সোশ্যাল মিডিয়া
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি বাজারের হাজী আজিজ ট্রেডার্স নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম মঞ্জু বলেন, তিনি উপজেলার রোয়াইলবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন রোয়াইলবাড়ি-আমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মঞ্জুর অভিযোগ, কয়েক দিন আগে রফিকুল ইসলাম মধু নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে তাকে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি ওই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে বলেন, তার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা যেতে পারে। তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তিনি আইনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকবেন।
সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু আরও বলেন, গত ২৮ আগস্ট একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ‘ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতাকে হামলার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে রফিকুল ইসলাম মধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জের ধরে কয়েকজনের বিরুদ্ধে তার ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
তবে কথিত ওই হামলার ঘটনায় নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন আব্দুর রহিম মঞ্জু। তিনি বলেন, কাউকে হামলার নির্দেশও দেননি। বরং তার নেতাকর্মী ও স্বজনদের রফিকুল ইসলাম মধুর সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধে না জড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঞ্জু বলেন, কোনো ব্যক্তি হামলার শিকার হয়ে থাকলে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আইনগত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো কথিত মানহানিকর তথ্যেরও তদন্ত দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মঞ্জু বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বক্তব্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার না করে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা উচিত। যাচাই ছাড়া কোনো অভিযোগ প্রচারিত হলে একজন নিরপরাধ ব্যক্তির সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে মঞ্জু তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, মাদক কারবারি কিংবা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আবারও অস্বীকার করেন। এসব অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জু বলেন, তিনি সাইবার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক, রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মো. আজিজুল হক, কৃষক দলের সদস্যসচিব এরশাদ মিয়া, ব্যবসায়ী আরিফুল হকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি বাজারের হাজী আজিজ ট্রেডার্স নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে আব্দুর রহিম মঞ্জু বলেন, তিনি উপজেলার রোয়াইলবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন রোয়াইলবাড়ি-আমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মঞ্জুর অভিযোগ, কয়েক দিন আগে রফিকুল ইসলাম মধু নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে তাকে মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি ওই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে বলেন, তার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা যেতে পারে। তদন্তে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে তিনি আইনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকবেন।
সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু আরও বলেন, গত ২৮ আগস্ট একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ‘ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে কেন্দুয়ায় বিএনপি নেতাকে হামলার অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে রফিকুল ইসলাম মধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জের ধরে কয়েকজনের বিরুদ্ধে তার ওপর হামলার অভিযোগ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
তবে কথিত ওই হামলার ঘটনায় নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন আব্দুর রহিম মঞ্জু। তিনি বলেন, কাউকে হামলার নির্দেশও দেননি। বরং তার নেতাকর্মী ও স্বজনদের রফিকুল ইসলাম মধুর সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধে না জড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মঞ্জু বলেন, কোনো ব্যক্তি হামলার শিকার হয়ে থাকলে ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আইনগত তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
একই সঙ্গে নিজের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো কথিত মানহানিকর তথ্যেরও তদন্ত দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মঞ্জু বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বক্তব্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার না করে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা উচিত। যাচাই ছাড়া কোনো অভিযোগ প্রচারিত হলে একজন নিরপরাধ ব্যক্তির সামাজিক, পারিবারিক ও রাজনৈতিক সম্মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে মঞ্জু তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, মাদক কারবারি কিংবা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ আবারও অস্বীকার করেন। এসব অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জু বলেন, তিনি সাইবার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক, রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মো. আজিজুল হক, কৃষক দলের সদস্যসচিব এরশাদ মিয়া, ব্যবসায়ী আরিফুল হকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
