অন্যান্য
লালমনিরহাট সদর উপজেলায় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত জমি থেকে বেআইনি উচ্ছেদ, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গোবিন্দ চন্দ্র সরকার।
শনিবার (২৮ মার্চ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে ও তার পরিবারকে মৃত গঙ্গামোহন সরকারের একমাত্র পুত্র হিসেবে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়।
তার অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোনীতা দাস কোনো আইনি নোটিশ বা পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন ও বিএনপি নেতা শুকুরউদ্দীনসহ প্রায় ৫০-৬০ জন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, উপস্থিত লোকজন তার স্থাপনা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, তাকে মারধর করে এবং নির্মাণসামগ্রী লুটপাট করে। তাকে ও তার সন্তানদের জোরপূর্বক স্থানত্যাগে বাধ্য করা হয়।
জমির মালিকানা বিষয়ে তিনি দাবি করেন, তার পিতা ১৯৪৩ সালে জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে আংশিক অধিগ্রহণ ও দানের পর অবশিষ্ট জমি বৈধভাবে তাদের মালিকানায় রয়েছে, যেখানে তিনি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেছিলেন।
তিনি আরও জানান, উচ্ছেদের সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল না এবং ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়। প্রায় ১০ হাজার ইট, ১০০ বস্তা সিমেন্ট ও প্রায় ২ লাখ টাকার রড লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শাস্তি ও জমি ফেরতের দাবি জানান গোবিন্দ চন্দ্র সরকার। পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
লালমনিরহাট সদর উপজেলায় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত জমি থেকে বেআইনি উচ্ছেদ, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন গোবিন্দ চন্দ্র সরকার।
শনিবার (২৮ মার্চ) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে ও তার পরিবারকে মৃত গঙ্গামোহন সরকারের একমাত্র পুত্র হিসেবে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়।
তার অভিযোগ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোনীতা দাস কোনো আইনি নোটিশ বা পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন ও বিএনপি নেতা শুকুরউদ্দীনসহ প্রায় ৫০-৬০ জন উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, উপস্থিত লোকজন তার স্থাপনা ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, তাকে মারধর করে এবং নির্মাণসামগ্রী লুটপাট করে। তাকে ও তার সন্তানদের জোরপূর্বক স্থানত্যাগে বাধ্য করা হয়।
জমির মালিকানা বিষয়ে তিনি দাবি করেন, তার পিতা ১৯৪৩ সালে জমি ক্রয় করেন এবং পরবর্তীতে আংশিক অধিগ্রহণ ও দানের পর অবশিষ্ট জমি বৈধভাবে তাদের মালিকানায় রয়েছে, যেখানে তিনি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেছিলেন।
তিনি আরও জানান, উচ্ছেদের সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল না এবং ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়। প্রায় ১০ হাজার ইট, ১০০ বস্তা সিমেন্ট ও প্রায় ২ লাখ টাকার রড লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের শাস্তি ও জমি ফেরতের দাবি জানান গোবিন্দ চন্দ্র সরকার। পাশাপাশি তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
