রাজশাহী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে আটটি নতুন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করে তোলা, নতুন লেখকদের উৎসাহিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাবলির দলিল সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই এই প্রকাশনাগুলোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি রাকসু সাহিত্যপত্র, একটি বিশেষ প্রবন্ধ স্মারক, রাকসু পাণ্ডুলিপি পুরস্কারজয়ী তিনটি বই এবং একটি হলভিত্তিক প্রকাশনা।
দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ও বিতর্ক অঙ্গনে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিতার্কিকদের পৃষ্ঠপোষকতা, জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক উৎসব ও প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং পাঠচক্রের নিয়মিত আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া আবাসিক হলগুলোতে ম্যাগাজিন প্রকাশে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে বিভাগটি জানিয়েছে।
প্রকাশিত আটটি গ্রন্থের তালিকা বেশ বৈচিত্র্যময়। রাকসু সাহিত্যপত্রের অধীনে ‘বিপ্লবী হাদি সংখ্যা’, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিষয়ক গল্পসংখ্যা’ ও ‘স্মৃতিচারণ সংখ্যা’ নামে তিনটি বিশেষ সংখ্যা বের হয়েছে। নজরুলের বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘জাগরণ’ শিরোনামের একটি বিশেষ প্রবন্ধ স্মারকও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া রাকসু পাণ্ডুলিপি পুরস্কারের অধীনে ‘যে রক্ত আগুন জ্বালিয়েছে’, ‘বিদ্রোহী রোদে ভেজা ঘাস’ এবং ‘পুলু মামা দ্য গ্রেট’ নামের তিনটি বই প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল থেকে প্রকাশিত হয়েছে হলভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘সোহরাওয়ার্দী দর্পণ’।
এ বিষয়ে রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক ইমরান লস্কর জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্র-জনতার এক অনন্য বিপ্লবী অধ্যায়। এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ও জাতিতে যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা সাহিত্যকর্মে ফুটিয়ে তোলা এবং জাতীয় ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকাশনাগুলো ইতিহাস চর্চায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে আটটি নতুন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাহিত্যচর্চায় আগ্রহী করে তোলা, নতুন লেখকদের উৎসাহিত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনাবলির দলিল সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই এই প্রকাশনাগুলোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে তিনটি রাকসু সাহিত্যপত্র, একটি বিশেষ প্রবন্ধ স্মারক, রাকসু পাণ্ডুলিপি পুরস্কারজয়ী তিনটি বই এবং একটি হলভিত্তিক প্রকাশনা।
দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ও বিতর্ক অঙ্গনে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিতার্কিকদের পৃষ্ঠপোষকতা, জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক উৎসব ও প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং পাঠচক্রের নিয়মিত আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া আবাসিক হলগুলোতে ম্যাগাজিন প্রকাশে আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে বিভাগটি জানিয়েছে।
প্রকাশিত আটটি গ্রন্থের তালিকা বেশ বৈচিত্র্যময়। রাকসু সাহিত্যপত্রের অধীনে ‘বিপ্লবী হাদি সংখ্যা’, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিষয়ক গল্পসংখ্যা’ ও ‘স্মৃতিচারণ সংখ্যা’ নামে তিনটি বিশেষ সংখ্যা বের হয়েছে। নজরুলের বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘জাগরণ’ শিরোনামের একটি বিশেষ প্রবন্ধ স্মারকও প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া রাকসু পাণ্ডুলিপি পুরস্কারের অধীনে ‘যে রক্ত আগুন জ্বালিয়েছে’, ‘বিদ্রোহী রোদে ভেজা ঘাস’ এবং ‘পুলু মামা দ্য গ্রেট’ নামের তিনটি বই প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল থেকে প্রকাশিত হয়েছে হলভিত্তিক ম্যাগাজিন ‘সোহরাওয়ার্দী দর্পণ’।
এ বিষয়ে রাকসুর বিতর্ক ও সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদক ইমরান লস্কর জানান, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্র-জনতার এক অনন্য বিপ্লবী অধ্যায়। এই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ ও জাতিতে যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা সাহিত্যকর্মে ফুটিয়ে তোলা এবং জাতীয় ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকাশনাগুলো ইতিহাস চর্চায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলা সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
