জাতীয়
অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা কোনো অবস্থাতেই শান্তি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই বামপন্থী ছাত্রনেত্রী বলেন, এই ধরনের চুক্তি ভিন্নমত দমনের একটি কৌশল। ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যুব আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা নেহা বোরা জানান, তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ এবং এসইএম-এর নোটিশের বিরুদ্ধে করা আপিল দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করার পর তিনি বাধ্য হয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, “আমাকে কার শান্তি রক্ষা করতে বলা হচ্ছে।
ম্যাজিস্ট্রেটের শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, পরবর্তী শুনানি ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। মন্দির মার্গ থানায় আদালত চলাকালীন বাইরে একদল ডানপন্থী কর্মী সেনাবাহিনী ও পুলিশের পক্ষে স্লোগান দেন। নেহা বোরা প্রশ্ন রাখেন, সরকারের নীতির সমালোচনা করা কি শান্তির জন্য হুমকি? তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সংবিধান যেখানে ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার দিয়েছে, সেখানে শান্তিভঙ্গের অজুহাতে এ ধরনের চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া নাগরিক অধিকার বিসর্জন দেওয়ার শামিল। তিনি বলেছেন, “একদিকে, সংবিধান আমাদের ভিন্নমত প্রকাশের, আমাদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার অধিকার দিয়েছে, অন্যদিকে, শান্তিভঙ্গের নামে মানুষকে আটক করার জন্যই কেবল এই ধরনের শান্তি চুক্তির দোহাই দেওয়া হয়।”।
তিনি সম্প্রতি 'তেলাপোকা জনতা পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে আনেন, যিনি গত ১০ অক্টোবর একই ধরনের একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এসইএম-এর দেওয়া নোটিশে নেহাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তদন্ত চলাকালীন শান্তি বজায় রাখার জন্য তাকে ১০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত মুচলেকা এবং একজন জামিনদার দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে নেহা বোরা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন এবং এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তার লড়াই কোনো ব্যক্তিগত শান্তির জন্য নয়, বরং আদর্শিক অধিকার রক্ষার জন্য। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিশে নেহাকে তার সামনে হাজির হতে এবং “তদন্ত চলাকালীন শান্তি বজায় রাখার জন্য” একজন জামিনদারসহ ১০,০০০ রুপির একটি ব্যক্তিগত মুচলেকা সম্পাদন করতে বলা হয়েছে। এর আগে, সিপিআইএমএল লিবারেশনের সংসদীয় কার্যালয়ে, যার ছাত্র শাখা হলো আইসা, নেহা বলেছিলেন যে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা একটি গণতান্ত্রিক অধিকার।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা কোনো অবস্থাতেই শান্তি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই বামপন্থী ছাত্রনেত্রী বলেন, এই ধরনের চুক্তি ভিন্নমত দমনের একটি কৌশল। ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যুব আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা নেহা বোরা জানান, তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ এবং এসইএম-এর নোটিশের বিরুদ্ধে করা আপিল দিল্লি হাইকোর্ট খারিজ করার পর তিনি বাধ্য হয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, “আমাকে কার শান্তি রক্ষা করতে বলা হচ্ছে।
ম্যাজিস্ট্রেটের শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার পর তিনি জানিয়েছেন, পরবর্তী শুনানি ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। মন্দির মার্গ থানায় আদালত চলাকালীন বাইরে একদল ডানপন্থী কর্মী সেনাবাহিনী ও পুলিশের পক্ষে স্লোগান দেন। নেহা বোরা প্রশ্ন রাখেন, সরকারের নীতির সমালোচনা করা কি শান্তির জন্য হুমকি? তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সংবিধান যেখানে ভিন্নমত প্রকাশের অধিকার দিয়েছে, সেখানে শান্তিভঙ্গের অজুহাতে এ ধরনের চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া নাগরিক অধিকার বিসর্জন দেওয়ার শামিল। তিনি বলেছেন, “একদিকে, সংবিধান আমাদের ভিন্নমত প্রকাশের, আমাদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার অধিকার দিয়েছে, অন্যদিকে, শান্তিভঙ্গের নামে মানুষকে আটক করার জন্যই কেবল এই ধরনের শান্তি চুক্তির দোহাই দেওয়া হয়।”।
তিনি সম্প্রতি 'তেলাপোকা জনতা পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে আনেন, যিনি গত ১০ অক্টোবর একই ধরনের একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন। এসইএম-এর দেওয়া নোটিশে নেহাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তদন্ত চলাকালীন শান্তি বজায় রাখার জন্য তাকে ১০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত মুচলেকা এবং একজন জামিনদার দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে নেহা বোরা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন এবং এটিকে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, তার লড়াই কোনো ব্যক্তিগত শান্তির জন্য নয়, বরং আদর্শিক অধিকার রক্ষার জন্য। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিশে নেহাকে তার সামনে হাজির হতে এবং “তদন্ত চলাকালীন শান্তি বজায় রাখার জন্য” একজন জামিনদারসহ ১০,০০০ রুপির একটি ব্যক্তিগত মুচলেকা সম্পাদন করতে বলা হয়েছে। এর আগে, সিপিআইএমএল লিবারেশনের সংসদীয় কার্যালয়ে, যার ছাত্র শাখা হলো আইসা, নেহা বলেছিলেন যে, শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা একটি গণতান্ত্রিক অধিকার।
