আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলের পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকটকে মনোনীত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় এই ঘোষণা আসার পর, রোববার বিকেলে জেরুজালেমে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। নির্বাচনে গাদি আইজেনকটের পক্ষে নেসেটের মোট ৬৭ জন সদস্য সমর্থন ও সুপারিশ করেছেন। নিয়মানুযায়ী, সরকার গঠনের লক্ষ্যে তিনি ২৮ দিন সময় পাবেন। তবে নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে যদি তিনি সরকার গঠনে ব্যর্থ হন, তবে প্রেসিডেন্টের কাছে আরও ১৪ দিন অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এদিকে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তিনি তার রাজনৈতিক জোটের শরিকদের বাদ দিতে রাজি নন। তার শর্তানুসারে, সরকারে জাতীয় শিবিরের সব দল এবং ইহুদি রাষ্ট্রের সমর্থক জায়নবাদী দলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নেতানিয়াহুর এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে আইজেনকটের দল জানিয়েছে, তাদের সরকার গঠনে অংশ নিতে হলে নেতানিয়াহুকে তার জোটের উগ্রপন্থি দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। এছাড়া, আইজেনকটের ঘোষিত চারটি নির্দিষ্ট নীতিমালা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। নেতানিয়াহুর এই প্রস্তাবকে তারা ‘হিস্টিরিয়াগ্রস্ত ভাষণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দলটি নেতানিয়াহুর বক্তব্যকে ‘হিস্টিরিয়াগ্রস্ত ভাষণ’ বলেও আখ্যা দিয়েছে।
নেতানিয়াহু পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন যে, আইজেনকট আরব দলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছেন।
তার দাবি, হামাস-সমর্থক ও কট্টর ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকার ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম নয়। এই অভিযোগের জবাবে ইয়াশার পার্টি জানিয়েছে, ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক থেকেই নেতানিয়াহু ঐক্যের কথা বলছেন। তাদের অভিযোগ, অতীতে যখনই নেতানিয়াহু ঐক্যের সরকার গঠন করেছেন, ভেতর থেকে তা দুর্বল করার চেষ্টা করেছেন। ৭ অক্টোবরের হামলার পর গঠিত সরকারেও তিনি ইতামার বেন-গভিরের মতো উগ্রপন্থি নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। দলটির দাবি, ইসরায়েলের জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি হলেও নেতানিয়াহু ধারাবাহিকভাবে বিভাজন ও উসকানির রাজনীতি করে আসছেন। জবাবে ইয়াশার পার্টি জানায়, ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে বুঝতে পেরেই নেতানিয়াহু এখন ঐক্যের কথা বলছেন।

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইসরায়েলের পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য ইয়াশার পার্টির নেতা গাদি আইজেনকটকে মনোনীত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় এই ঘোষণা আসার পর, রোববার বিকেলে জেরুজালেমে প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। নির্বাচনে গাদি আইজেনকটের পক্ষে নেসেটের মোট ৬৭ জন সদস্য সমর্থন ও সুপারিশ করেছেন। নিয়মানুযায়ী, সরকার গঠনের লক্ষ্যে তিনি ২৮ দিন সময় পাবেন। তবে নির্ধারিত এই সময়ের মধ্যে যদি তিনি সরকার গঠনে ব্যর্থ হন, তবে প্রেসিডেন্টের কাছে আরও ১৪ দিন অতিরিক্ত সময়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এদিকে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বর্তমানে বিরোধী দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের একটি প্রস্তাব দিয়েছেন। তবে তিনি তার রাজনৈতিক জোটের শরিকদের বাদ দিতে রাজি নন। তার শর্তানুসারে, সরকারে জাতীয় শিবিরের সব দল এবং ইহুদি রাষ্ট্রের সমর্থক জায়নবাদী দলগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নেতানিয়াহুর এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে আইজেনকটের দল জানিয়েছে, তাদের সরকার গঠনে অংশ নিতে হলে নেতানিয়াহুকে তার জোটের উগ্রপন্থি দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। এছাড়া, আইজেনকটের ঘোষিত চারটি নির্দিষ্ট নীতিমালা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিতে হবে। নেতানিয়াহুর এই প্রস্তাবকে তারা ‘হিস্টিরিয়াগ্রস্ত ভাষণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দলটি নেতানিয়াহুর বক্তব্যকে ‘হিস্টিরিয়াগ্রস্ত ভাষণ’ বলেও আখ্যা দিয়েছে।
নেতানিয়াহু পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন যে, আইজেনকট আরব দলগুলোর সমর্থনে সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছেন।
তার দাবি, হামাস-সমর্থক ও কট্টর ইসলামপন্থিদের ওপর নির্ভরশীল কোনো সরকার ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম নয়। এই অভিযোগের জবাবে ইয়াশার পার্টি জানিয়েছে, ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক থেকেই নেতানিয়াহু ঐক্যের কথা বলছেন। তাদের অভিযোগ, অতীতে যখনই নেতানিয়াহু ঐক্যের সরকার গঠন করেছেন, ভেতর থেকে তা দুর্বল করার চেষ্টা করেছেন। ৭ অক্টোবরের হামলার পর গঠিত সরকারেও তিনি ইতামার বেন-গভিরের মতো উগ্রপন্থি নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। দলটির দাবি, ইসরায়েলের জন্য জাতীয় ঐক্য জরুরি হলেও নেতানিয়াহু ধারাবাহিকভাবে বিভাজন ও উসকানির রাজনীতি করে আসছেন। জবাবে ইয়াশার পার্টি জানায়, ক্ষমতায় থাকার দিন শেষ হয়ে আসছে বুঝতে পেরেই নেতানিয়াহু এখন ঐক্যের কথা বলছেন।
