মানবতামানবতা

চিলমারীর সফিকুল হিপ জয়েন্ট রোগে পঙ্গুত্ব থেকে বাঁচতে চায় !

চিলমারীর সফিকুল হিপ জয়েন্ট রোগে পঙ্গুত্ব থেকে বাঁচতে চায় !
হিপ জয়েন্ট রোগে পঙ্গুত্ব থেকে বাচতে চায় চিলমারীর সফিকুল

চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বালাবাড়িহাট  শিকার পাড়ার বাসিন্দা সফিকুল আজ দূরারোগ্য হিপ জয়েন্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করার উপক্রম হয়ে পড়েছেন।

জীবন বাঁচাতে জীবিকার তাগিদে প্রায় চল্লিশ বছর ধরে সরকারী গোডাউনের শ্রমিক হিসেবে অসহনীয় কষ্ট করে পরিবারের ভরন পোষন যুগিয়ে আসছেন তিনি।  সফিকুল জানান, গত এক বছর যাবৎ গোডাউনে কাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসি। রাতের বেলা বিশ্রাম কালীন তার ডান পায়ের হিপজয়েন্টে ব্যাথা করতো।  সে ব্যথ্যা  ধীরে ধীরে স্থায়ী রোগে পরনিত হয়।  সফিকুল দীর্ঘ দিন ধরে হাড় ও জয়েন্টের ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিলেও কোন লাভ হয়না। সম্প্রতি ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক সফিকুল  এমআরআই পরীক্ষা করে জানতে পারে যে,তার ডান হিপজয়েন্টের বলটি পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে ও বাম হিপের জয়েন্টের বলটিও আক্রান্ত হয়েছে।  সফিকুলের ডান হিপজয়েন্টের বল পরিবর্তন সহ বাম পায়ের আক্রান্ত হিপজয়েন্ট বলটির চিকিৎসা করাতে প্রায় ১০থেকে ১২ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে বলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন জানিয়েছেন। দিনমজুর সফিকু ইসলামের চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয়ভার চালানোয় তার পরিবারের কোনই সক্ষমতা নেই। ৪ ছেলে ও ২ মেয়ের ভরনপোষণ যোগাতে পারিবারিক ভাবে আজ সে অসহায়। সারা যৌবনের শক্তিকে সমাজ সংসারের কত মানবিক কাজে নিয়োজিত রেখেছিল সফিকুল, আজ নিজেই রোগে আক্রান্ত হয়ে  নিজের  চিকিৎসাও করাতে পারছেননা। অসহায়ত্বের কাছে  হারতে চায়না সফিকুল। আগত পঙ্গুত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে  সে আবারও স্বাভাবিক ভাবে কাজকর্ম করে  ঘর সংসার চালাতে চায়। ছোট ছোট এখনও ৪ টি সন্তানের সহ স্ত্রী ও নিজের খরচ জোগান দিতে না পারলে সফিকুলকে নিজ পরিবার-পরিজনকে নিয়ে পথে পথে ভিক্ষে করা ছাড়া কোন উপায় নেই বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।  তাই সফিকুল এই সম্ভাব্য পঙ্গুত্ব থেকে বাচতে চিকিৎসা করাতে সকলেরই দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি চিকিৎসা খরচের জন্য সকলের নিকট মানবিক আবেদন জানিয়েছেন। অসহায় সফিকুলের বাঁচার কাকুতি ও মিনতিতে সাহায্য পাঠানোর  জন্য ব্যবহৃত বিকাশ ও নগদ  নং- হলো ; ০১৯১২-৯৮৭৯৪৫। এলাকাবাসী অসহায় সফিকুলের চিকিৎসার খরচ যোগাতে নিজেরাও যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সেই সাথে মানবিক সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

Public Voice

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬


চিলমারীর সফিকুল হিপ জয়েন্ট রোগে পঙ্গুত্ব থেকে বাঁচতে চায় !

প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

চিলমারী উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের বালাবাড়িহাট  শিকার পাড়ার বাসিন্দা সফিকুল আজ দূরারোগ্য হিপ জয়েন্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করার উপক্রম হয়ে পড়েছেন।

জীবন বাঁচাতে জীবিকার তাগিদে প্রায় চল্লিশ বছর ধরে সরকারী গোডাউনের শ্রমিক হিসেবে অসহনীয় কষ্ট করে পরিবারের ভরন পোষন যুগিয়ে আসছেন তিনি।  সফিকুল জানান, গত এক বছর যাবৎ গোডাউনে কাজ শেষে বাড়ি ফিরে আসি। রাতের বেলা বিশ্রাম কালীন তার ডান পায়ের হিপজয়েন্টে ব্যাথা করতো।  সে ব্যথ্যা  ধীরে ধীরে স্থায়ী রোগে পরনিত হয়।  সফিকুল দীর্ঘ দিন ধরে হাড় ও জয়েন্টের ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিলেও কোন লাভ হয়না। সম্প্রতি ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক সফিকুল  এমআরআই পরীক্ষা করে জানতে পারে যে,তার ডান হিপজয়েন্টের বলটি পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে ও বাম হিপের জয়েন্টের বলটিও আক্রান্ত হয়েছে।  সফিকুলের ডান হিপজয়েন্টের বল পরিবর্তন সহ বাম পায়ের আক্রান্ত হিপজয়েন্ট বলটির চিকিৎসা করাতে প্রায় ১০থেকে ১২ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে বলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন জানিয়েছেন। দিনমজুর সফিকু ইসলামের চিকিৎসা সংক্রান্ত ব্যয়ভার চালানোয় তার পরিবারের কোনই সক্ষমতা নেই। ৪ ছেলে ও ২ মেয়ের ভরনপোষণ যোগাতে পারিবারিক ভাবে আজ সে অসহায়। সারা যৌবনের শক্তিকে সমাজ সংসারের কত মানবিক কাজে নিয়োজিত রেখেছিল সফিকুল, আজ নিজেই রোগে আক্রান্ত হয়ে  নিজের  চিকিৎসাও করাতে পারছেননা। অসহায়ত্বের কাছে  হারতে চায়না সফিকুল। আগত পঙ্গুত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে  সে আবারও স্বাভাবিক ভাবে কাজকর্ম করে  ঘর সংসার চালাতে চায়। ছোট ছোট এখনও ৪ টি সন্তানের সহ স্ত্রী ও নিজের খরচ জোগান দিতে না পারলে সফিকুলকে নিজ পরিবার-পরিজনকে নিয়ে পথে পথে ভিক্ষে করা ছাড়া কোন উপায় নেই বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।  তাই সফিকুল এই সম্ভাব্য পঙ্গুত্ব থেকে বাচতে চিকিৎসা করাতে সকলেরই দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি চিকিৎসা খরচের জন্য সকলের নিকট মানবিক আবেদন জানিয়েছেন। অসহায় সফিকুলের বাঁচার কাকুতি ও মিনতিতে সাহায্য পাঠানোর  জন্য ব্যবহৃত বিকাশ ও নগদ  নং- হলো ; ০১৯১২-৯৮৭৯৪৫। এলাকাবাসী অসহায় সফিকুলের চিকিৎসার খরচ যোগাতে নিজেরাও যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সেই সাথে মানবিক সহযোগিতার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।


Public Voice

সম্পাদক: মোঃ বাদশাহ আলমগীর
প্রকাশক: অনন্যা অনসূয়া দিবা

কপিরাইট © ২০২৬ Public Voice । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত