ক্যাম্পাস
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আলাওল হলের প্রশাসনিক কার্যক্রম, হলের সিট বণ্টনসহ নানা বিষয়ে হল ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ছাড়াই স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় কার্যসম্পাদনের অভিযোগ উঠেছে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জমালুল আকবর চৌধুরির বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে এক লিখিত বক্তব্য প্রদান করেছে হলটির ছাত্র সংসদের নেতা-কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, হল প্রভোস্টের ‘প্রহসনমূলক, একপাক্ষিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ’, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা এবং তাদের মতামত ও দায়িত্বকে উপেক্ষা করে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা ও গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করছে।
তারা বলেন, হলের নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধিদের তোয়াক্কা না করেই অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে হলের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত হল অফিসে ‘গোপন মিটিং’ করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করা হয় না।
আলাওল হল ছাত্রসংসদের দাবি, এ ধরনের একপাক্ষিক, সমন্বয়হীন ও কর্তৃত্ববাদী প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ফলে হলের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
আলাওল হল ছাত্র সংসদের জিএস ও চবি ছাত্রদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নূরনবী বলেন, আমাদের হল ছাত্রসংসদ থেকে দেওয়া বিবৃতির কথাগুলো সম্মিলিত অভিযোগ। গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে পরিবর্তিতে কর্মসূচি গ্রহণ করবো।
আলাওল হল ছাত্রসংসদের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, তিনি (প্রভোস্ট) চেষ্টা করেন ছাত্রপ্রতিনিধিদের মধ্যে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা তৈরি করার। একজন প্রভোস্ট হিসেবে তিনি এসব করতে পারেন না। এছাড়া হল ছাত্রসংসদকে কোনো সহযোগিতা করতে চান না।
নাম অপ্রকাশ রাখার শর্তে আলাওল হল ছাত্রসংসদের এক সম্পাদক বলেন, আমাদের হল ছাত্রসংসদ পরিচালনায় ছাত্রদল-শিবির সবাই আছে। তবে হল প্রভোস্ট গভীর রাতে ছাত্রদলের ভিন্ন এক কোরামের নেতাকর্মীদের হলে এনে মিটিং করে হলের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেন।
হলটির আবাসন ও যোগাযোগ সম্পাদক মাইন হানজালা বলেন, বর্তমানে আলাওল হলে ১৪ শিক্ষার্থীকে মেরিটে সিট দেওয়া হয়েছে, তবে সিট খালি থাকা সংখ্যাটা আরো বেশি। যা প্রভোস্ট নিজের হাতে রেখে দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আবাসন সম্পাদক হিসেবে আমাকে কিছুই জানানো হচ্ছে না। সিট বণ্টন কিভাবে করা হচ্ছে সেটাও বলা হচ্ছে না। আর এই বণ্টনের কাজগুলো রাতের বেলায় হল প্রাধ্যক্ষ ড. জমালুল আকবর চৌধুরি ও আলাউদ্দিন স্যার নামের এক শিক্ষক করতেছে।
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জমালুল আকবর চৌধুরির মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আলাওল হলের প্রশাসনিক কার্যক্রম, হলের সিট বণ্টনসহ নানা বিষয়ে হল ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ছাড়াই স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় কার্যসম্পাদনের অভিযোগ উঠেছে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জমালুল আকবর চৌধুরির বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে এক লিখিত বক্তব্য প্রদান করেছে হলটির ছাত্র সংসদের নেতা-কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, হল প্রভোস্টের ‘প্রহসনমূলক, একপাক্ষিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ’, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতা এবং তাদের মতামত ও দায়িত্বকে উপেক্ষা করে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ঘটনায় তারা তীব্র নিন্দা ও গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করছে।
তারা বলেন, হলের নির্বাচিত ছাত্রপ্রতিনিধিদের তোয়াক্কা না করেই অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে হলের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত হল অফিসে ‘গোপন মিটিং’ করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করা হয় না।
আলাওল হল ছাত্রসংসদের দাবি, এ ধরনের একপাক্ষিক, সমন্বয়হীন ও কর্তৃত্ববাদী প্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার ফলে হলের গণতান্ত্রিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের মর্যাদা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
আলাওল হল ছাত্র সংসদের জিএস ও চবি ছাত্রদলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নূরনবী বলেন, আমাদের হল ছাত্রসংসদ থেকে দেওয়া বিবৃতির কথাগুলো সম্মিলিত অভিযোগ। গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে পরিবর্তিতে কর্মসূচি গ্রহণ করবো।
আলাওল হল ছাত্রসংসদের সমাজসেবা, পরিবেশ ও মানবাধিকার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বলেন, তিনি (প্রভোস্ট) চেষ্টা করেন ছাত্রপ্রতিনিধিদের মধ্যে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঝামেলা তৈরি করার। একজন প্রভোস্ট হিসেবে তিনি এসব করতে পারেন না। এছাড়া হল ছাত্রসংসদকে কোনো সহযোগিতা করতে চান না।
নাম অপ্রকাশ রাখার শর্তে আলাওল হল ছাত্রসংসদের এক সম্পাদক বলেন, আমাদের হল ছাত্রসংসদ পরিচালনায় ছাত্রদল-শিবির সবাই আছে। তবে হল প্রভোস্ট গভীর রাতে ছাত্রদলের ভিন্ন এক কোরামের নেতাকর্মীদের হলে এনে মিটিং করে হলের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেন।
হলটির আবাসন ও যোগাযোগ সম্পাদক মাইন হানজালা বলেন, বর্তমানে আলাওল হলে ১৪ শিক্ষার্থীকে মেরিটে সিট দেওয়া হয়েছে, তবে সিট খালি থাকা সংখ্যাটা আরো বেশি। যা প্রভোস্ট নিজের হাতে রেখে দিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আবাসন সম্পাদক হিসেবে আমাকে কিছুই জানানো হচ্ছে না। সিট বণ্টন কিভাবে করা হচ্ছে সেটাও বলা হচ্ছে না। আর এই বণ্টনের কাজগুলো রাতের বেলায় হল প্রাধ্যক্ষ ড. জমালুল আকবর চৌধুরি ও আলাউদ্দিন স্যার নামের এক শিক্ষক করতেছে।
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জমালুল আকবর চৌধুরির মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
