ফলাফলফলাফল

ছাতিয়ানতলায় এইচএসসি ফল বিপর্যয়!

অবকাঠামোর উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন, ছাতিয়ানতলা গার্লস স্কুল এন্ড ইউনাইটেড কলেজে পাসের হার ৫০ শতাংশ

ছাতিয়ানতলায় এইচএসসি ফল বিপর্যয়!
ছাতিয়ানতলায় এইচএসসি ফল বিপর্যয়!

যশোরের ছাতিয়ানতলা গার্লস স্কুল এন্ড ইউনাইটেড কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৭২ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে বাকি ৭২ জন। পাসের হার মাত্র ৫০ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বছরের পর বছর প্রত্যাশিত ফলাফল না আসার পেছনে দায় কার, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ৫ জন। এ অবস্থায় বিজ্ঞান বিভাগের পাঠদানের মান, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা, নিয়মিত ক্লাস এবং শিক্ষার্থীদের যথাযথ তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সন্তান নিয়মিত ক্লাস করছে কি না, পড়াশোনায় কতটা মনোযোগী এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, ক্লাসে উপস্থিতি এবং সময়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না করলে ভালো ফলাফল আশা করা কঠিন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন ফলাফলের কারণ অনুসন্ধানে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ—সবার ভূমিকা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফলাফলের কারণ অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। যাতে আগামী বছরগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারে।

এখন প্রশ্ন—এই ফলাফলের দায় নেবে কে? আর শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ কবে?

Public Voice

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


ছাতিয়ানতলায় এইচএসসি ফল বিপর্যয়!

প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

যশোরের ছাতিয়ানতলা গার্লস স্কুল এন্ড ইউনাইটেড কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাস করেছে ৭২ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে বাকি ৭২ জন। পাসের হার মাত্র ৫০ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানের এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বছরের পর বছর প্রত্যাশিত ফলাফল না আসার পেছনে দায় কার, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছে মাত্র ৫ জন। এ অবস্থায় বিজ্ঞান বিভাগের পাঠদানের মান, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা, নিয়মিত ক্লাস এবং শিক্ষার্থীদের যথাযথ তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি অভিভাবকদের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সন্তান নিয়মিত ক্লাস করছে কি না, পড়াশোনায় কতটা মনোযোগী এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন।

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, ক্লাসে উপস্থিতি এবং সময়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না করলে ভালো ফলাফল আশা করা কঠিন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন ফলাফলের কারণ অনুসন্ধানে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ—সবার ভূমিকা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ফলাফলের কারণ অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। যাতে আগামী বছরগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারে।

এখন প্রশ্ন—এই ফলাফলের দায় নেবে কে? আর শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ কবে?


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত