চিত্র বিচিত্র
চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাটে ভাঙ্গন প্রতিরোধে এলাকাবাসীর মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা যায়, সাম্প্রতিক কয়েক দিন যাবৎ ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে পড়ে কাচকোল বাজারের উত্তরে সগকটারী ও শিমুলতলী এলাকায় বাধের ঢালে বসানো নদী রক্ষা বাধের স্লোপে ধস দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড আপ্রাণ চেষ্টা করেও পর্যাপ্ত জিও ব্যাগের অভাবে নিয়মিত ডাম্পিং করতে না পারায় একের পর এক স্থানে ধস দেখা দিচ্ছে। ফলে এলাকার রোকজনের মাঝে ভাঙ্গনে আতংঙ্কে নির্ঘুম রাত পাহারা বসিয়ে কাটাচ্ছেন।
বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ সংলগ্ন পিচিংএর সামনে নদের তলদেশ ১০০থেকে ১৫০ ফুট গভীর, কিন্তুু স্বাভাবিক স্থানে নির্মিত ভাঙ্গন রক্ষা বাধ সংলগ্ন নদের তলদেশ মাত্র ৫০থেকে ৮০ ফুট। তাই নদে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোত সরাসরি ডানতীরে মূল জায়গায় আঘাত করায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের স্লোপে নির্মিত ভাঙ্গন রক্ষা বাধটি সম্পূর্ন অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী মজনু, বাবলু, মতিয়ার, জয়নাল জানান, চলতি মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৬০ মিটার ডানতীর রক্ষা বাধের পিচিং সহ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের অংশ নদের গর্ভে ধসে গেছে। উত্তর থেকে সব সময় এ ভাঙ্গন ও ধস অব্যাহত রয়েছে।
৪৪৮ কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল নদীভাঙন থেকে জনপদ রক্ষা করা। কিন্তু বর্তমানে যেখানে ব্লক ধসে যাচ্ছে এবং বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ফকিরেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন সহ ফকিরেরহাট আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, ফকিরের হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও শতশত এলাকাবাসী।
উক্ত মানব বন্ধন থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনের হাত থেকে কাচকোলের সড়কটারী, শিমুলতলী বাধ সহ গোটা চিলমারীকে রক্ষার জন্য স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের দাবীতে প্রধানমন্ত্রীর কারেক রহমানের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাটে ভাঙ্গন প্রতিরোধে এলাকাবাসীর মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা যায়, সাম্প্রতিক কয়েক দিন যাবৎ ব্রহ্মপুত্র নদের অব্যাহত ভাঙ্গনের কবলে পড়ে কাচকোল বাজারের উত্তরে সগকটারী ও শিমুলতলী এলাকায় বাধের ঢালে বসানো নদী রক্ষা বাধের স্লোপে ধস দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড আপ্রাণ চেষ্টা করেও পর্যাপ্ত জিও ব্যাগের অভাবে নিয়মিত ডাম্পিং করতে না পারায় একের পর এক স্থানে ধস দেখা দিচ্ছে। ফলে এলাকার রোকজনের মাঝে ভাঙ্গনে আতংঙ্কে নির্ঘুম রাত পাহারা বসিয়ে কাটাচ্ছেন।
বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ সংলগ্ন পিচিংএর সামনে নদের তলদেশ ১০০থেকে ১৫০ ফুট গভীর, কিন্তুু স্বাভাবিক স্থানে নির্মিত ভাঙ্গন রক্ষা বাধ সংলগ্ন নদের তলদেশ মাত্র ৫০থেকে ৮০ ফুট। তাই নদে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে তীব্র স্রোত সরাসরি ডানতীরে মূল জায়গায় আঘাত করায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধের স্লোপে নির্মিত ভাঙ্গন রক্ষা বাধটি সম্পূর্ন অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসী মজনু, বাবলু, মতিয়ার, জয়নাল জানান, চলতি মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৬০ মিটার ডানতীর রক্ষা বাধের পিচিং সহ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের অংশ নদের গর্ভে ধসে গেছে। উত্তর থেকে সব সময় এ ভাঙ্গন ও ধস অব্যাহত রয়েছে।
৪৪৮ কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল নদীভাঙন থেকে জনপদ রক্ষা করা। কিন্তু বর্তমানে যেখানে ব্লক ধসে যাচ্ছে এবং বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, ফকিরেরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন সহ ফকিরেরহাট আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, ফকিরের হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও শতশত এলাকাবাসী।
উক্ত মানব বন্ধন থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গনের হাত থেকে কাচকোলের সড়কটারী, শিমুলতলী বাধ সহ গোটা চিলমারীকে রক্ষার জন্য স্থায়ী ও টেকসই সমাধানের দাবীতে প্রধানমন্ত্রীর কারেক রহমানের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
