আন্তর্জাতিক
সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদিনা অঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। শনিবার দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আকাশেই ধ্বংস করা হলেও সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ মক্কা, জেদ্দা, তায়েফ ও রাবিগ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র দেওয়া তথ্যমতে, মক্কার ওয়াদি আল-মাগমাস, জেদ্দার আল-নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগ গভর্নরেটের মাসতুরাহ সেন্টারে এসব ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পরপরই নির্ধারিত প্রোটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় হুতিরা মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ তোলার পরপরই হুতি বিদ্রোহীরা এই দায় নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর আগেও ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোর কাছাকাছি এলাকায় হামলা চালানোর বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে।
গত ১লা অক্টোবর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, এর দুই দিন আগে মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হুতিরা আক্রমণ চালায়। জোটের দাবি, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পরীক্ষা করে এই হামলার সঙ্গে হুতিদের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই হামলায় একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মদিনার মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। যদিও এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে হুতিরা বরাবরের মতোই কোনো মন্তব্য করেনি।
এছাড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে একটি হুতি ড্রোন শহরটির আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করার দাবি জানায় সৌদি জোট। তাদের ভাষ্যমতে, ২০১৭ সালের পর এটি ছিল মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় ব্যর্থ প্রচেষ্টা। একই দিনে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ মক্কাসহ ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা ও তাবুক অঞ্চলের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছিল। পবিত্র স্থানগুলোতে হামলার অভিযোগ হুতিরা বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা ও মদিনা অঞ্চল লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। শনিবার দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আকাশেই ধ্বংস করা হলেও সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ মক্কা, জেদ্দা, তায়েফ ও রাবিগ এলাকার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-র দেওয়া তথ্যমতে, মক্কার ওয়াদি আল-মাগমাস, জেদ্দার আল-নুজহা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগ গভর্নরেটের মাসতুরাহ সেন্টারে এসব ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পরপরই নির্ধারিত প্রোটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় হুতিরা মক্কা ও মদিনার মতো পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ তোলার পরপরই হুতি বিদ্রোহীরা এই দায় নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর আগেও ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোর কাছাকাছি এলাকায় হামলা চালানোর বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে।
গত ১লা অক্টোবর সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, এর দুই দিন আগে মদিনার তাইবা বিদ্যুৎ বিতরণকেন্দ্রে হুতিরা আক্রমণ চালায়। জোটের দাবি, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পরীক্ষা করে এই হামলার সঙ্গে হুতিদের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই হামলায় একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মদিনার মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। যদিও এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে হুতিরা বরাবরের মতোই কোনো মন্তব্য করেনি।
এছাড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে একটি হুতি ড্রোন শহরটির আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করার দাবি জানায় সৌদি জোট। তাদের ভাষ্যমতে, ২০১৭ সালের পর এটি ছিল মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের দ্বিতীয় ব্যর্থ প্রচেষ্টা। একই দিনে বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষ মক্কাসহ ইয়ানবু, তায়েফ, জেদ্দা ও তাবুক অঞ্চলের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছিল। পবিত্র স্থানগুলোতে হামলার অভিযোগ হুতিরা বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
