অপরাধ
কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রমে গড়ে ওঠা সম্পদ যখন চোরের থাবায় হারিয়ে যায়, তখন শুধু একটি গরুই হারায় না—অনেক কৃষকের জীবিকা ও বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও হুমকির মুখে পড়ে। চোরদের এমন বেপরোয়া কর্মকাণ্ড রুখতে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও পুলিশের তৎপরতা অত্যন্ত জরুরি। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে চারটি চোরাই গরু ও একটি পিকআপসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গৌরীপুর সার্কেলের নির্দেশনায় এবং ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনের তত্ত্বাবধানে উপজেলার ১ নম্বর ইউনিয়নের আশ্রবপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থানার বাহাম গ্রামের মৃত উকিল মিয়ার ছেলে মো. শরিফ (৪২), বড়তলী গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩০), শ্যামপুর গ্রামের মৃত আবুল হকের ছেলে মো. মানিক মিয়া (২৮) এবং কামালপুর গ্রামের মৃত আল্লাদ মিয়ার ছেলে মো. ইমন মিয়া (২৭)।
পুলিশ জানায়, অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি পিকআপ ও চারটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, চুরি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চোরাই গরু উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কৃষকের নিঃস্বতা আর চোরদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটাতে আইনের কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগের বিকল্প নেই। চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার, প্রকৃত মালিকের কাছে তা ফিরিয়ে দেওয়া এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার মাধ্যমে কৃষকের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের এ অভিযান অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে কৃষকের সম্পদ ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন ধারাবাহিক পুলিশি তৎপরতা, জনসচেতনতা এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রমে গড়ে ওঠা সম্পদ যখন চোরের থাবায় হারিয়ে যায়, তখন শুধু একটি গরুই হারায় না—অনেক কৃষকের জীবিকা ও বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও হুমকির মুখে পড়ে। চোরদের এমন বেপরোয়া কর্মকাণ্ড রুখতে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও পুলিশের তৎপরতা অত্যন্ত জরুরি। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে চারটি চোরাই গরু ও একটি পিকআপসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গৌরীপুর সার্কেলের নির্দেশনায় এবং ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনের তত্ত্বাবধানে উপজেলার ১ নম্বর ইউনিয়নের আশ্রবপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ থানার বাহাম গ্রামের মৃত উকিল মিয়ার ছেলে মো. শরিফ (৪২), বড়তলী গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩০), শ্যামপুর গ্রামের মৃত আবুল হকের ছেলে মো. মানিক মিয়া (২৮) এবং কামালপুর গ্রামের মৃত আল্লাদ মিয়ার ছেলে মো. ইমন মিয়া (২৭)।
পুলিশ জানায়, অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি পিকআপ ও চারটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, চুরি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চোরাই গরু উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কৃষকের নিঃস্বতা আর চোরদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটাতে আইনের কঠোর ও নিরপেক্ষ প্রয়োগের বিকল্প নেই। চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার, প্রকৃত মালিকের কাছে তা ফিরিয়ে দেওয়া এবং অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনার মাধ্যমে কৃষকের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের এ অভিযান অপরাধ দমনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে কৃষকের সম্পদ ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন ধারাবাহিক পুলিশি তৎপরতা, জনসচেতনতা এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ।
