মাদক
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ইয়াবা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণসহ শাকিল সরকার (২৭) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে মাদক সেবনের দায় স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গড়াডোবা বাজারসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল সরকার উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। মানিক মিয়ার ছেলে।
অভিযান চলাকালে তাঁকে ইয়াবা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তিনি মাদক সেবনের দায় স্বীকার করায় এবং অপরাধের বিষয়টি উদ্ঘাটিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় করা মামলায় তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদকের ভয়াবহতা রোধে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ইয়াবা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণসহ শাকিল সরকার (২৭) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে মাদক সেবনের দায় স্বীকার করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গড়াডোবা বাজারসংলগ্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল সরকার উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের গাড়াদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। মানিক মিয়ার ছেলে।
অভিযান চলাকালে তাঁকে ইয়াবা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তিনি মাদক সেবনের দায় স্বীকার করায় এবং অপরাধের বিষয়টি উদ্ঘাটিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।কেন্দুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাঈম-উল ইসলাম চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় করা মামলায় তাঁকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদকের ভয়াবহতা রোধে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।
