বাছাইকৃত
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার বেহেত্তরী এলাকার পুরোনো মসজিদসংলগ্ন জুয়েল মিয়ার দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আহত রাকিব আঠারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় রাকিবের মামা আতিকুর রহমান (৩৯) বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বেহেত্তরী গ্রামের পুরোনো মসজিদসংলগ্ন জুয়েল মিয়ার দোকানের সামনে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা রাকিবের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথা, হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।
রাকিবের পরিবারের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে চলে যান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে আহত রাকিবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন ইয়াকুব মিয়া (৩০) ও রমজান মিয়া (২৭)। তাঁরা এজাহারে যথাক্রমে ৭ ও ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত।
এদিকে, রাকিবের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল। সংগঠনটির আহ্বায়ক ফরহাদ আহম্মেদ এক বিবৃতিতে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার বেহেত্তরী এলাকার পুরোনো মসজিদসংলগ্ন জুয়েল মিয়ার দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আহত রাকিব আঠারবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় রাকিবের মামা আতিকুর রহমান (৩৯) বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। মামলায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বেহেত্তরী গ্রামের পুরোনো মসজিদসংলগ্ন জুয়েল মিয়ার দোকানের সামনে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা রাকিবের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তাঁর মাথা, হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।
রাকিবের পরিবারের দাবি, পূর্ববিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা সেখান থেকে চলে যান বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে আহত রাকিবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন ইয়াকুব মিয়া (৩০) ও রমজান মিয়া (২৭)। তাঁরা এজাহারে যথাক্রমে ৭ ও ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখিত।
এদিকে, রাকিবের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল। সংগঠনটির আহ্বায়ক ফরহাদ আহম্মেদ এক বিবৃতিতে ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
