বরিশাল
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে জড়িয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে উজিরপুর উপজেলা বিএনপি সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খানের বাসভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদের কড়া নিন্দা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টোবর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাছাই ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কনভেনারদের ভোটদান প্রক্রিয়া চলছিল। এ সময় শোলক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ কুন্ড ও তার অনুসারীরা ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে অনৈতিকভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতির অবনতি হয়। দলের দাবি, ওই সময় এমপি সান্টু বা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিষয়টি তাদের অবগত ছিল না।
পলাশ কুন্ড বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন বলে উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ জানান, ৫ আগস্টের আগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের বিরোধিতার মুখে তাকে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। এর পেছনে থাকা তৃণমূলের অভিযোগপত্র ইতিমধ্যে দলের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়। এছাড়া পলাশ কুন্ড ও তার অনুসারীরা এলাকায় সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ঘটনার সময় এমপি সান্টু বা উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের বক্তব্য নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি গণমাধ্যমগুলো। একতরফাভাবে তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রচার সাংবাদিকতার নীতিবিরোধী এবং এর ফলে রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ঘটনার সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
সবশেষে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশিত তথ্যের পুনঃযাচাই এবং জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ ব্যাখ্যা ও সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে দলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খান লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে জড়িয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে উজিরপুর উপজেলা বিএনপি সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খানের বাসভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত সংবাদের কড়া নিন্দা জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ৩০ অক্টোবর উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বাছাই ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কনভেনারদের ভোটদান প্রক্রিয়া চলছিল। এ সময় শোলক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ কুন্ড ও তার অনুসারীরা ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে অনৈতিকভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতির অবনতি হয়। দলের দাবি, ওই সময় এমপি সান্টু বা জ্যেষ্ঠ কোনো নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং বিষয়টি তাদের অবগত ছিল না।
পলাশ কুন্ড বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন বলে উল্লেখ করে নেতৃবৃন্দ জানান, ৫ আগস্টের আগে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের বিরোধিতার মুখে তাকে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। এর পেছনে থাকা তৃণমূলের অভিযোগপত্র ইতিমধ্যে দলের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়। এছাড়া পলাশ কুন্ড ও তার অনুসারীরা এলাকায় সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদমাধ্যমগুলোর সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ বলেন, ঘটনার সময় এমপি সান্টু বা উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের বক্তব্য নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি গণমাধ্যমগুলো। একতরফাভাবে তথ্য যাচাই না করে সংবাদ প্রচার সাংবাদিকতার নীতিবিরোধী এবং এর ফলে রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ঘটনার সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের মতামত গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
সবশেষে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশিত তথ্যের পুনঃযাচাই এবং জরুরি ভিত্তিতে যথাযথ ব্যাখ্যা ও সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে দলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি এস এম আলাউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খান লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
