সারাদেশ
বেদেনা খাতুন উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের সুলতানহাটা গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী। এর আগে সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা তাঁকে উপজেলার চান্দিয়াড় গ্রাম থেকে আটকের পর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে চান্দিয়াড় গ্রামের কয়েকজন হতদরিদ্র নারীর কাছে টাকা দাবি করছিলেন বেদেনা খাতুন। এ সময় তিনি কয়েকজনের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন।
প্রতারণার কৌশল হিসেবে তিনি স্থানীয়দের বলতেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দিলে কার্ড করে দেওয়া হবে এবং কার্ডধারীরা প্রতি মাসে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাবেন। আস্থা অর্জনের জন্য তিনি বিভিন্ন ধরনের ভুয়া সরকারি ফরমও দেখাতেন। পাশাপাশি দরিদ্র ব্যক্তিদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবিও সংগ্রহ করছিলেন তিনি।
এক পর্যায়ে তাঁর আচরণে এক নারীর সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানান তিনি। সংবাদ পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেদেনা খাতুনকে আটক করেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে থানা হেফাজতে নেয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, "৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ওই নারীকে থানা হেফাজতে আনা হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কারও কোনো লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় তাঁকে ৫১ ধারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বেদেনা খাতুন উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের সুলতানহাটা গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী। এর আগে সোমবার বিকেলে স্থানীয়রা তাঁকে উপজেলার চান্দিয়াড় গ্রাম থেকে আটকের পর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে চান্দিয়াড় গ্রামের কয়েকজন হতদরিদ্র নারীর কাছে টাকা দাবি করছিলেন বেদেনা খাতুন। এ সময় তিনি কয়েকজনের কাছ থেকে ১ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন।
প্রতারণার কৌশল হিসেবে তিনি স্থানীয়দের বলতেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টাকা দিলে কার্ড করে দেওয়া হবে এবং কার্ডধারীরা প্রতি মাসে সরকারি আর্থিক সহায়তা পাবেন। আস্থা অর্জনের জন্য তিনি বিভিন্ন ধরনের ভুয়া সরকারি ফরমও দেখাতেন। পাশাপাশি দরিদ্র ব্যক্তিদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সাইজের ছবিও সংগ্রহ করছিলেন তিনি।
এক পর্যায়ে তাঁর আচরণে এক নারীর সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানান তিনি। সংবাদ পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেদেনা খাতুনকে আটক করেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে থানা হেফাজতে নেয়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, "৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ওই নারীকে থানা হেফাজতে আনা হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে কারও কোনো লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় তাঁকে ৫১ ধারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।"
