আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে জাহাজ চলাচল ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। হরমুজ প্রণালির সন্নিকটে দুটি তেলের ট্যাংকারে মাইন বিস্ফোরণের ফলে আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির দাবি, ট্যাংকার দুটি তাদের নেভিগেশন ও পজিশনিং সিস্টেম বন্ধ রেখে অননুমোদিত রুট দিয়ে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, কেশম, জাস্ক, সিরিক ও বন্দর আব্বাসের মতো এলাকায় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। তবে ইরান কিংবা যুক্তরাষ্ট্র—কোনো পক্ষই সরাসরি এই হামলাগুলোর দায় স্বীকার করেনি। বর্তমানে অঞ্চলটিতে উভয় দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে ওমান উপসাগরে একটি কার্গো জাহাজে আগুন লাগার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। আরব আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, তারা জাহাজের ক্রুদের কাছ থেকে জরুরি সংকেত পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে তাদের বিশেষ দল পাঠায়। এই অভিযানে আরব বংশোদ্ভূত ২২ জন ক্রুকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা এখন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আছেন। তবে আমিরাতের ওই বিবৃতিতে কার্গো জাহাজে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনার জেরে জাহাজ চলাচল ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। হরমুজ প্রণালির সন্নিকটে দুটি তেলের ট্যাংকারে মাইন বিস্ফোরণের ফলে আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি)। সংস্থাটির দাবি, ট্যাংকার দুটি তাদের নেভিগেশন ও পজিশনিং সিস্টেম বন্ধ রেখে অননুমোদিত রুট দিয়ে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হয়। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, কেশম, জাস্ক, সিরিক ও বন্দর আব্বাসের মতো এলাকায় বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে। তবে ইরান কিংবা যুক্তরাষ্ট্র—কোনো পক্ষই সরাসরি এই হামলাগুলোর দায় স্বীকার করেনি। বর্তমানে অঞ্চলটিতে উভয় দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে ওমান উপসাগরে একটি কার্গো জাহাজে আগুন লাগার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। আরব আমিরাতের ন্যাশনাল গার্ড এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, তারা জাহাজের ক্রুদের কাছ থেকে জরুরি সংকেত পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে তাদের বিশেষ দল পাঠায়। এই অভিযানে আরব বংশোদ্ভূত ২২ জন ক্রুকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা এখন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আছেন। তবে আমিরাতের ওই বিবৃতিতে কার্গো জাহাজে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
