অর্থনীতি
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশজুড়ে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন এ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার বিকেলে জয়পুর ইউনিয়নে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হবে। তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে সারাদেশে ৫০ থেকে ৮০ লক্ষ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো ধরনের ফি বা টাকা দিতে হবে না। এ বিষয়ে কেউ অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানাতে তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কার্ড সংগ্রহের জন্য উপকারভোগীদের কোনো দপ্তরে যেতে হবে না। সরকারি কর্মকর্তারা সরাসরি বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং কার্ড প্রস্তুত হওয়ার পর তা উপকারভোগীর বাড়িতেই পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি সেবা ও সহায়তা সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ১৪টি ওয়ার্ডে পাইলটিং কর্মসূচি হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এর পরিধি ধাপে ধাপে সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশজুড়ে সরকারি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন এ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার বিকেলে জয়পুর ইউনিয়নে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা হবে। তিনি জানান, আগামী চার বছরের মধ্যে সারাদেশে ৫০ থেকে ৮০ লক্ষ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পেতে কোনো ধরনের ফি বা টাকা দিতে হবে না। এ বিষয়ে কেউ অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে জানাতে তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কার্ড সংগ্রহের জন্য উপকারভোগীদের কোনো দপ্তরে যেতে হবে না। সরকারি কর্মকর্তারা সরাসরি বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন এবং কার্ড প্রস্তুত হওয়ার পর তা উপকারভোগীর বাড়িতেই পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের প্রতিটি পরিবারকে একটি সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সরকারি সেবা ও সহায়তা সহজেই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ১৪টি ওয়ার্ডে পাইলটিং কর্মসূচি হিসেবে এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এর পরিধি ধাপে ধাপে সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
