বিনোদনবিনোদন

চিলমারী নদী বন্দরে ঈদের আমেজ

চিলমারী নদী বন্দরে ঈদের আমেজ
চিলমারী নদী বন্দরে ঈদের আমেজ

ছুটিতে চিলমারী নদী বন্দরে ছিল উপচে পড়া ভিড়। নারী, পুরুষ, কিশোর, তরুণ-তরুণী সবার পদচারণায় মুখর ছিল পুরো এলাকা। স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরাও ভিড় জমিয়েছিলেন এখানে।

নৌকা ভ্রমণ আর ফেরি ঘাট ঘুরে দেখা ছিল মূল আকর্ষণ। ব্রহ্মপুত্রের বুকে নৌকায় চড়ে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দে মেতেছেন। ঘাটে বসেছিল পুচকার দোকান, বিভিন্ন রকম খেলনার পসরা। ঈদের কেনাকাটা আর খাওয়া-দাওয়ায় জমে উঠেছিল পুরো বন্দর এলাকা।

আত্মীয়তার টানে অনেকেই নৌকা যোগে চরাঞ্চলের বাড়িতে ছুটে গেছেন। ঈদের দিনে চরের মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাতের দৃশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে চিলমারী নদী বন্দর আগামী দিনে দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠতে পারে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর নদীভিত্তিক সংস্কৃতি মিলিয়ে এর সম্ভাবনা অনেক।

পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র, নিরাপদ নৌ-চলাচল আর অবকাঠামো উন্নয়ন হলে চিলমারী হতে পারে উত্তরাঞ্চলের পর্যটনের নতুন হাব।

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিলমারী নদী বন্দরে ঈদের আমেজ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

ছুটিতে চিলমারী নদী বন্দরে ছিল উপচে পড়া ভিড়। নারী, পুরুষ, কিশোর, তরুণ-তরুণী সবার পদচারণায় মুখর ছিল পুরো এলাকা। স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরাও ভিড় জমিয়েছিলেন এখানে।


নৌকা ভ্রমণ আর ফেরি ঘাট ঘুরে দেখা ছিল মূল আকর্ষণ। ব্রহ্মপুত্রের বুকে নৌকায় চড়ে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দে মেতেছেন। ঘাটে বসেছিল পুচকার দোকান, বিভিন্ন রকম খেলনার পসরা। ঈদের কেনাকাটা আর খাওয়া-দাওয়ায় জমে উঠেছিল পুরো বন্দর এলাকা।


আত্মীয়তার টানে অনেকেই নৌকা যোগে চরাঞ্চলের বাড়িতে ছুটে গেছেন। ঈদের দিনে চরের মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাতের দৃশ্য ছিল চোখে পড়ার মতো।


স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে পর্যটনের সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে চিলমারী নদী বন্দর আগামী দিনে দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠতে পারে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর নদীভিত্তিক সংস্কৃতি মিলিয়ে এর সম্ভাবনা অনেক।


পরিকল্পিত পর্যটন কেন্দ্র, নিরাপদ নৌ-চলাচল আর অবকাঠামো উন্নয়ন হলে চিলমারী হতে পারে উত্তরাঞ্চলের পর্যটনের নতুন হাব।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত