উপ-সম্পাদকীয়
কথায় আছে—‘যতনে রতন মিলে, গুণে মন ভরে।’ অথচ প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যেন এর উল্টো চিত্রই পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব প্রাপ্তির ব্যবধান দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। বহু পরিকল্পনা, প্রকল্প, নির্দেশনা ও সংস্কারের পরও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন যেন অধরাই থেকে যাচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা হলো—‘মেধাবীরা প্রাথমিকে আসে না।’ কিন্তু এই কথার বাস্তব ভিত্তি কতটুকু? যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত, তাঁদের অনেকেই জীবন-যৌবন উজাড় করে শিশুদের শিক্ষার ভিত নির্মাণ করে চলেছেন। তাঁদের মেধা, অভিজ্ঞতা, অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন কি রাষ্ট্র করতে পেরেছে? নাকি ‘গরিব মাস্টার’ পরিচয়ের গণ্ডিতেই তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে?
আমার অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণে বরং এর বিপরীত চিত্রই বেশি দৃশ্যমান। প্রাথমিকের বহু শিক্ষক সীমিত সুযোগ-সুবিধা, সীমিত সম্পদ এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাঁদের হাত ধরেই ভবিষ্যতের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, প্রশাসক ও রাষ্ট্রনায়ক তৈরি হচ্ছেন।
তাহলে প্রশ্ন হলো—প্রাথমিকের শিক্ষকরা কি সত্যিকার অর্থে ক্ষমতায়িত?
চাপিয়ে দেওয়া নির্দেশনা ও ওপরের স্তরের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা ছাড়া তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কার্যকর পরিসর কতটুকু? শিক্ষা-সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, পাঠদান-পদ্ধতি নির্ধারণ কিংবা মূল্যায়নব্যবস্থা সংস্কারে মাঠপর্যায়ের শিক্ষকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা কতটা গুরুত্ব পায়?
নীতিনির্ধারণে যাঁরা প্রতিদিন শ্রেণিকক্ষে শিশুদের সঙ্গে কাজ করেন, তাঁদের কণ্ঠ যদি যথেষ্ট গুরুত্ব না পায়, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার বাস্তব সমস্যাগুলো নীতির টেবিলে কতটা প্রতিফলিত হবে?
শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতার ক্ষেত্রেও সময়ের সঙ্গে নানা পরিবর্তন এসেছে—কখনো এসএসসি, কখনো এইচএসসি এবং বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ের যোগ্যতা গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই যোগ্যতা নির্ধারণ ও পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় মাঠপর্যায়ের শিক্ষকসমাজের অংশগ্রহণ কতটা ছিল?
জাতীয় শিক্ষানীতি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের একজন শিক্ষককে যদি একই সঙ্গে পাঠদান, উপবৃত্তি-সংক্রান্ত কাজ, ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ, ডেটা এন্ট্রি, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তথ্য প্রদান এবং একের পর এক প্রকল্পের প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাহলে তাঁর মূল দায়িত্ব—শিশুকে শেখানো—কতটা নির্বিঘ্ন থাকে?
প্রাথমিক শিক্ষায় এখন প্রয়োজন একটি কার্যকর One-stop Problem Solving Service—যেখানে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার বাস্তবতা আমাদের সামনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধান শিক্ষক ছাড়া একটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক নেতৃত্ব কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে?
শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রেও দীর্ঘস্থবিরতা রয়েছে। একজন শিক্ষক বছরের পর বছর একই পদে দায়িত্ব পালন করেন, অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং দক্ষতা বাড়ান। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি যদি না মেলে, তাহলে পেশাগত প্রেরণা কতটা অটুট থাকে?
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রকল্পের প্রভাবও প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ে রয়েছে। উপবৃত্তি, ডিজিটাল তথ্যভিত্তি, ডেটা সংগ্রহ, বিভিন্ন অনলাইন ফিডিং এবং নতুন নতুন প্রকল্পের প্রশাসনিক দায়িত্ব ক্রমেই শিক্ষকদের ওপর বাড়ছে। অথচ শিক্ষককে এসব অতিরিক্ত কাজ থেকে যতটা সম্ভব মুক্ত রেখে শ্রেণিকেন্দ্রিক করা প্রয়োজন।
প্রতিটি বিদ্যালয়ে যদি একজন করে Computer Operator-cum-Office Assistant থাকতেন, তাহলে শিক্ষকরা প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত কাজের একটি বড় অংশ থেকে মুক্ত হয়ে পাঠদান, শিশুর শিখন-অগ্রগতি এবং অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগে আরও বেশি সময় দিতে পারতেন।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন তাই শুধু নতুন ভবন নির্মাণ, নতুন প্রকল্প গ্রহণ, নতুন নির্দেশনা জারি কিংবা নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। প্রয়োজন শিক্ষককে অংশীদার করা, ক্ষমতায়িত করা এবং তাঁর পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করা।
প্রাথমিকের শিক্ষককে কেবল নির্দেশ বাস্তবায়নকারী হিসেবে দেখলে চলবে না। তাঁকে হতে হবে শিক্ষানীতি, পাঠ্যক্রম ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার সক্রিয় অংশীদার।
কারণ, প্রাথমিক শিক্ষা কোনো রাষ্ট্রের প্রান্তিক খাত নয়; বরং রাষ্ট্রের মানবসম্পদ তৈরির প্রথম কারখানা। এই কারখানার কারিগর যদি প্রশাসনিক বোঝা, পদোন্নতির স্থবিরতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনুপস্থিতি এবং অবমূল্যায়নের মধ্যে থাকেন, তাহলে কাঙ্ক্ষিত মানসম্মত শিক্ষা কীভাবে নিশ্চিত হবে?
রাষ্ট্র যদি সত্যিই প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতির ভিত্তি মনে করে, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষকের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি। চাওয়া আর পাওয়ার মাঝের দীর্ঘস্থবিরতা ভাঙতে হলে প্রথমেই প্রাথমিক শিক্ষককে মর্যাদা, মতামত, দায়িত্ব ও ক্ষমতায়নের কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন শুরু হোক প্রাথমিক শিক্ষকের ওপর আস্থা ও তাঁর পেশাগত ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কথায় আছে—‘যতনে রতন মিলে, গুণে মন ভরে।’ অথচ প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে যেন এর উল্টো চিত্রই পরিলক্ষিত হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব প্রাপ্তির ব্যবধান দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। বহু পরিকল্পনা, প্রকল্প, নির্দেশনা ও সংস্কারের পরও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন যেন অধরাই থেকে যাচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে একটি বহুল প্রচলিত ধারণা হলো—‘মেধাবীরা প্রাথমিকে আসে না।’ কিন্তু এই কথার বাস্তব ভিত্তি কতটুকু? যারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত, তাঁদের অনেকেই জীবন-যৌবন উজাড় করে শিশুদের শিক্ষার ভিত নির্মাণ করে চলেছেন। তাঁদের মেধা, অভিজ্ঞতা, অবদান ও ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন কি রাষ্ট্র করতে পেরেছে? নাকি ‘গরিব মাস্টার’ পরিচয়ের গণ্ডিতেই তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে?
আমার অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণে বরং এর বিপরীত চিত্রই বেশি দৃশ্যমান। প্রাথমিকের বহু শিক্ষক সীমিত সুযোগ-সুবিধা, সীমিত সম্পদ এবং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিকদের গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাঁদের হাত ধরেই ভবিষ্যতের চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, প্রশাসক ও রাষ্ট্রনায়ক তৈরি হচ্ছেন।
তাহলে প্রশ্ন হলো—প্রাথমিকের শিক্ষকরা কি সত্যিকার অর্থে ক্ষমতায়িত?
চাপিয়ে দেওয়া নির্দেশনা ও ওপরের স্তরের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা ছাড়া তাঁদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কার্যকর পরিসর কতটুকু? শিক্ষা-সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, পাঠদান-পদ্ধতি নির্ধারণ কিংবা মূল্যায়নব্যবস্থা সংস্কারে মাঠপর্যায়ের শিক্ষকদের বাস্তব অভিজ্ঞতা কতটা গুরুত্ব পায়?
নীতিনির্ধারণে যাঁরা প্রতিদিন শ্রেণিকক্ষে শিশুদের সঙ্গে কাজ করেন, তাঁদের কণ্ঠ যদি যথেষ্ট গুরুত্ব না পায়, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার বাস্তব সমস্যাগুলো নীতির টেবিলে কতটা প্রতিফলিত হবে?
