অপরাধ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের দপ্তরি দিদারুল আলম বিদ্যুতের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বই দেওয়ার কথা বলে ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে নিয়ে গিয়ে জাপটে ধরা ও টানাহেঁচড়ার অভিযোগ উঠেছে দপ্তরির বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে ছাত্রীটি তাঁর কাছ থেকে ছুটে কান্নাকাটি করতে করতে বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসে। খবর পেয়ে অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয়ে জড়ো হন।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকসহ সংশ্লিষ্টরা ঘটনাটি জানার কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে শুক্রবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার দিন ধার্য করা হয়েছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দপ্তরি ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের দপ্তরি দিদারুল আলম বিদ্যুতের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছে ওই ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বই দেওয়ার কথা বলে ছাত্রীকে শ্রেণিকক্ষে নিয়ে গিয়ে জাপটে ধরা ও টানাহেঁচড়ার অভিযোগ উঠেছে দপ্তরির বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে ছাত্রীটি তাঁর কাছ থেকে ছুটে কান্নাকাটি করতে করতে বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসে। খবর পেয়ে অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজন বিদ্যালয়ে জড়ো হন।
বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিকসহ সংশ্লিষ্টরা ঘটনাটি জানার কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে শুক্রবার সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার দিন ধার্য করা হয়েছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দপ্তরি ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।
