জাতীয়জাতীয়

ডিএমপি: জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পরিকল্পিত বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। জড়িতদের শনাক্তে জোরদার করা হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহণে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো সুপরিকল্পিত বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

তিনি জানান, প্রতিটি নাশকতার ঘটনা পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিবিড়ভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যরাও রয়েছেন। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ধ্বংসাত্মক কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের তৎপরতা সম্পর্কে মো. আকতার হোসেন বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বর্তমানে অপারেশনাল কার্যক্রম ও বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। জনগণের আতঙ্ক দূর করতে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটি চলমান রয়েছে। কোনো নাশকতার পরিকল্পনা বা বাস্তবায়নের চেষ্টা যাতে সফল হতে না পারে, সেজন্য সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর আগেও বিস্ফোরকসহ অপরাধীদের আটক করেছে। নাশকতার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়টিও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নাশকতা প্রতিরোধে ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে ডিএমপির বিশেষ নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

Public Voice

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬


ডিএমপি: জনমনে আতঙ্ক ছড়াতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহণে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো সুপরিকল্পিত বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

তিনি জানান, প্রতিটি নাশকতার ঘটনা পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং নিবিড়ভাবে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যরাও রয়েছেন। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ধ্বংসাত্মক কাজগুলো চালিয়ে যাচ্ছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের তৎপরতা সম্পর্কে মো. আকতার হোসেন বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বর্তমানে অপারেশনাল কার্যক্রম ও বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। জনগণের আতঙ্ক দূর করতে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটি চলমান রয়েছে। কোনো নাশকতার পরিকল্পনা বা বাস্তবায়নের চেষ্টা যাতে সফল হতে না পারে, সেজন্য সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর আগেও বিস্ফোরকসহ অপরাধীদের আটক করেছে। নাশকতার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়টিও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নাশকতা প্রতিরোধে ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে ডিএমপির বিশেষ নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত