অপরাধ
অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মো. আলমাছের পরিবর্তে গ্রেপ্তার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে থাকা মো. আলমাসকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ প্রদান করেন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন হানিফ।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে দাখিল করা বিচারিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়, মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় প্রকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আলমাছ বিচারপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই পলাতক এবং বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে যে, কারাগারে থাকা মো. আলমাস প্রকৃত আসামি নন। প্রকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আলমাছ ঢাকার দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধোয়াইর গ্রামের মো. খলিলুর রহমানের ছেলে। মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় তার ১০ বছরের সাজা হয়। কিন্তু নাম ও পিতার ঠিকানায় কিছুটা মিল থাকায় নিরপরাধ আলমাসকে ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে ভুলবশত গ্রেপ্তার করে দীর্ঘ এক বছর কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছিল। কারাবন্দি মো. আলমাস ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটির বাসিন্দা শেখ খলিলের ছেলে। এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেছিলেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মো. আলমাছের পরিবর্তে গ্রেপ্তার হয়ে এক বছর ধরে কারাগারে থাকা মো. আলমাসকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ প্রদান করেন। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মহিউদ্দিন হানিফ।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে দাখিল করা বিচারিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়, মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় প্রকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আলমাছ বিচারপ্রক্রিয়ার শুরু থেকেই পলাতক এবং বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে যে, কারাগারে থাকা মো. আলমাস প্রকৃত আসামি নন। প্রকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আলমাছ ঢাকার দোহারের নয়াবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধোয়াইর গ্রামের মো. খলিলুর রহমানের ছেলে। মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় তার ১০ বছরের সাজা হয়। কিন্তু নাম ও পিতার ঠিকানায় কিছুটা মিল থাকায় নিরপরাধ আলমাসকে ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে ভুলবশত গ্রেপ্তার করে দীর্ঘ এক বছর কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছিল। কারাবন্দি মো. আলমাস ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটির বাসিন্দা শেখ খলিলের ছেলে। এ ঘটনায় আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি হাইকোর্টে রিট করেছিলেন।
