পুরোনো পথ ধরে।
আমি হয়তো থাকব না আগেরই মতো,
তবু হৃদয়ে থাকবে তোমারই যত্ন যত।
শেষ বিকেলের সূর্য যখন অস্ত যাবে,
তোমার নামই আমার ঠোঁটে ভেসে রবে।
ডেকো না আমায়—যদি ভালোবাসো না,
মিথ্যে আশার প্রদীপ জ্বেলে কাঁদিয়ো না।
আর যদি সত্যিই হৃদয়ে রাখো আমায়,
একবার এসো—সব অভিমান ভুলে আমায়।
জীবন যতদিন এই প্রাণে গান গায়,
ততদিন তুমি থেকো আমার ভালোবাসায়।
হয়তো কোনোদিন এই জীবন থেমে যাবে,
সব স্মৃতি ধীরে ধীরে ধুলোয় মিশে যাবে;
তবু আমার লেখা এই কয়েকটি পঙ্ক্তি
তোমার হৃদয়ে জাগাবে পুরোনো সেই স্মৃতি।
তখন বুঝবে—কতটা ছিলে আপন,
কতটা ভালোবেসেছিল তোমায় এই মন।
ডেকো না আমায়—যদি ফিরিয়ে দাও,
ডেকো না আমায়—যদি ভুলিয়ে দাও;
শুধু একবার সত্যি করে ডাকো যদি,
সব অভিমান ভুলে ছুটে আসব আমি।
কারণ তুমি শুধু আমার ভালোবাসা নও—
তুমি আমার জীবনের অপূর্ণ কবিতার শেষ কাব্য।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
ডেকো না আমায়
--লায়ন মোঃ নূরুল আলম
কতটুকু ভালোবেসেছি বুঝাতে পারিনি,
যা বুক চিড়ে দেখানো গেলে—কিছুটা বুঝতে;
কতটুকু কাছের তুমি প্রতিটি ক্ষণে,
যদি বুঝতে—হয়তো আমায় তুমি খুঁজতে।
জীবনের প্রতিটি স্মৃতির পাতা খুলে,
প্রাণ খুলে আসতে আমার কাছে।
তবু কেন দূরে থাকো, নীরব অভিমানে,
কেন হারিয়ে যাও অচেনা কোনো গানে?
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে তোমারই ছায়া,
তোমাকে ছাড়া এ হৃদয় কিছুই না চায়।
চোখের জলে লিখেছি তোমারই নাম,
নিঃশব্দ রাত জানে আমার কত অভিমান।
ডেকো না আমায়—যদি ফিরতে না দাও,
ভালোবাসার কথা বলে আবার কাঁদাও।
ডেকো না আমায়—যদি কাছে এসে
আবার হারিয়ে যাও দূরের দেশে।
আমি যে আজও তোমার অপেক্ষায়,
নীরব হৃদয় শুধু তোমাকেই চায়।
যেদিন পথ চলতে ক্লান্ত হয়ে যাবে,
চারপাশের মানুষ সবাই ভুলে যাবে,
সেদিন যদি মনে পড়ে আমার কথা,
এসো তুমি নিঃশব্দ কোনো এক প্রভাতে।
কোনো প্রশ্ন করব না, কোনো অভিযোগ নয়,
শুধু বলব—ভালোবাসা কখনো মিথ্যে নয়।
যে কথাগুলো বলা হয়নি কোনোদিন,
সেগুলোই আজ বাজে হৃদয়ের বীণ।
তোমার হাসি আজও ভাসে চোখের জলে,
তোমার স্মৃতি জড়িয়ে থাকে নীরব কোলে।
সময় যতই দূরে নিয়ে যাক দুজনায়,
মন কি কখনো সত্যিকারের ভুলতে চায়?
যদি কোনোদিন আমার কথা মনে পড়ে,
এসো ফিরে সেই পুরোনো পথ ধরে।
আমি হয়তো থাকব না আগেরই মতো,
তবু হৃদয়ে থাকবে তোমারই যত্ন যত।
শেষ বিকেলের সূর্য যখন অস্ত যাবে,
তোমার নামই আমার ঠোঁটে ভেসে রবে।
ডেকো না আমায়—যদি ভালোবাসো না,
মিথ্যে আশার প্রদীপ জ্বেলে কাঁদিয়ো না।
আর যদি সত্যিই হৃদয়ে রাখো আমায়,
একবার এসো—সব অভিমান ভুলে আমায়।
জীবন যতদিন এই প্রাণে গান গায়,
ততদিন তুমি থেকো আমার ভালোবাসায়।
হয়তো কোনোদিন এই জীবন থেমে যাবে,
সব স্মৃতি ধীরে ধীরে ধুলোয় মিশে যাবে;
তবু আমার লেখা এই কয়েকটি পঙ্ক্তি
তোমার হৃদয়ে জাগাবে পুরোনো সেই স্মৃতি।
তখন বুঝবে—কতটা ছিলে আপন,
কতটা ভালোবেসেছিল তোমায় এই মন।
ডেকো না আমায়—যদি ফিরিয়ে দাও,
ডেকো না আমায়—যদি ভুলিয়ে দাও;
শুধু একবার সত্যি করে ডাকো যদি,
সব অভিমান ভুলে ছুটে আসব আমি।
কারণ তুমি শুধু আমার ভালোবাসা নও—
তুমি আমার জীবনের অপূর্ণ কবিতার শেষ কাব্য।
