জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
বাগেরহাটের মোংলায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি)-এর মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সিআরসিসি চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বাধীন চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীন সম্মিলিতভাবে কাজ করলে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্প বিস্তারে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব।
এ সময় মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগে সহায়তার জন্য তিনি চীনা প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। দেশের উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগকারীদের অবদান ও আগ্রহের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী এই দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও আনন্দের দিন হিসেবে অভিহিত করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই পর্যাপ্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।
বাগেরহাটের মোংলায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি)-এর মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সিআরসিসি চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বাধীন চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেন এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীন সম্মিলিতভাবে কাজ করলে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে। মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্প বিস্তারে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব।
এ সময় মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগে সহায়তার জন্য তিনি চীনা প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান। দেশের উন্নয়নে চীনা বিনিয়োগকারীদের অবদান ও আগ্রহের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী এই দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও আনন্দের দিন হিসেবে অভিহিত করেন।