শিক্ষক নিয়োগের যোগ্যতার ক্ষেত্রেও সময়ের সঙ্গে নানা পরিবর্তন এসেছে—কখনো এসএসসি, কখনো এইচএসসি এবং বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ের যোগ্যতা গুরুত্ব পেয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই যোগ্যতা নির্ধারণ ও পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় মাঠপর্যায়ের শিক্ষকসমাজের অংশগ্রহণ কতটা ছিল?
জাতীয় শিক্ষানীতি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ের একজন শিক্ষককে যদি একই সঙ্গে পাঠদান, উপবৃত্তি-সংক্রান্ত কাজ, ডিজিটাল তথ্য সংগ্রহ, ডেটা এন্ট্রি, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তথ্য প্রদান এবং একের পর এক প্রকল্পের প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাহলে তাঁর মূল দায়িত্ব—শিশুকে শেখানো—কতটা নির্বিঘ্ন থাকে?
প্রাথমিক শিক্ষায় এখন প্রয়োজন একটি কার্যকর One-stop Problem Solving Service—যেখানে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনাগত সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকার বাস্তবতা আমাদের সামনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রধান শিক্ষক ছাড়া একটি বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক নেতৃত্ব কতটা কার্যকরভাবে পরিচালিত হতে পারে?
শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রেও দীর্ঘস্থবিরতা রয়েছে। একজন শিক্ষক বছরের পর বছর একই পদে দায়িত্ব পালন করেন, অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং দক্ষতা বাড়ান। কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি যদি না মেলে, তাহলে পেশাগত প্রেরণা কতটা অটুট থাকে?
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রকল্পের প্রভাবও প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ে রয়েছে। উপবৃত্তি, ডিজিটাল তথ্যভিত্তি, ডেটা সংগ্রহ, বিভিন্ন অনলাইন ফিডিং এবং নতুন নতুন প্রকল্পের প্রশাসনিক দায়িত্ব ক্রমেই শিক্ষকদের ওপর বাড়ছে। অথচ শিক্ষককে এসব অতিরিক্ত কাজ থেকে যতটা সম্ভব মুক্ত রেখে শ্রেণিকেন্দ্রিক করা প্রয়োজন।
প্রতিটি বিদ্যালয়ে যদি একজন করে Computer Operator-cum-Office Assistant থাকতেন, তাহলে শিক্ষকরা প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত কাজের একটি বড় অংশ থেকে মুক্ত হয়ে পাঠদান, শিশুর শিখন-অগ্রগতি এবং অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগে আরও বেশি সময় দিতে পারতেন।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন তাই শুধু নতুন ভবন নির্মাণ, নতুন প্রকল্প গ্রহণ, নতুন নির্দেশনা জারি কিংবা নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। প্রয়োজন শিক্ষককে অংশীদার করা, ক্ষমতায়িত করা এবং তাঁর পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করা।
প্রাথমিকের শিক্ষককে কেবল নির্দেশ বাস্তবায়নকারী হিসেবে দেখলে চলবে না। তাঁকে হতে হবে শিক্ষানীতি, পাঠ্যক্রম ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার সক্রিয় অংশীদার।
কারণ, প্রাথমিক শিক্ষা কোনো রাষ্ট্রের প্রান্তিক খাত নয়; বরং রাষ্ট্রের মানবসম্পদ তৈরির প্রথম কারখানা। এই কারখানার কারিগর যদি প্রশাসনিক বোঝা, পদোন্নতির স্থবিরতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনুপস্থিতি এবং অবমূল্যায়নের মধ্যে থাকেন, তাহলে কাঙ্ক্ষিত মানসম্মত শিক্ষা কীভাবে নিশ্চিত হবে?
রাষ্ট্র যদি সত্যিই প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতির ভিত্তি মনে করে, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষকের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরি। চাওয়া আর পাওয়ার মাঝের দীর্ঘস্থবিরতা ভাঙতে হলে প্রথমেই প্রাথমিক শিক্ষককে মর্যাদা, মতামত, দায়িত্ব ও ক্ষমতায়নের কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন শুরু হোক প্রাথমিক শিক্ষকের ওপর আস্থা ও তাঁর পেশাগত ক্ষমতায়নের মধ্য দিয়ে।
