আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক

মোদি সরকারের |: ককরোচদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি যোগসূত্রের

ভারতে অস্থিরতা ছড়াতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বিদেশি সংস্থা থেকে অবৈধ অর্থ নিচ্ছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের। বিষয়টি নিয়ে চলছে দিল্লি পুলিশের তদন্ত।

Publicvoice24
Publicvoice24
|
শেয়ার করুন
অ+ অ-

ভারতে অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্যে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বিদেশি উৎস থেকে অবৈধ অর্থ সংগ্রহ করছে বলে জোরালো অভিযোগ তুলেছে মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের ভাষ্যমতে, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতাদের কাছ থেকে এবং কৌশলবিদ আশুতোষ রাঙ্কা পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ভারতবিরোধী এনজিও এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে এই অননুমোদিত অর্থ পাওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে।

বিজেপি মুখপাত্র তুহিন এ সিনহা আরও অভিযোগ করেছেন যে, দিল্লিতে উৎসবের মৌসুমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও বিচার বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে সিজেপি ও কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষকে তলব করেছে। অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ, নিষেধাজ্ঞা অমান্য এবং অন্য দলের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্ত করছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর শান্তিভঙ্গ না করার মুচলেকা দিয়ে ৫০ হাজার রুপির বন্ডে জামিন পেয়েছিলেন সৌরভ ও আশুতোষ।

তবে এসব বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে বিরোধী দলগুলো। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ তারা কেন জনসমক্ষে হাজির করতে পারছে না? একইসঙ্গে তিনি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা আইবি এবং র-এর ভূমিকা নিয়েও তীব্র সংশয় প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাড়গে কংগ্রেস, বিজেপি এবং আরএসএসের অর্থায়ন নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্কের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে এই বিতর্কে মধ্যস্থতা করার জন্য আহ্বান জানানো প্রয়োজন।

Public Voice

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


মোদি সরকারের |: ককরোচদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি যোগসূত্রের

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ভারতে অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্যে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) বিদেশি উৎস থেকে অবৈধ অর্থ সংগ্রহ করছে বলে জোরালো অভিযোগ তুলেছে মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের ভাষ্যমতে, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দাতাদের কাছ থেকে এবং কৌশলবিদ আশুতোষ রাঙ্কা পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। তিনি দাবি করেন, ভারতবিরোধী এনজিও এবং অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে এই অননুমোদিত অর্থ পাওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে।

বিজেপি মুখপাত্র তুহিন এ সিনহা আরও অভিযোগ করেছেন যে, দিল্লিতে উৎসবের মৌসুমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও বিচার বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে সিজেপি ও কংগ্রেস পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও আশুতোষকে তলব করেছে। অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ, নিষেধাজ্ঞা অমান্য এবং অন্য দলের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশের মতো গুরুতর অভিযোগের তদন্ত করছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর শান্তিভঙ্গ না করার মুচলেকা দিয়ে ৫০ হাজার রুপির বন্ডে জামিন পেয়েছিলেন সৌরভ ও আশুতোষ।

তবে এসব বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে বিরোধী দলগুলো। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেছেন, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ তারা কেন জনসমক্ষে হাজির করতে পারছে না? একইসঙ্গে তিনি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা আইবি এবং র-এর ভূমিকা নিয়েও তীব্র সংশয় প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাড়গে কংগ্রেস, বিজেপি এবং আরএসএসের অর্থায়ন নিয়ে প্রকাশ্য বিতর্কের প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতকে এই বিতর্কে মধ্যস্থতা করার জন্য আহ্বান জানানো প্রয়োজন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত