বিনোদনবিনোদন

বাবার পর ছেলের হাত থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে মহাখুঁশি নায়িকা ববিতা

মা-বাবা বেঁচে থাকলে ভীষণ গর্বিত হতেন: ববিতা

|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করেন নন্দিত অভিনেত্রী ববিতা।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নায়িকা ববিতা একুশে পদক পেয়েছেন। দেশে-বিদেশে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত এই শিল্পী একুশে পদক হাতে পেয়ে অনেক খুশি। 

প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘কী যে ভালো লাগছে! অন্যরকম সুখের অনুভূতি কাজ করছে।’

ববিতা আরও বলেন, ‘অভিনয় জীবনে বহু পুরস্কার পেয়েছি। কিন্তু একুশে পদক হাতে পাওয়ার পর মনে হচ্ছে—জীবনে যত পুরস্কার পেয়েছি তার মধ্যে এটি শ্রেষ্ঠ, এটি সেরা। তার ওপর ভাষার মাসে, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের মাসে পদকটি পেলাম।’

‘ভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। বাংলা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন ভাষা শহীদেরা। তাদের জন্য মন থেকে দোয়া। ভাষা সৈনিক যারা আছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা’, যোগ করেন এই শিল্পী। 

স্মৃতিকাতর ববিতা বলেন, ‘পদক হাতে পাওয়ার পর মা-বাবার কথা খুব মনে পড়ছে। মা-বাবা বেঁচে থাকলে ভীষণ গর্বিত হতেন। তারা অনেক খুশি হতেন। আমাকে নিয়ে গর্ব করতেন। আমিও এই পদকটি প্রথমে তাদের হাতেই তুলে দিতাম।’

পরিচালকদের কথা স্মরণ করে ববিতা বলেন, ‘আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে। আরও ভালোবাসায় স্মরণ করছি সুভাষ দত্ত, খান আতা, নারায়ণ ঘোষ মিতা, আমজাদ হোসেন সহ সকল পরিচালককে। তাদের জন্যই আমি।’

জহির রায়হানের কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই জহির রায়হানের কথা প্রথমে মনে এসেছে। তার কথা বলে শেষ করা যাবে না। একুশে পদকটি উৎসর্গ করেছি জহির রায়হানকে।’

‘সেই ছোট্ট কিশোরী ববিতা, যে কি না বেনী দুলিয়ে স্কুলে যেত, সবার ভালোবাসায় সে আজ একুশে পদক পেয়েছে। মা-বাবা, পরিবারের সকল সদস্য, স্কুলের শিক্ষক, পরিচালক, প্রযোজক, চলচ্চিত্রের সকলে, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা—সবার প্রতি মমতামাখা ভালোবাসা’, বলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কী কথা হয়েছে, এ প্রশ্নের এর জবাবে ববিতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের হাত থেকে পদক নেওয়ার সময় বলেছি, আপনার বাবার হাত থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়েছি। এবার আপনার হাত থেকে একুশে পদক নিলাম। তিনি এ কথা শুনে খুব খুশি হয়েছেন। আমিও খুশি হয়েছি।’

সংবাদ ক্রেডিট- দ্য ডেইলি স্টার

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাবার পর ছেলের হাত থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে মহাখুঁশি নায়িকা ববিতা

প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করেন নন্দিত অভিনেত্রী ববিতা।

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র নায়িকা ববিতা একুশে পদক পেয়েছেন। দেশে-বিদেশে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত এই শিল্পী একুশে পদক হাতে পেয়ে অনেক খুশি। 

প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘কী যে ভালো লাগছে! অন্যরকম সুখের অনুভূতি কাজ করছে।’

ববিতা আরও বলেন, ‘অভিনয় জীবনে বহু পুরস্কার পেয়েছি। কিন্তু একুশে পদক হাতে পাওয়ার পর মনে হচ্ছে—জীবনে যত পুরস্কার পেয়েছি তার মধ্যে এটি শ্রেষ্ঠ, এটি সেরা। তার ওপর ভাষার মাসে, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের মাসে পদকটি পেলাম।’

‘ভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা। বাংলা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন ভাষা শহীদেরা। তাদের জন্য মন থেকে দোয়া। ভাষা সৈনিক যারা আছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা’, যোগ করেন এই শিল্পী। 

স্মৃতিকাতর ববিতা বলেন, ‘পদক হাতে পাওয়ার পর মা-বাবার কথা খুব মনে পড়ছে। মা-বাবা বেঁচে থাকলে ভীষণ গর্বিত হতেন। তারা অনেক খুশি হতেন। আমাকে নিয়ে গর্ব করতেন। আমিও এই পদকটি প্রথমে তাদের হাতেই তুলে দিতাম।’

পরিচালকদের কথা স্মরণ করে ববিতা বলেন, ‘আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়কে। আরও ভালোবাসায় স্মরণ করছি সুভাষ দত্ত, খান আতা, নারায়ণ ঘোষ মিতা, আমজাদ হোসেন সহ সকল পরিচালককে। তাদের জন্যই আমি।’

জহির রায়হানের কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই জহির রায়হানের কথা প্রথমে মনে এসেছে। তার কথা বলে শেষ করা যাবে না। একুশে পদকটি উৎসর্গ করেছি জহির রায়হানকে।’

‘সেই ছোট্ট কিশোরী ববিতা, যে কি না বেনী দুলিয়ে স্কুলে যেত, সবার ভালোবাসায় সে আজ একুশে পদক পেয়েছে। মা-বাবা, পরিবারের সকল সদস্য, স্কুলের শিক্ষক, পরিচালক, প্রযোজক, চলচ্চিত্রের সকলে, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা—সবার প্রতি মমতামাখা ভালোবাসা’, বলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কী কথা হয়েছে, এ প্রশ্নের এর জবাবে ববিতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের হাত থেকে পদক নেওয়ার সময় বলেছি, আপনার বাবার হাত থেকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়েছি। এবার আপনার হাত থেকে একুশে পদক নিলাম। তিনি এ কথা শুনে খুব খুশি হয়েছেন। আমিও খুশি হয়েছি।’

সংবাদ ক্রেডিট- দ্য ডেইলি স্টার



Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত