পাঠকের কথা
বিনয়ের সঙ্গে বলা হচ্ছে—ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কতটা মসৃণ হবে, সে বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক গবেষণা ছাড়া এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন নয়। এ বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সংলাপ (ন্যাশনাল ডায়ালগ) আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।
শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার সম্প্রসারণের আগে জরুরি ভিত্তিতে গড়ে তোলা দরকার নিজস্ব ডিজিটাল হাব, নিজস্ব ডিজিটাল সুইচিং ব্যবস্থা ও নিরাপদ ডিজিটাল পাথওয়ে। অন্যথায় গুজব, বিভ্রান্তি ও অনিয়ন্ত্রিত কনটেন্টের বিস্তারে শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।
বর্তমানে দেশে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো, শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটির টেকসই ও নিরাপদ ব্যবহারের সুরক্ষা, কিংবা কার্যকর সাইবার প্রতিরক্ষা গেটওয়ে—এসবই এখনও পর্যাপ্ত নয়। অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেওয়া ল্যাপটপ কয়েক মাসের মধ্যেই অকেজো হয়ে যাওয়ার ঘটনাও দেখা যায়, যার কার্যকর প্রতিকার নেই। এসব সমস্যার সমাধান না করে “ওয়ান ট্যাব, ওয়ান শিক্ষার্থী” ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।
বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানির নানা ডিজিটাল কনটেন্টের ভিড়ে শিশু-কিশোররা সহজেই পর্নোগ্রাফি, জুয়া কিংবা সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে সঙ্গে এসব ঝুঁকিও বাড়ে। সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা না থাকলে বিভিন্ন বয়সের মানুষই ডিজিটাল আসক্তির শিকার হচ্ছে—যা ইতোমধ্যে সমাজে লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
এ ক্ষেত্রে ক্যাডেট কলেজগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হতে পারে। সেখানে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সমন্বিত শিক্ষাদানের মাধ্যমে তারা জীবনের নানা ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
তাই শিক্ষায় আইসিটির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় নৈতিকতা, নিরাপত্তা ও সুশাসনের বিষয়গুলোকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রযুক্তির সুফল দিতে হলে আগে তাদের জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
সচেতন ও বিচক্ষণ অভিভাবক হিসেবে আমাদের উচিত—আগামীর সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভেবে প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও শিক্ষার ক্ষেত্র বিস্তৃত করার বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা।
স্বাক্ষরিত
বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম
Jonayed Hossain
Saimum Parvez
Miah Suleman
Shah Jamal

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৬
বিনয়ের সঙ্গে বলা হচ্ছে—ডিজিটাল আসক্তির মধ্যে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কতটা মসৃণ হবে, সে বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক গবেষণা ছাড়া এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সমীচীন নয়। এ বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সংলাপ (ন্যাশনাল ডায়ালগ) আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।
শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার সম্প্রসারণের আগে জরুরি ভিত্তিতে গড়ে তোলা দরকার নিজস্ব ডিজিটাল হাব, নিজস্ব ডিজিটাল সুইচিং ব্যবস্থা ও নিরাপদ ডিজিটাল পাথওয়ে। অন্যথায় গুজব, বিভ্রান্তি ও অনিয়ন্ত্রিত কনটেন্টের বিস্তারে শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।
বর্তমানে দেশে শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো, শিক্ষাক্ষেত্রে আইসিটির টেকসই ও নিরাপদ ব্যবহারের সুরক্ষা, কিংবা কার্যকর সাইবার প্রতিরক্ষা গেটওয়ে—এসবই এখনও পর্যাপ্ত নয়। অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেওয়া ল্যাপটপ কয়েক মাসের মধ্যেই অকেজো হয়ে যাওয়ার ঘটনাও দেখা যায়, যার কার্যকর প্রতিকার নেই। এসব সমস্যার সমাধান না করে “ওয়ান ট্যাব, ওয়ান শিক্ষার্থী” ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে।
বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানির নানা ডিজিটাল কনটেন্টের ভিড়ে শিশু-কিশোররা সহজেই পর্নোগ্রাফি, জুয়া কিংবা সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে সঙ্গে এসব ঝুঁকিও বাড়ে। সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা না থাকলে বিভিন্ন বয়সের মানুষই ডিজিটাল আসক্তির শিকার হচ্ছে—যা ইতোমধ্যে সমাজে লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
এ ক্ষেত্রে ক্যাডেট কলেজগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হতে পারে। সেখানে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ। নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সমন্বিত শিক্ষাদানের মাধ্যমে তারা জীবনের নানা ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
তাই শিক্ষায় আইসিটির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় নৈতিকতা, নিরাপত্তা ও সুশাসনের বিষয়গুলোকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রযুক্তির সুফল দিতে হলে আগে তাদের জন্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
সচেতন ও বিচক্ষণ অভিভাবক হিসেবে আমাদের উচিত—আগামীর সন্তানদের ভবিষ্যৎ ভেবে প্রযুক্তি ব্যবহারের আগে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও শিক্ষার ক্ষেত্র বিস্তৃত করার বিষয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা।
স্বাক্ষরিত
বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম
Jonayed Hossain
Saimum Parvez
Miah Suleman
Shah Jamal
