সারাদেশ
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর বাগেরহাট গ্রামে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর ৬টার দিকে উপজেলার পুকুরখুড়ির দোলা ক্যানেল এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের দায়িত্ব নেয়। পুলিশ লাশে দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভোরবেলা বাগপুর বাগেরহাট গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা নিয়ে পালানোর সময় তিনি তা টের পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে পাশের মসজিদের ইমাম বিষয়টি বুঝতে পেরে মাইকে ঘোষণা দিলে ফজরের নামাজে আসা স্থানীয় মুসল্লিরা ছুটে আসেন। স্থানীয়দের ধাওয়ায় অটোরিকশাটি ফেলে চোরেরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের পিছু নেওয়া হয়। পরে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিসহ স্থানীয় লোকজন অটোরিকশাসহ দুই ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন।
সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর পানাপুকুর এলাকার পুকুরখুড়ির দোলা ক্যানেলের কাছে পৌঁছালে স্থানীয়রা ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর জানিয়েছেন, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং ঘটনার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে সিআইডি ও পিবিআই-এর ক্রাইম সিন টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর বাগেরহাট গ্রামে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর ৬টার দিকে উপজেলার পুকুরখুড়ির দোলা ক্যানেল এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের দায়িত্ব নেয়। পুলিশ লাশে দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ভোরবেলা বাগপুর বাগেরহাট গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা নিয়ে পালানোর সময় তিনি তা টের পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে পাশের মসজিদের ইমাম বিষয়টি বুঝতে পেরে মাইকে ঘোষণা দিলে ফজরের নামাজে আসা স্থানীয় মুসল্লিরা ছুটে আসেন। স্থানীয়দের ধাওয়ায় অটোরিকশাটি ফেলে চোরেরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের পিছু নেওয়া হয়। পরে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিসহ স্থানীয় লোকজন অটোরিকশাসহ দুই ব্যক্তিকে ধাওয়া করেন।
সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর পানাপুকুর এলাকার পুকুরখুড়ির দোলা ক্যানেলের কাছে পৌঁছালে স্থানীয়রা ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করেন। উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর জানিয়েছেন, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং ঘটনার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে সিআইডি ও পিবিআই-এর ক্রাইম সিন টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
