ক্যাম্পাস
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) নিপীড়নবিরোধী দিবস ও শহীদ আবরার ফাহাদ এর সপ্তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাদ যোহর নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহি এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত।
নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত বলেন, "শহীদ আবরার ফাহাদ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেছেন। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের জন্য অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস জোগায়। শিক্ষাঙ্গনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা চাই, কোনো শিক্ষার্থী যেন মতের ভিন্নতার কারণে নিপীড়ন বা হয়রানির শিকার না হন। শহীদ আবরারের আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।"
ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহি বলেন, "শহীদ আবরার ফাহাদ ও ওসমান হাদীর মতো দেশপ্রেমিকরা ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁদের হারিয়েছি। ভারতে আধিপত্যবাদ কায়েম করতে এ দেশের বিএনপি ও জামায়াতের মতো দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিকে প্রধান থ্রেট মনে করে তাদের ওপর নির্দয় অত্যাচার চালানো হয়েছে এবং শীর্ষ নেতাদের একে একে শেষ করা হয়েছে। ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার তাণ্ডব, বিডিআর হত্যাকাণ্ড কিংবা শাপলা চত্বরের ঘটনা সবই ছিল ফ্যাসিবাদের পরিকল্পিত ধাপ। ২৪-এর বিপ্লবে ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটালেও ভারতীয় চক্রান্ত থামেনি। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আমরা আবার জীবন দেব, কিন্তু কোনো আপস করব না।"
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী ছাত্র শহীদ আবরার ফাহাদ। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) নিপীড়নবিরোধী দিবস ও শহীদ আবরার ফাহাদ এর সপ্তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাদ যোহর নোবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহি এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত।
নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত বলেন, "শহীদ আবরার ফাহাদ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেছেন। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের জন্য অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস জোগায়। শিক্ষাঙ্গনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা চাই, কোনো শিক্ষার্থী যেন মতের ভিন্নতার কারণে নিপীড়ন বা হয়রানির শিকার না হন। শহীদ আবরারের আত্মত্যাগ থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যায় ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।"
ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহি বলেন, "শহীদ আবরার ফাহাদ ও ওসমান হাদীর মতো দেশপ্রেমিকরা ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁদের হারিয়েছি। ভারতে আধিপত্যবাদ কায়েম করতে এ দেশের বিএনপি ও জামায়াতের মতো দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তিকে প্রধান থ্রেট মনে করে তাদের ওপর নির্দয় অত্যাচার চালানো হয়েছে এবং শীর্ষ নেতাদের একে একে শেষ করা হয়েছে। ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার তাণ্ডব, বিডিআর হত্যাকাণ্ড কিংবা শাপলা চত্বরের ঘটনা সবই ছিল ফ্যাসিবাদের পরিকল্পিত ধাপ। ২৪-এর বিপ্লবে ছাত্র-জনতা ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটালেও ভারতীয় চক্রান্ত থামেনি। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আমরা আবার জীবন দেব, কিন্তু কোনো আপস করব না।"
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের মেধাবী ছাত্র শহীদ আবরার ফাহাদ। ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছিল।
