ধর্মধর্ম

নতুন কমিটির কাঁধে প্রায় আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ ও মাদরাসা

শেয়ার করুন
অ+ অ-
নতুন কমিটির কাঁধে প্রায় আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ ও মাদরাসা
সংগৃহীত

নতুন কমিটির কাঁধে আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী তেলুয়ারী জামে মসজিদ ও মাদরাসা

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ীর ঐতিহ্যের অন্যতম ধারক আনুমানিক ২৫০ বছরের পুরনো তেলুয়ারী জামে মসজিদ মাদরাসা। দীর্ঘদিনের এই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঐতিহ্যবাহী তেলুয়ারী মাদরাসা কমিটির নতুন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সূচনা হয়েছে নতুন অধ্যায়ের।

নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সম্মানিত শ্রদ্ধেয় ফজল স্যার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব আব্দুর রশিদ

প্রায় আড়াইশ বছরের পুরনো তেলুয়ারী জামে মসজিদ স্থানীয় মুসল্লিদের কাছে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়—এটি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও ইসলামী অনুশাসন চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। মসজিদ ও মাদরাসাকে ঘিরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা বিকশিত হয়েছে।

নতুন কমিটির নেতৃত্বে মসজিদ-মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সংস্কার, ধর্মীয় পরিবেশের মানোন্নয়ন এবং কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বের দায়িত্বশীলতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি তার ঐতিহ্য ধরে রেখে সময়ের সঙ্গে আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।

তেলুয়ারী জামে মসজিদ মাদরাসা শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়; এটি আঠারবাড়ীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের চরিত্র গঠন, নৈতিকতা চর্চা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং ইসলামী মূল্যবোধ বিকাশে এর ভূমিকা ভবিষ্যতেও আরও বিস্তৃত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন কমিটির দক্ষ ও দায়িত্বশীল পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নকাজ এগিয়ে গেলে প্রায় ২৫০ বছরের এই ঐতিহ্য আরও দীর্ঘদিন সংরক্ষিত হবে। একই সঙ্গে তেলুয়ারী জামে মসজিদ মাদরাসা আঠারবাড়ীর ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও এর ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে।

Public Voice

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


নতুন কমিটির কাঁধে প্রায় আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী জামে মসজিদ ও মাদরাসা

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

নতুন কমিটির কাঁধে আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী তেলুয়ারী জামে মসজিদ ও মাদরাসা

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ীর ঐতিহ্যের অন্যতম ধারক আনুমানিক ২৫০ বছরের পুরনো তেলুয়ারী জামে মসজিদ মাদরাসা। দীর্ঘদিনের এই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঐতিহ্যবাহী তেলুয়ারী মাদরাসা কমিটির নতুন কমিটি গঠন ও দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সূচনা হয়েছে নতুন অধ্যায়ের।

নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সম্মানিত শ্রদ্ধেয় ফজল স্যার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব আব্দুর রশিদ

প্রায় আড়াইশ বছরের পুরনো তেলুয়ারী জামে মসজিদ স্থানীয় মুসল্লিদের কাছে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়—এটি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও ইসলামী অনুশাসন চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। মসজিদ ও মাদরাসাকে ঘিরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার চর্চা বিকশিত হয়েছে।

নতুন কমিটির নেতৃত্বে মসজিদ-মাদরাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সংস্কার, ধর্মীয় পরিবেশের মানোন্নয়ন এবং কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী। তাদের প্রত্যাশা, নতুন নেতৃত্বের দায়িত্বশীলতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি তার ঐতিহ্য ধরে রেখে সময়ের সঙ্গে আরও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।

তেলুয়ারী জামে মসজিদ মাদরাসা শুধু একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নয়; এটি আঠারবাড়ীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। মানুষের চরিত্র গঠন, নৈতিকতা চর্চা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং ইসলামী মূল্যবোধ বিকাশে এর ভূমিকা ভবিষ্যতেও আরও বিস্তৃত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নতুন কমিটির দক্ষ ও দায়িত্বশীল পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়নকাজ এগিয়ে গেলে প্রায় ২৫০ বছরের এই ঐতিহ্য আরও দীর্ঘদিন সংরক্ষিত হবে। একই সঙ্গে তেলুয়ারী জামে মসজিদ মাদরাসা আঠারবাড়ীর ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও এর ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও শিক্ষামূলক গুরুত্ব অক্ষুণ্ন থাকবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত