আইন-আদালত
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভেজালবিরোধী অননুমোদিত ও মানহীন খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে চিংড়িতে জেলি পাওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে ১০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে একটি বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পৃথক দুই অভিযুক্তদের মোট ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে শ্রীমঙ্গলের নতুন বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল ইসলাম।
অভিযানকালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মৌলভীবাজারের ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরির মাধ্যমে নতুন বাজারের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বিক্রির জন্য রাখা চিংড়িতে জেলির উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে পৃথক দুটি মামলায় ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে সিন্দুরখান রোডে অবস্থিত ভিআইপি বেকারিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে নন-ফুডগ্রেড কালার ব্যবহার, উৎপাদিত কিছু পণ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ লেবেল না থাকা, নকল ‘হরলিক্স’ বিস্কুট উৎপাদন, খাদ্য পন্যের উৎপাদনের তারিখ না থাকা এবং অপরিষ্কার ট্রেতে খাদ্যপণ্য উৎপাদনসহ বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া যায়।
এছাড়া বেকারিটির ৩৭টি পণ্যের মধ্যে ৩৪টি পণ্যের বিএসটিআই এর অনুমোদন না থাকার বিষয়টি অভিযানে ধরা পড়ে। এসব অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানে মোট তিনটি মামলায় তিনজন অভিযুক্তদের কাছ থেকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মৌলভীবাজারের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শাকিব হোসাইন ও থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
জনস্বার্থে ভেজালবিরোধী, অননুমোদিত ও মানহীন খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ভেজালবিরোধী অননুমোদিত ও মানহীন খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে চিংড়িতে জেলি পাওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে ১০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে একটি বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পৃথক দুই অভিযুক্তদের মোট ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও তা তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে শ্রীমঙ্গলের নতুন বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুল ইসলাম।
অভিযানকালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মৌলভীবাজারের ভ্রাম্যমাণ ল্যাবরেটরির মাধ্যমে নতুন বাজারের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বিক্রির জন্য রাখা চিংড়িতে জেলির উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ায় দুই মাছ বিক্রেতাকে পৃথক দুটি মামলায় ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
পরে সিন্দুরখান রোডে অবস্থিত ভিআইপি বেকারিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে নন-ফুডগ্রেড কালার ব্যবহার, উৎপাদিত কিছু পণ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ লেবেল না থাকা, নকল ‘হরলিক্স’ বিস্কুট উৎপাদন, খাদ্য পন্যের উৎপাদনের তারিখ না থাকা এবং অপরিষ্কার ট্রেতে খাদ্যপণ্য উৎপাদনসহ বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া যায়।
এছাড়া বেকারিটির ৩৭টি পণ্যের মধ্যে ৩৪টি পণ্যের বিএসটিআই এর অনুমোদন না থাকার বিষয়টি অভিযানে ধরা পড়ে। এসব অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
অভিযানে মোট তিনটি মামলায় তিনজন অভিযুক্তদের কাছ থেকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, মৌলভীবাজারের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শাকিব হোসাইন ও থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
জনস্বার্থে ভেজালবিরোধী, অননুমোদিত ও মানহীন খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
