শিক্ষা
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কুমারুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খালিকুজ্জামান সুজনের (৩৮) মুক্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০০ শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে প্রধান শিক্ষককে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বর ও আশপাশের এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক খালিকুজ্জামান সুজন নিজের একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। সেখানে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির গুঞ্জন বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমাবস্থায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিচার দাবি করলেও পরবর্তীতে জানা যায়, ভুক্তভোগী দাবি করা ছাত্রী বা তার পরিবার এই শ্লীলতাহানির অভিযোগটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।
মেয়েকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে মান সম্মান করায় মেয়ের বাবা থানায় উল্টো লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ছাত্রীর পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকা সত্তে্বও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চান মিয়া নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় গত শুক্রবার রাতে শিক্ষক সুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে ক্লাস বর্জন করে বাইরে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা।
এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে তাকে ও অন্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়টি প্রধান শিক্ষক চাঁন মিয়া বলেন, আমি মামলার বাদীর বিষয়ে কিছুই জানি না। থানায় ধরে নিয়ে আমাকে শুধু একটি সই দিতে বলেছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমান জানান, প্রধান শিক্ষক সপ্রণোদিত হয়েই মামলা করেছে। এখন মিথ্যা বলছেন।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কুমারুলি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খালিকুজ্জামান সুজনের (৩৮) মুক্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০০ শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে প্রধান শিক্ষককে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় চত্বর ও আশপাশের এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক খালিকুজ্জামান সুজন নিজের একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। সেখানে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির গুঞ্জন বিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমাবস্থায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিচার দাবি করলেও পরবর্তীতে জানা যায়, ভুক্তভোগী দাবি করা ছাত্রী বা তার পরিবার এই শ্লীলতাহানির অভিযোগটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।
মেয়েকে নিয়ে মিথ্যা অপবাদ ও পরিবারকে মান সম্মান করায় মেয়ের বাবা থানায় উল্টো লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ছাত্রীর পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকা সত্তে্বও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চান মিয়া নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় গত শুক্রবার রাতে শিক্ষক সুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এবং শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ দাবি করে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে ক্লাস বর্জন করে বাইরে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা।
এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে তাকে ও অন্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়টি প্রধান শিক্ষক চাঁন মিয়া বলেন, আমি মামলার বাদীর বিষয়ে কিছুই জানি না। থানায় ধরে নিয়ে আমাকে শুধু একটি সই দিতে বলেছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি সাজ্জাদ রোমান জানান, প্রধান শিক্ষক সপ্রণোদিত হয়েই মামলা করেছে। এখন মিথ্যা বলছেন।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান জানান, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
