বাছাইকৃত
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের উজানচর নওপাড়া (মাইজপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তোতা মিয়া ওই গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল খান ও রাজিবপুর ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যানপ্রার্থী ফজলুল হক শিমুল জানান, বিকেলে তোতা মিয়া তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুস ছামাদ (২২) ও প্রতিবেশী মানিক মিয়া (৩৩)-কে সঙ্গে নিয়ে ফসলের মাঠে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তোতা মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতের বিকট শব্দ ও আতঙ্কে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা আব্দুস ছামাদ ও মানিক মিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। কিছুক্ষণ পর তাঁদের জ্ঞান ফিরে আসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বর্তমানে তাঁরা সুস্থ আছেন।
রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুস ছোবহান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে তোতা মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকা দুজনও আতঙ্কে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। পরে তাঁরা সুস্থ হয়ে ওঠেন।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তোতা মিয়াকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ কিছু জানায়নি। খোঁজখবর পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বজ্রপাতকে অনেক সময় আকস্মিক প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখা হলেও এটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী একটি দুর্যোগ। বিশেষ করে খোলা মাঠ, নদী-খাল, জলাশয় কিংবা উঁচু ও বিচ্ছিন্ন স্থানে থাকা মানুষ বজ্রপাতের সময় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। কৃষিকাজের কারণে মাঠে থাকা মানুষের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
তোতা মিয়ার মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল, আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে কিংবা বজ্রপাত শুরু হলে খোলা মাঠে অবস্থান না করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়া জরুরি।
কৃষকদের কাজের বড় একটি অংশ খোলা মাঠে। তাই বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস বা আকাশে ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে মাঠে কাজ শুরু না করা এবং কাজের মধ্যে থাকলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যাওয়া জরুরি। বিশেষ করে ঘাস কাটা, ধান কাটা, মাছ ধরা কিংবা গবাদিপশু চরানোর সময় বজ্রপাতের ঝুঁকিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।
একটি বজ্রপাত কয়েক সেকেন্ডেই কেড়ে নিতে পারে একটি প্রাণ। তাই ঝড়-বৃষ্টির সময় সতর্কতা, দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়া এবং অন্যদেরও সতর্ক করা—এই তিনটি পদক্ষেপই হতে পারে জীবন রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের উজানচর নওপাড়া (মাইজপাড়া) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তোতা মিয়া ওই গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল খান ও রাজিবপুর ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যানপ্রার্থী ফজলুল হক শিমুল জানান, বিকেলে তোতা মিয়া তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুস ছামাদ (২২) ও প্রতিবেশী মানিক মিয়া (৩৩)-কে সঙ্গে নিয়ে ফসলের মাঠে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তোতা মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতের বিকট শব্দ ও আতঙ্কে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা আব্দুস ছামাদ ও মানিক মিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। কিছুক্ষণ পর তাঁদের জ্ঞান ফিরে আসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বর্তমানে তাঁরা সুস্থ আছেন।
রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আব্দুস ছোবহান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বজ্রপাতে তোতা মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর সঙ্গে থাকা দুজনও আতঙ্কে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। পরে তাঁরা সুস্থ হয়ে ওঠেন।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তোতা মিয়াকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘এ বিষয়ে কেউ কিছু জানায়নি। খোঁজখবর পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বজ্রপাতকে অনেক সময় আকস্মিক প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখা হলেও এটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী একটি দুর্যোগ। বিশেষ করে খোলা মাঠ, নদী-খাল, জলাশয় কিংবা উঁচু ও বিচ্ছিন্ন স্থানে থাকা মানুষ বজ্রপাতের সময় বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। কৃষিকাজের কারণে মাঠে থাকা মানুষের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
তোতা মিয়ার মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল, আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে কিংবা বজ্রপাত শুরু হলে খোলা মাঠে অবস্থান না করে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়া জরুরি।
কৃষকদের কাজের বড় একটি অংশ খোলা মাঠে। তাই বজ্রঝড়ের পূর্বাভাস বা আকাশে ঘন কালো মেঘ দেখা দিলে মাঠে কাজ শুরু না করা এবং কাজের মধ্যে থাকলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে যাওয়া জরুরি। বিশেষ করে ঘাস কাটা, ধান কাটা, মাছ ধরা কিংবা গবাদিপশু চরানোর সময় বজ্রপাতের ঝুঁকিকে কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়।
একটি বজ্রপাত কয়েক সেকেন্ডেই কেড়ে নিতে পারে একটি প্রাণ। তাই ঝড়-বৃষ্টির সময় সতর্কতা, দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়া এবং অন্যদেরও সতর্ক করা—এই তিনটি পদক্ষেপই হতে পারে জীবন রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
