অপরাধ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চাঞ্চল্যকর মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অভিযুক্ত ২৪ জনের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত আসামিরা কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মানিকগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় ২৪ আসামির মধ্যে চার ভাইসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন সিংগাইরের গোবিন্দল গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে মো. জিয়ার উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, জসিম এবং আলী মিয়ার ছেলে সিদ্দিক মিয়া। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জহির উদ্দিন, আজিজুল, উজ্জ্বল, সামছুল হক, সালাউদ্দিন, মাজেদ মিয়া, মো. মরণ ও স্বপন। তাদের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আইন অনুযায়ী অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আসামি শামীম ও হাবু মিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। পাশাপাশি মজনু মিয়াকে এক বছর, রাজিয়া খাতুন ও সুফিয়া খাতুনকে ছয় মাস এবং সাহেরা খাতুন ও খাতুনি বেগমকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় উজ্জ্বল মিয়া, অলি আহাদ, শুকুর জোলা ও রাজা জোলা নামের চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে আসামি মজনু মিয়াকে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, আসামি রাজিয়া খাতুন, সুফিয়া খাতুনকে ৬ মাস এবং আসামি সাহেরা খাতুন ও খাতুনি বেগমকে তিন মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আ. ফ. ম. নূরতাজ আলম বাহার জানান, ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি গোবিন্দল এলাকায় আজিজ মোল্লা, টেন্ডুল মোল্লা ও করিম মোল্লাকে হত্যা করা হয়। নিহত আজিজ মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে উপপুলিশ পরিদর্শক আমিনুর রহমান তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলে আসা এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সরকারি কৌঁসুলি সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান ও মেজবাউদ্দিন জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনজনকে হত্যার ঘটনায় দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে চাঞ্চল্যকর মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অভিযুক্ত ২৪ জনের মধ্যে পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত আসামিরা কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মানিকগঞ্জে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় ২৪ আসামির মধ্যে চার ভাইসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন সিংগাইরের গোবিন্দল গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে মো. জিয়ার উদ্দিন, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুর রশিদ, জসিম এবং আলী মিয়ার ছেলে সিদ্দিক মিয়া। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জহির উদ্দিন, আজিজুল, উজ্জ্বল, সামছুল হক, সালাউদ্দিন, মাজেদ মিয়া, মো. মরণ ও স্বপন। তাদের ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আইন অনুযায়ী অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আসামি শামীম ও হাবু মিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে তাদের আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে। পাশাপাশি মজনু মিয়াকে এক বছর, রাজিয়া খাতুন ও সুফিয়া খাতুনকে ছয় মাস এবং সাহেরা খাতুন ও খাতুনি বেগমকে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় উজ্জ্বল মিয়া, অলি আহাদ, শুকুর জোলা ও রাজা জোলা নামের চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে আসামি মজনু মিয়াকে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, আসামি রাজিয়া খাতুন, সুফিয়া খাতুনকে ৬ মাস এবং আসামি সাহেরা খাতুন ও খাতুনি বেগমকে তিন মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আ. ফ. ম. নূরতাজ আলম বাহার জানান, ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি গোবিন্দল এলাকায় আজিজ মোল্লা, টেন্ডুল মোল্লা ও করিম মোল্লাকে হত্যা করা হয়। নিহত আজিজ মোল্লার স্ত্রী ফরিদা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে উপপুলিশ পরিদর্শক আমিনুর রহমান তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলে আসা এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সরকারি কৌঁসুলি সন্তোষ প্রকাশ করলেও আসামি পক্ষের আইনজীবী খলিলুর রহমান ও মেজবাউদ্দিন জানান, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
