ক্যাম্পাস
বিশ্ব ডাক দিবস ও ডাক সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আয়োজিত হয়েছে চিঠি উৎসব ও স্ট্যাম্প বিক্রয় কার্যক্রম কর্মসূচি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকঘর চত্বরে এ অনুষ্ঠান উদ্যাপিত হয়। এ সময় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগের (পূর্বাঞ্চল সার্কেল) পোস্টমাস্টার জেনারেল শেখ সাইফুল আলম।
বিভাগীয় পোস্টমাস্টার সাইফুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. কামরুল হোসেন ও ডাক বিভাগ পূর্বাঞ্চল সার্কেলের অতিরিক্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকঘরের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ছোটোবেলায় চিঠি লেখা, পত্রমিতালি করা এবং ডাকটিকিট সংগ্রহের প্রতিও আমার বিশেষ আগ্রহ ছিল। প্রযুক্তির বিকাশে চিঠির জায়গা এখন অনেকটাই ই-মেইল ও খুদে বার্তা দখল করেছে। তবে চিঠির মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশের যে গভীরতা, আন্তরিকতা ও আবেগ ছিল, তা সহজে অন্য কোনো মাধ্যমে পাওয়া যায় না।’
চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডাক বিভাগের গুরুত্ব এখনো অপরিসীম। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সরকারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন দাপ্তরিক চিঠিপত্র, নথি ও পারসেল আদান-প্রদানে ডাক বিভাগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই সময়ের পরিবর্তনে ডাক বিভাগের গুরুত্ব কমে যায়নি; বরং নতুন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এর সেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
দিনব্যাপী আয়োজিত চিঠি উৎসবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাব-পোস্টমাস্টার মো. নুর উদ্দিন, আমন্ত্রিত অতিথি, ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ চবি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
বিশ্ব ডাক দিবস ও ডাক সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আয়োজিত হয়েছে চিঠি উৎসব ও স্ট্যাম্প বিক্রয় কার্যক্রম কর্মসূচি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকঘর চত্বরে এ অনুষ্ঠান উদ্যাপিত হয়। এ সময় অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগের (পূর্বাঞ্চল সার্কেল) পোস্টমাস্টার জেনারেল শেখ সাইফুল আলম।
বিভাগীয় পোস্টমাস্টার সাইফুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. কামরুল হোসেন ও ডাক বিভাগ পূর্বাঞ্চল সার্কেলের অতিরিক্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
চবি উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকঘরের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ছোটোবেলায় চিঠি লেখা, পত্রমিতালি করা এবং ডাকটিকিট সংগ্রহের প্রতিও আমার বিশেষ আগ্রহ ছিল। প্রযুক্তির বিকাশে চিঠির জায়গা এখন অনেকটাই ই-মেইল ও খুদে বার্তা দখল করেছে। তবে চিঠির মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশের যে গভীরতা, আন্তরিকতা ও আবেগ ছিল, তা সহজে অন্য কোনো মাধ্যমে পাওয়া যায় না।’
চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডাক বিভাগের গুরুত্ব এখনো অপরিসীম। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি সরকারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন দাপ্তরিক চিঠিপত্র, নথি ও পারসেল আদান-প্রদানে ডাক বিভাগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাই সময়ের পরিবর্তনে ডাক বিভাগের গুরুত্ব কমে যায়নি; বরং নতুন চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এর সেবার পরিধি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।’
দিনব্যাপী আয়োজিত চিঠি উৎসবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাব-পোস্টমাস্টার মো. নুর উদ্দিন, আমন্ত্রিত অতিথি, ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ চবি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
