খেলাধূলাখেলাধূলা

জাতীয় ফুটবলের ফাইনালে ঈশ্বরগঞ্জের রাতুলের দুর্দান্ত লড়াই, গৌরব ময়মনসিংহের

জাতীয় ফুটবলের ফাইনালে ঈশ্বরগঞ্জের রাতুলের দুর্দান্ত লড়াই, গৌরব ময়মনসিংহের
পুরস্কার গ্রহণকালীন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের নিভিয়াঘাটা গ্রামের কৃতি সন্তান ও আঠারবাড়ী এম.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রাতুল মড়ল জাতীয় পর্যায়ের ফুটবলে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে নিজ এলাকা ও জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তাঁর খেলায় অনুপ্রাণিত হয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই স্মরণীয় সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ময়মনসিংহ বিভাগের রানারআপ দলটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ট্রফি ও পুরস্কার গ্রহণ করে।

জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ময়মনসিংহ বিভাগের হয়ে মাঠে নামেন রাতুল। ম্যাচ চলাকালে গুরুতর চোট পেলেও তিনি খেলা চালিয়ে যান। দুর্দান্ত সাহস, ফিটনেস এবং মিডফিল্ডে অসাধারণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তিনি সবার নজর কাড়েন। ফুটবল একটি দলগত খেলা হওয়ায় দলের সব খেলোয়াড়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিবেদনের ফলেই ময়মনসিংহ বিভাগ জাতীয় পর্যায়ে রানারআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে।

রাতুলের এই অর্জনে আঠারবাড়ীসহ পুরো ঈশ্বরগঞ্জে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর শিক্ষক, সহপাঠী, অভিভাবক ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা গর্ব প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, গ্রামের একজন তরুণের এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও অনেক ছেলে-মেয়েকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করবে।

স্থানীয়রা জানান, রাতুলের পেছনে আঠারবাড়ী ফুটবল একাডেমি এবং কোচ মনজিল মড়লের নিরলস পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনার বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণেই আঠারবাড়ীর প্রতিভাবান ফুটবলাররা আজ জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা রাতুল মড়লকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবেন।

সংশ্লিষ্টরা আরও মনে করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি, শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তোলা এবং নতুন প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

Public Voice

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জাতীয় ফুটবলের ফাইনালে ঈশ্বরগঞ্জের রাতুলের দুর্দান্ত লড়াই, গৌরব ময়মনসিংহের

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের নিভিয়াঘাটা গ্রামের কৃতি সন্তান ও আঠারবাড়ী এম.সি. উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রাতুল মড়ল জাতীয় পর্যায়ের ফুটবলে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে নিজ এলাকা ও জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তাঁর খেলায় অনুপ্রাণিত হয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই স্মরণীয় সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ময়মনসিংহ বিভাগের রানারআপ দলটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে ট্রফি ও পুরস্কার গ্রহণ করে।

জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে ময়মনসিংহ বিভাগের হয়ে মাঠে নামেন রাতুল। ম্যাচ চলাকালে গুরুতর চোট পেলেও তিনি খেলা চালিয়ে যান। দুর্দান্ত সাহস, ফিটনেস এবং মিডফিল্ডে অসাধারণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে তিনি সবার নজর কাড়েন। ফুটবল একটি দলগত খেলা হওয়ায় দলের সব খেলোয়াড়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিবেদনের ফলেই ময়মনসিংহ বিভাগ জাতীয় পর্যায়ে রানারআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে।

রাতুলের এই অর্জনে আঠারবাড়ীসহ পুরো ঈশ্বরগঞ্জে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর শিক্ষক, সহপাঠী, অভিভাবক ও স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা গর্ব প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, গ্রামের একজন তরুণের এই সাফল্য ভবিষ্যতে আরও অনেক ছেলে-মেয়েকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করবে।

স্থানীয়রা জানান, রাতুলের পেছনে আঠারবাড়ী ফুটবল একাডেমি এবং কোচ মনজিল মড়লের নিরলস পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনার বড় ভূমিকা রয়েছে। তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টার কারণেই আঠারবাড়ীর প্রতিভাবান ফুটবলাররা আজ জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা রাতুল মড়লকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন, তিনি ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবেন।

সংশ্লিষ্টরা আরও মনে করেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি, শৃঙ্খলাবোধ গড়ে তোলা এবং নতুন প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত