আন্তর্জাতিক
ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে ভরাডুবির পর নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। দলটির অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আরব দলগুলো স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে নিজেদের ভোট বাড়িয়েছে। এই অনিয়মের কারণে নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বলে দাবি তাদের। লিকুদ জানিয়েছে, আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে তারা জেরুজালেম জেলা আদালতে এ নিয়ে আপিল করবে। আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভোটার ট্র্যাকিংয়ের অভিযোগ এনে নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
তবে লিকুদের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করেছে স্বাধীন পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘সিভিলিয়ান ইলেকশন গার্ড’। তাদের তথ্যমতে, বিতর্কিত এই নিষিদ্ধ অ্যাপের সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী লিকুদ পার্টির কর্মীরাই, যাদের ব্যবহারের হার প্রায় ৩২ শতাংশ। এছাড়া জালিয়াতির অভিযোগে শুরু হওয়া দুটি বড় তদন্তও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে।
নির্বাচন কমিশন লিকুদের এসব অভিযোগ আমলে নেয়নি এবং ফলাফল চূড়ান্ত করে প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগের কাছে জমা দিয়েছে। বর্তমানে পার্লামেন্টে বিরোধী দল ‘য়াশার’-এর নেতা গাদি আইজেনকোটের পেছনে ৬৭ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন রয়েছে। বিপরীতে নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন রয়েছে মাত্র ৪৬ জনের। এমতাবস্থায় প্রেসিডেন্ট আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচনে ভরাডুবির পর নতুন কৌশলে মাঠে নেমেছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। দলটির অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আরব দলগুলো স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে ভোটারদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে নিজেদের ভোট বাড়িয়েছে। এই অনিয়মের কারণে নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে বলে দাবি তাদের। লিকুদ জানিয়েছে, আগামী ১৭ নভেম্বরের মধ্যে তারা জেরুজালেম জেলা আদালতে এ নিয়ে আপিল করবে। আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভোটার ট্র্যাকিংয়ের অভিযোগ এনে নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
তবে লিকুদের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করেছে স্বাধীন পর্যবেক্ষক সংস্থা ‘সিভিলিয়ান ইলেকশন গার্ড’। তাদের তথ্যমতে, বিতর্কিত এই নিষিদ্ধ অ্যাপের সবচেয়ে বড় ব্যবহারকারী লিকুদ পার্টির কর্মীরাই, যাদের ব্যবহারের হার প্রায় ৩২ শতাংশ। এছাড়া জালিয়াতির অভিযোগে শুরু হওয়া দুটি বড় তদন্তও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে।
নির্বাচন কমিশন লিকুদের এসব অভিযোগ আমলে নেয়নি এবং ফলাফল চূড়ান্ত করে প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগের কাছে জমা দিয়েছে। বর্তমানে পার্লামেন্টে বিরোধী দল ‘য়াশার’-এর নেতা গাদি আইজেনকোটের পেছনে ৬৭ জন সংসদ সদস্যের সমর্থন রয়েছে। বিপরীতে নেতানিয়াহুর পক্ষে সমর্থন রয়েছে মাত্র ৪৬ জনের। এমতাবস্থায় প্রেসিডেন্ট আইজেনকোটকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
