ভ্রমণভ্রমণ

চিলমারীর ঐতিহ্যের টানে, নদের গানে, চলুন হারাই মাস্তুলের সাথে!

ভ্রমন তরী মস্তল সম্প্রতি কুড়িগ্রম জেলার চিলমরীতে ব্রহ্মপুত্র নদে এ এলাকার বিস্তির্ন চরাঞ্চলের মানুষের বসতি, জীবন যাত্রার মান, নতুন অভিজ্ঞতা ভ্রমন পিপাসুদের আকৃষ্ট করতে অনেক দূর থেকে এসেছে। দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া, এ প্রতিপাদ্য যেন স্বচোখে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন মাস্তল কতৃপক্ষ। সাধারনত পাহাড় দেখতে এ অঞ্চলের মানুষকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়। কিন্তু  কুড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত  ১৭টি নদ-নদীর প্রবাহ, সংযোগ স্থান, দুধ কুমোর,ফুল কুমোর,সঙ্কোশ, গঙ্গাধর, জিঞ্জিরাম,তিস্তা, ধরলা হলহলিয়া ও বিশেষ করে সাহেবের আলগা- বেগম গঞ্জের নুনখাওয়ায় সোজা পূর্ব থেকে ভারতের পাহাড়ের তলদেশ থেকে কিভাবে এসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তা স্ব-চোখেই অবলোকন করা যায়। আর একটু দূর হতে হলেও আপনি যদি এ স্থানটিতে দাড়িয়ে পূর্ব দিগন্তে তাকান দেখবেন কি এক অপূর্ব দৃশ্য!  চোখের সমনেই আসামের বিশাল নয়নাভিরাম সু-উচ্চ পাহাড়!!  তাৎক্ষনিক ভাবে ভুলেই যাবেন যে আপনি কোথায় আছেন। এ সব ছাড়াও চরাঞ্চলের গরু,মহিষের সারি, বির্স্তিন চর জুড়ে বাদম কলাই,ভূট্টা কতকি ফসল ও চর বসতিদের ঘরবসতি। সে দেখার সুযোগ গুলো এলাকার কিছু অর্বাচিনদের না ধারনায় বিরুপ হয়েছেন মাস্তল কতৃপক্ষ। তারপরও তারা একটু দূরে চলে গেলেও 

উত্তরবঙ্গের বিশাল সবনতন ধর্মাবলম্বিদের স্নান উপলক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী চিলমারীর অষ্টমীর মেলা উপলক্ষে মাস্তুল হাউসবোট নিয়ে আসছে এক অনন্য অভিজ্ঞতার সুযোগ।  এ মেলাকে কেন্দ্র করে মাসতল কতৃপক্ষের অষ্টমীর স্নান ও মেলা উদযাপন ভ্রমনের সুযোগ এনেছেন। তারা জানান, একদিকে ২০০ বছরের পুরনো মেলার লোকজ আমেজ, আর অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে মাস্তুলের রাজকীয় আতিথেয়তা—সব মিলিয়ে আপনার এই ভ্রমণ হবে আজীবনের স্মৃতি!

মাস্তলের এই ট্রিপে যোগ দেয়ার বিষয়ে তাদের আহব্বান, চিলমারীর ঐতিহ্যবাহী 

 অষ্টমীর মেলার বর্ণিল আয়োজন দেখার সুযোগ, ব্রহ্মপুত্র ক্রুজ: গাইবান্ধার কামারজানি বন্দর থেকে ব্রহ্মপুত্রের বিশাল চরাঞ্চল ঘুরে দেখা, অভিজাত আবাসন: মাস্তুলের প্রিমিয়াম কেবিনে নদের বুকেই রাত কাটানোর রোমাঞ্চ। খাবার: ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার টাটকা আইড়, বাঘাইড় কিংবা বোয়াল মাছের জিভে জল আনা মেনু। শান্তি ও নির্জনতা: শহুরে কোলাহল ছেড়ে চরের বালুকাবেলায় সূর্যাস্ত দেখার প্রশান্তি। চিলমারীর অষ্টমীর মেলা (যা চৈত্র মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে স্নান উৎসব)। তাদের এই যাত্রা শুরু হবে,  কামারজানী বন্দর হতে  ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী অষ্টমীর মেলা ভ্রমণ।

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


চিলমারীর ঐতিহ্যের টানে, নদের গানে, চলুন হারাই মাস্তুলের সাথে!

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬

featured Image

ভ্রমন তরী মস্তল সম্প্রতি কুড়িগ্রম জেলার চিলমরীতে ব্রহ্মপুত্র নদে এ এলাকার বিস্তির্ন চরাঞ্চলের মানুষের বসতি, জীবন যাত্রার মান, নতুন অভিজ্ঞতা ভ্রমন পিপাসুদের আকৃষ্ট করতে অনেক দূর থেকে এসেছে। দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া, এ প্রতিপাদ্য যেন স্বচোখে দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন মাস্তল কতৃপক্ষ। সাধারনত পাহাড় দেখতে এ অঞ্চলের মানুষকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যেতে হয়। কিন্তু  কুড়িগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত  ১৭টি নদ-নদীর প্রবাহ, সংযোগ স্থান, দুধ কুমোর,ফুল কুমোর,সঙ্কোশ, গঙ্গাধর, জিঞ্জিরাম,তিস্তা, ধরলা হলহলিয়া ও বিশেষ করে সাহেবের আলগা- বেগম গঞ্জের নুনখাওয়ায় সোজা পূর্ব থেকে ভারতের পাহাড়ের তলদেশ থেকে কিভাবে এসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তা স্ব-চোখেই অবলোকন করা যায়। আর একটু দূর হতে হলেও আপনি যদি এ স্থানটিতে দাড়িয়ে পূর্ব দিগন্তে তাকান দেখবেন কি এক অপূর্ব দৃশ্য!  চোখের সমনেই আসামের বিশাল নয়নাভিরাম সু-উচ্চ পাহাড়!!  তাৎক্ষনিক ভাবে ভুলেই যাবেন যে আপনি কোথায় আছেন। এ সব ছাড়াও চরাঞ্চলের গরু,মহিষের সারি, বির্স্তিন চর জুড়ে বাদম কলাই,ভূট্টা কতকি ফসল ও চর বসতিদের ঘরবসতি। সে দেখার সুযোগ গুলো এলাকার কিছু অর্বাচিনদের না ধারনায় বিরুপ হয়েছেন মাস্তল কতৃপক্ষ। তারপরও তারা একটু দূরে চলে গেলেও 

উত্তরবঙ্গের বিশাল সবনতন ধর্মাবলম্বিদের স্নান উপলক্ষ্যে ঐতিহ্যবাহী চিলমারীর অষ্টমীর মেলা উপলক্ষে মাস্তুল হাউসবোট নিয়ে আসছে এক অনন্য অভিজ্ঞতার সুযোগ।  এ মেলাকে কেন্দ্র করে মাসতল কতৃপক্ষের অষ্টমীর স্নান ও মেলা উদযাপন ভ্রমনের সুযোগ এনেছেন। তারা জানান, একদিকে ২০০ বছরের পুরনো মেলার লোকজ আমেজ, আর অন্যদিকে ব্রহ্মপুত্র নদের বুকে মাস্তুলের রাজকীয় আতিথেয়তা—সব মিলিয়ে আপনার এই ভ্রমণ হবে আজীবনের স্মৃতি!

মাস্তলের এই ট্রিপে যোগ দেয়ার বিষয়ে তাদের আহব্বান, চিলমারীর ঐতিহ্যবাহী 

 অষ্টমীর মেলার বর্ণিল আয়োজন দেখার সুযোগ, ব্রহ্মপুত্র ক্রুজ: গাইবান্ধার কামারজানি বন্দর থেকে ব্রহ্মপুত্রের বিশাল চরাঞ্চল ঘুরে দেখা, অভিজাত আবাসন: মাস্তুলের প্রিমিয়াম কেবিনে নদের বুকেই রাত কাটানোর রোমাঞ্চ। খাবার: ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার টাটকা আইড়, বাঘাইড় কিংবা বোয়াল মাছের জিভে জল আনা মেনু। শান্তি ও নির্জনতা: শহুরে কোলাহল ছেড়ে চরের বালুকাবেলায় সূর্যাস্ত দেখার প্রশান্তি। চিলমারীর অষ্টমীর মেলা (যা চৈত্র মাসের শুক্লাষ্টমী তিথিতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে স্নান উৎসব)। তাদের এই যাত্রা শুরু হবে,  কামারজানী বন্দর হতে  ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী অষ্টমীর মেলা ভ্রমণ।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত