অর্থনীতি
পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেক সময় পার হতে চললেও রাজশাহীর বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং চিনি, ডাল, ছোলাসহ ইফতারি ও সেহরির প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ ক্রেতাদের। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি সত্ত্বেও অসাধু সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজার অস্থির বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজশাহীর সাহেববাজার, মাস্টারপাড়া ও নিউ মার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কিছু পণ্যের দাম নতুন করে বেড়েছে।
বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
|
পণ্যের নাম |
বর্তমান দাম (প্রতি কেজি) |
গত সপ্তাহের তুলনায় বৃদ্ধি |
|---|---|---|
|
ব্রয়লার মুরগি |
২২০ - ২৩০ টাকা |
১০ - ১৫ টাকা |
|
গরুর মাংস |
৭৮০ - ৮০০ টাকা |
২০ টাকা |
|
ছোলা |
১১০ - ১২০ টাকা |
৫ - ১০ টাকা |
|
চিনি |
১৪৫ - ১৫০ টাকা |
৫ টাকা |
|
পেঁয়াজ |
৯০ - ১০০ টাকা |
৫ - ১০ টাকা |
সাহেববাজারে সদাই করতে আসা এক বেসরকারি চাকুরিজীবী বলেন, "ভেবেছিলাম রমজানের মাঝামাঝি সময়ে ভিড় কমলে দাম কিছুটা কমবে। কিন্তু বাজারে এসে দেখছি উল্টো চিত্র। প্রতিটি পণ্যে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।"
অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতাদের দাবি—পাইকারি বাজার থেকেই তাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় তারা দাম কমাতে পারছেন না।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের দাবি, শুধুমাত্র জরিমানা নয়, বরং বাজার ব্যবস্থার মূল উৎস বা পাইকারি আড়তগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো প্রয়োজন।
রমজানের বাকি দিনগুলোতে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সংশয় রয়েই গেছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেক সময় পার হতে চললেও রাজশাহীর বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং চিনি, ডাল, ছোলাসহ ইফতারি ও সেহরির প্রয়োজনীয় উপকরণের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ ক্রেতাদের। প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি সত্ত্বেও অসাধু সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজার অস্থির বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার (৭ মার্চ) রাজশাহীর সাহেববাজার, মাস্টারপাড়া ও নিউ মার্কেট কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কিছু পণ্যের দাম নতুন করে বেড়েছে।
বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
|
পণ্যের নাম |
বর্তমান দাম (প্রতি কেজি) |
গত সপ্তাহের তুলনায় বৃদ্ধি |
|---|---|---|
|
ব্রয়লার মুরগি |
২২০ - ২৩০ টাকা |
১০ - ১৫ টাকা |
|
গরুর মাংস |
৭৮০ - ৮০০ টাকা |
২০ টাকা |
|
ছোলা |
১১০ - ১২০ টাকা |
৫ - ১০ টাকা |
|
চিনি |
১৪৫ - ১৫০ টাকা |
৫ টাকা |
|
পেঁয়াজ |
৯০ - ১০০ টাকা |
৫ - ১০ টাকা |
সাহেববাজারে সদাই করতে আসা এক বেসরকারি চাকুরিজীবী বলেন, "ভেবেছিলাম রমজানের মাঝামাঝি সময়ে ভিড় কমলে দাম কিছুটা কমবে। কিন্তু বাজারে এসে দেখছি উল্টো চিত্র। প্রতিটি পণ্যে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের জন্য টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে।"
অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতাদের দাবি—পাইকারি বাজার থেকেই তাদের বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। সরবরাহ কম থাকায় তারা দাম কমাতে পারছেন না।
রাজশাহী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। তবে ক্রেতাদের দাবি, শুধুমাত্র জরিমানা নয়, বরং বাজার ব্যবস্থার মূল উৎস বা পাইকারি আড়তগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো প্রয়োজন।
রমজানের বাকি দিনগুলোতে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে কি না, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সংশয় রয়েই গেছে।
