দুর্নীতিদুর্নীতি

মহেশখালীর শাপলাপুর জলেয়ারমার ঘাট আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ তোয়াহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল

মহেশখালীর শাপলাপুর জলেয়ারমার ঘাট আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ তোয়াহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল
ছবি - জলেয়ারমার ঘাট আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ তোয়াহার উদ্দিন।

দীর্ঘদিনের সন্দেহ, যাচাই–বাছাই ও তদন্তের পর মহেশখালীর শাপলাপুর এর জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (বাংলা) তোয়াহার উদ্দিনের দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন সনদ সরকারি রেকর্ডের সাথে মিল না থাকায় তা জাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, জাল সনদ ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি চকরিয়ার একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করছেন।

এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মহেশখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় জাল সনদ দিয়ে চাকরি করা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সাথেই প্রতারণা।

 তারা জানান, কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে নয়; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং সত্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। সংশ্লিষ্টরা ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছেন।

জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপস নয়—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ###

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মহেশখালীর শাপলাপুর জলেয়ারমার ঘাট আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের জাল শিক্ষক নিবন্ধন সনদ তোয়াহার উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

দীর্ঘদিনের সন্দেহ, যাচাই–বাছাই ও তদন্তের পর মহেশখালীর শাপলাপুর এর জলেয়ারমার ঘাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক (বাংলা) তোয়াহার উদ্দিনের দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন সনদ সরকারি রেকর্ডের সাথে মিল না থাকায় তা জাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, জাল সনদ ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। বর্তমানে তিনি চকরিয়ার একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করছেন।

এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মহেশখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো পবিত্র জায়গায় জাল সনদ দিয়ে চাকরি করা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার সাথেই প্রতারণা।

 তারা জানান, কোনো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে নয়; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং সত্য প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এখন বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। সংশ্লিষ্টরা ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছেন।

জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপস নয়—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ###


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত