ইরান যুদ্ধ
প্রায় এক মাস ধরে চলমান যুক্তরাষ্ট্রে-ইজ্রাইল ইরান যু'দ্ধ। প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রায় ২০টির ও বেশি দেশ জড়িয়ে পড়েছে এই যুদ্ধে।
আসলে কে জিতলো? আর কে হারলো?
আসুন জেনে নিই সমীকরণ :
যুক্তরাষ্ট্র:
যাকে এই যুদ্ধের মূল হোতা হিসাবে চিন্তা করা হয় সে হলো যুক্তরাস্ট্র। এখনো পর্যন্ত তাদের দাবি তারা আংশিক জয় পেয়েছে। কিন্তু $১৬.৫ বিলিয়নের বেশি খরচ হয়েছে তাদেরকে। হারিয়েছে অসংখ্য সেনা, ফাইটার ১৫, আব্রাহাম লিংকন, জেরার্ডের মত যুদ্ধ জাহাজ। খোদ আমেরিকাতেই বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সৃষ্টি হয়েছে অসন্তোষ। মিত্র দেশগুলো অহরহ দিচ্ছে যুদ্ধ বন্ধের চাপ।
ই'রানঃ
যাকে কেন্দ্র করে এ-ই যুদ্ধ সেই ইরান অনেকটাই বিধ্ব'স্ত। সেনাবাহিনী ক্লান্ত, নৌবাহিনী ব্যপকভাবে ক্ষ'তিগ্রস্ত, সর্বোচ্চ নেতা-সহ প্রায় সকল নেতৃত্ব নি'হত। হাজর হাজার মানুষ নিহত। বাড়িঘর, রাস্তা, ব্রিজ, কলকারখানা প্রায় সব শেষ। তেহরান পরিনত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। মিত্রদের প্রকাশ্য কোনো সহযোগিতা নেই। প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে মিসাইল উৎপাদন, শেষ হয়ে আসছে মজুতও।
ই'জ্রায়েল
নিজেদের আংশিক জয়ী ঘোষণা করলেও এখনো পর্যন্ত খরচের পরিমান পার হয়প গেছে $৬.৪ বিলিয়ন। অনেক ক্ষ'য়'ক্ষ'তি হয়েছে তবে তা প্রকাশ করে না। ধ্বংস হয়ে গেছে তেল আবিবের মত প্রসিদ্ধ শহর। বাজে ভাবে ভেঙে পড়েছে আয়রন ডোম ব্যাবস্থাপনা।
কাতার:
যদিও যুদ্ধে কাতর জড়িত নয়, কিন্তু কাতারে মার্কিন ঘাঁটি তাকায় সেদেশেও হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতারেে LNG (গ্যাস) স্থাপনায় হা'মলা চালিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে।
এছাড়াও ক্ষ'তিগ্রস্ত হয়েছে সৌদি আরব। হামলা হয়েছে তাদের তেলক্ষেত্রে। ক্ষ'তিগ্রস্ত হয়েছে আরব আমিরাত । দুবাই বিমানবন্দর ব'ন্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে লেবানন । লেবাননে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯০০। দুই দেশের মাঝখানে পড়ে আক্রান্ত হয়েছে ইরাক । কুয়েত ক্ষ'তিগ্রস্ত হয়ে আঘাত পেয়েছে জিডিপিতে। তাদের প্রায় ১৪% জিডিপি কমার আশ'ঙ্কা করা হচ্ছে।
বাহরাইন টিকে আছে, তবে সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে। ইয়েমেন অপেক্ষায় আছে। হুথি গোষ্ঠী প্রস্তুত। যেকোনো সময় তারাও যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে। রাশিয়া এখনো বিভক্ত অবস্থায় আছে। তারাও যুদ্ধে অসংখ্য ড্রোন হারিয়েছে, কিন্তু তেল বিক্রি করে লাভ করেছে। তবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছপ চীন। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তারায় ইরানের সস্তা তেলের গ্রাহক। তারা সস্তায় ই'রানের তেল কিনছে, এবং তাদেরকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছে।
যদিও ভারত, পাকিস্তান টিকে আছে। কিন্তু তেলের জন্য হিমশিম খাচ্ছে। উভয় দেশেই জ্বালানি সং'কট বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের মত নিরেপক্ষ শক্তিও। ওদিকে তুরস্ক উন্মুক্ত ঝুঁকিতে আছে। যেকোনো সময় যুদ্ধের গ্রাসে জড়িয়ে যেতে পারে তারাও।
ইরান সীমিত অথবা বন্ধ করে দিয়েছে হরমুজ প্রনালী যা ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে জ্বালানি সং'কট তৈরি করতে পারে। যেকারণে যুক্তরাজ্য জ্বালানির দাম বাড়ছে, তাই তারাও ঝুঁকিতে আছে।
মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসাবে যদিও ওমান টিকে আছে। তবে তারাও যুদ্ধের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।
এখন প্রশ্ন হলো যুদ্ধ থামছে কিনা। একটা সাধারণ উত্তর হলো না। কারণ এই যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রে - ইরান বা ইজ্রায়েলের ঘিরে নয়। এই যুদ্ধ আত্মমর্যাদার যুদ্ধ, এই যুদ্ধ অধিপাত্যবাদের যুদ্ধ।
আইআরসির দাবি ইরান এখন যেভাবে একা সবার সাথে লড়ে যাচ্ছে এইভাবে তারা দুই বছর অনায়াসে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে, তাতেও তাদের অস্ত্রের ভান্ডার খালি হবে না। পশ্চিমাদের মাথা ব্যথার কারণ এইখানে। ইতোমধ্যে অনেক দেশের বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলার লোকসান গুনতে হয়েছে। বিশ্বব্যাপি খাদ্য ও জ্বালানি সংকট দেখা দিতে শুরু হচ্ছে।
ইরানী বিদ্রোহী বাহিনী আইআরজিসির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, তারা আমেরিকার সাথে কোনো প্রকার আলোচনায় বসতে চাইনা। যদিও আমেরিকা-ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যুদ্ধ চার থেকে আট সপ্তাহ চলতে পারে। কিন্তু এখন ধারণা করা হচ্ছে, এ যুদ্ধ আরো অনেক দিন চলতে থাকবে এবং ইরান এতসব ভেবে চিন্তেই মার্কিন ঘাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এখনো পর্যন্ত ইরানের মিত্র দেশ চিন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়ার মত শক্তি (যা আমেরিকার প্রতিপক্ষ হিসাবে পরিচিত) নীরব রয়েছে কিন্তু আলাদাভাবে তারা নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। ইরানী ড্রোন থেকে রক্ষার জন্য ট্রাম্প ইউক্রেনের সাহায্য চাইছে যা রাশিয়ার উদ্বেগের কারণ। তাছাড়া চীনা ষাট টনেরও বেশি পণ্য বহনকারী কর্গোবিমন গত কয়েকদিনে বহুবার ইরানে অবতরণ করেছে বলে খবর প্রচারিত হচ্ছে। যার অর্থ চীন যুদ্ধে ইরানকে সাহায্য করছে।
গবেষণায় পাওয়া গেছে ইরান এখনো দশ থেকে পনেরো বছর আগের অস্ত্র ব্যাবহার করছে। এছাড়া আছে সাহেদ বা খোররাম যা আধুনিক প্রজন্মের অস্ত্র হিসাবে পরিচিত। তাই বলায় যায় এ যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়ি থামছেনা।
ইরান হয়তো নিঃশেষ হয়ে যাবে, না হয় অধিপত্যেবাদের শেষ দেখে ছাড়বে। তাই যদি হয় তাহলে তার ফলাফল হবে ভয়াবহ। পৃথিবীতে নেমে আসবে ধ্বংস আর দূর্ভীক্ষ।
আমরা ধ্বংস চাই না। যুদ্ধ ও চাই না। আমরা শান্তি চাই। পৃথিবীই একমাত্র স্থান যেখানে সকল দেশের, সকল জাতের, সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। খোদার স্বর্গে পাপীদের কোনো স্থান নেই। নরকে পূণ্যবান কেউ থাকতে পারে না। কিন্তু পৃথিবীতে আমরা সবাই থাকতে পারি। তাই জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ছোট, বড় সকলে মিলেমিশে থাকতে চাই এই পৃথিবীতে। আগামীর প্রজন্মের জন্য এই সুন্দর পৃথিবীকে বসবাসের উপযোগী করে রাখতে চাই।
আমরা যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই। অবসান হোক পৃথিবীর সকল যুদ্ধের। পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসুক। পৃথিবীর মানুষ নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে প্রাণখুলে নিশ্বাস নিক।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রায় এক মাস ধরে চলমান যুক্তরাষ্ট্রে-ইজ্রাইল ইরান যু'দ্ধ। প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রায় ২০টির ও বেশি দেশ জড়িয়ে পড়েছে এই যুদ্ধে।
আসলে কে জিতলো? আর কে হারলো?
আসুন জেনে নিই সমীকরণ :
যুক্তরাষ্ট্র:
যাকে এই যুদ্ধের মূল হোতা হিসাবে চিন্তা করা হয় সে হলো যুক্তরাস্ট্র। এখনো পর্যন্ত তাদের দাবি তারা আংশিক জয় পেয়েছে। কিন্তু $১৬.৫ বিলিয়নের বেশি খরচ হয়েছে তাদেরকে। হারিয়েছে অসংখ্য সেনা, ফাইটার ১৫, আব্রাহাম লিংকন, জেরার্ডের মত যুদ্ধ জাহাজ। খোদ আমেরিকাতেই বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। সৃষ্টি হয়েছে অসন্তোষ। মিত্র দেশগুলো অহরহ দিচ্ছে যুদ্ধ বন্ধের চাপ।
ই'রানঃ
যাকে কেন্দ্র করে এ-ই যুদ্ধ সেই ইরান অনেকটাই বিধ্ব'স্ত। সেনাবাহিনী ক্লান্ত, নৌবাহিনী ব্যপকভাবে ক্ষ'তিগ্রস্ত, সর্বোচ্চ নেতা-সহ প্রায় সকল নেতৃত্ব নি'হত। হাজর হাজার মানুষ নিহত। বাড়িঘর, রাস্তা, ব্রিজ, কলকারখানা প্রায় সব শেষ। তেহরান পরিনত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। মিত্রদের প্রকাশ্য কোনো সহযোগিতা নেই। প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে মিসাইল উৎপাদন, শেষ হয়ে আসছে মজুতও।
ই'জ্রায়েল
নিজেদের আংশিক জয়ী ঘোষণা করলেও এখনো পর্যন্ত খরচের পরিমান পার হয়প গেছে $৬.৪ বিলিয়ন। অনেক ক্ষ'য়'ক্ষ'তি হয়েছে তবে তা প্রকাশ করে না। ধ্বংস হয়ে গেছে তেল আবিবের মত প্রসিদ্ধ শহর। বাজে ভাবে ভেঙে পড়েছে আয়রন ডোম ব্যাবস্থাপনা।
কাতার:
যদিও যুদ্ধে কাতর জড়িত নয়, কিন্তু কাতারে মার্কিন ঘাঁটি তাকায় সেদেশেও হামলা চালিয়েছে ইরান। কাতারেে LNG (গ্যাস) স্থাপনায় হা'মলা চালিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছে।
এছাড়াও ক্ষ'তিগ্রস্ত হয়েছে সৌদি আরব। হামলা হয়েছে তাদের তেলক্ষেত্রে। ক্ষ'তিগ্রস্ত হয়েছে আরব আমিরাত । দুবাই বিমানবন্দর ব'ন্ধ হয়ে গেছে। যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে লেবানন । লেবাননে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯০০। দুই দেশের মাঝখানে পড়ে আক্রান্ত হয়েছে ইরাক । কুয়েত ক্ষ'তিগ্রস্ত হয়ে আঘাত পেয়েছে জিডিপিতে। তাদের প্রায় ১৪% জিডিপি কমার আশ'ঙ্কা করা হচ্ছে।
বাহরাইন টিকে আছে, তবে সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে। ইয়েমেন অপেক্ষায় আছে। হুথি গোষ্ঠী প্রস্তুত। যেকোনো সময় তারাও যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে। রাশিয়া এখনো বিভক্ত অবস্থায় আছে। তারাও যুদ্ধে অসংখ্য ড্রোন হারিয়েছে, কিন্তু তেল বিক্রি করে লাভ করেছে। তবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছপ চীন। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তারায় ইরানের সস্তা তেলের গ্রাহক। তারা সস্তায় ই'রানের তেল কিনছে, এবং তাদেরকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করেছে।
যদিও ভারত, পাকিস্তান টিকে আছে। কিন্তু তেলের জন্য হিমশিম খাচ্ছে। উভয় দেশেই জ্বালানি সং'কট বাড়ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের মত নিরেপক্ষ শক্তিও। ওদিকে তুরস্ক উন্মুক্ত ঝুঁকিতে আছে। যেকোনো সময় যুদ্ধের গ্রাসে জড়িয়ে যেতে পারে তারাও।
ইরান সীমিত অথবা বন্ধ করে দিয়েছে হরমুজ প্রনালী যা ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে জ্বালানি সং'কট তৈরি করতে পারে। যেকারণে যুক্তরাজ্য জ্বালানির দাম বাড়ছে, তাই তারাও ঝুঁকিতে আছে।
মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসাবে যদিও ওমান টিকে আছে। তবে তারাও যুদ্ধের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।
এখন প্রশ্ন হলো যুদ্ধ থামছে কিনা। একটা সাধারণ উত্তর হলো না। কারণ এই যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রে - ইরান বা ইজ্রায়েলের ঘিরে নয়। এই যুদ্ধ আত্মমর্যাদার যুদ্ধ, এই যুদ্ধ অধিপাত্যবাদের যুদ্ধ।
আইআরসির দাবি ইরান এখন যেভাবে একা সবার সাথে লড়ে যাচ্ছে এইভাবে তারা দুই বছর অনায়াসে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে, তাতেও তাদের অস্ত্রের ভান্ডার খালি হবে না। পশ্চিমাদের মাথা ব্যথার কারণ এইখানে। ইতোমধ্যে অনেক দেশের বিলিয়ন বিলিয়ন মার্কিন ডলার লোকসান গুনতে হয়েছে। বিশ্বব্যাপি খাদ্য ও জ্বালানি সংকট দেখা দিতে শুরু হচ্ছে।
ইরানী বিদ্রোহী বাহিনী আইআরজিসির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, তারা আমেরিকার সাথে কোনো প্রকার আলোচনায় বসতে চাইনা। যদিও আমেরিকা-ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যুদ্ধ চার থেকে আট সপ্তাহ চলতে পারে। কিন্তু এখন ধারণা করা হচ্ছে, এ যুদ্ধ আরো অনেক দিন চলতে থাকবে এবং ইরান এতসব ভেবে চিন্তেই মার্কিন ঘাটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
এখনো পর্যন্ত ইরানের মিত্র দেশ চিন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়ার মত শক্তি (যা আমেরিকার প্রতিপক্ষ হিসাবে পরিচিত) নীরব রয়েছে কিন্তু আলাদাভাবে তারা নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করে যাচ্ছে। ইরানী ড্রোন থেকে রক্ষার জন্য ট্রাম্প ইউক্রেনের সাহায্য চাইছে যা রাশিয়ার উদ্বেগের কারণ। তাছাড়া চীনা ষাট টনেরও বেশি পণ্য বহনকারী কর্গোবিমন গত কয়েকদিনে বহুবার ইরানে অবতরণ করেছে বলে খবর প্রচারিত হচ্ছে। যার অর্থ চীন যুদ্ধে ইরানকে সাহায্য করছে।
গবেষণায় পাওয়া গেছে ইরান এখনো দশ থেকে পনেরো বছর আগের অস্ত্র ব্যাবহার করছে। এছাড়া আছে সাহেদ বা খোররাম যা আধুনিক প্রজন্মের অস্ত্র হিসাবে পরিচিত। তাই বলায় যায় এ যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়ি থামছেনা।
ইরান হয়তো নিঃশেষ হয়ে যাবে, না হয় অধিপত্যেবাদের শেষ দেখে ছাড়বে। তাই যদি হয় তাহলে তার ফলাফল হবে ভয়াবহ। পৃথিবীতে নেমে আসবে ধ্বংস আর দূর্ভীক্ষ।
আমরা ধ্বংস চাই না। যুদ্ধ ও চাই না। আমরা শান্তি চাই। পৃথিবীই একমাত্র স্থান যেখানে সকল দেশের, সকল জাতের, সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। খোদার স্বর্গে পাপীদের কোনো স্থান নেই। নরকে পূণ্যবান কেউ থাকতে পারে না। কিন্তু পৃথিবীতে আমরা সবাই থাকতে পারি। তাই জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ছোট, বড় সকলে মিলেমিশে থাকতে চাই এই পৃথিবীতে। আগামীর প্রজন্মের জন্য এই সুন্দর পৃথিবীকে বসবাসের উপযোগী করে রাখতে চাই।
আমরা যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই, যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই। অবসান হোক পৃথিবীর সকল যুদ্ধের। পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসুক। পৃথিবীর মানুষ নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে প্রাণখুলে নিশ্বাস নিক।
