মানবতা
ভোরের নীরবতা ভেঙে ভেসে আসছিল শিশুর কান্না। নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন এক মুসল্লি। রাস্তার পাশের বাঁশঝাড় থেকে আসা কান্নার শব্দে থমকে দাঁড়ান তিনি। কাছে গিয়ে দেখেন, ঝোপের মধ্যে পড়ে আছে এক নবজাতক শিশু।
বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব গুয়াডহুড়ী মসজিদে যাতায়াতের রাস্তার পাশের বাঁশঝাড় থেকে আনুমানিক একদিন বয়সী ওই নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। পরে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে মসজিদে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান স্থানীয় এক ব্যক্তি। শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে তিনি ঝোপের মধ্যে নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে পূর্ব গুয়াডহুড়ী গ্রামের আব্দুল গুনি সরকারের ছেলে মিজানুর রহমান শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।
একটি অসহায় নবজাতককে জঙ্গলে পড়ে থাকার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। শিশুটিকে একনজর দেখতে মিজানুর রহমানের বাড়িতে ভিড় করেন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তৈরি হয় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ।
স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো একসময় শিশুটিকে সেখানে রেখে যাওয়া হতে পারে। তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, কিংবা এর পেছনে কী কারণ রয়েছে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, নবজাতককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধুনট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ধুনট উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের অধীনে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিশু কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে শিশুটির প্রকৃত পরিবারের সন্ধান ও পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নেওয়া হবে। পরিবার শনাক্ত করা সম্ভব না হলে প্রচলিত আইন ও সরকারি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও এমন একটি শিশুকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ফলে এবারও শিশুটির প্রকৃত পরিচয় ও পরিবারের সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোরের নীরবতা ভেঙে ভেসে আসছিল শিশুর কান্না। নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন এক মুসল্লি। রাস্তার পাশের বাঁশঝাড় থেকে আসা কান্নার শব্দে থমকে দাঁড়ান তিনি। কাছে গিয়ে দেখেন, ঝোপের মধ্যে পড়ে আছে এক নবজাতক শিশু।
বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব গুয়াডহুড়ী মসজিদে যাতায়াতের রাস্তার পাশের বাঁশঝাড় থেকে আনুমানিক একদিন বয়সী ওই নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। পরে শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে মসজিদে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশের জঙ্গল থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান স্থানীয় এক ব্যক্তি। শব্দের উৎস খুঁজতে গিয়ে তিনি ঝোপের মধ্যে নবজাতকটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে পূর্ব গুয়াডহুড়ী গ্রামের আব্দুল গুনি সরকারের ছেলে মিজানুর রহমান শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।
একটি অসহায় নবজাতককে জঙ্গলে পড়ে থাকার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। শিশুটিকে একনজর দেখতে মিজানুর রহমানের বাড়িতে ভিড় করেন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় তৈরি হয় নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ।
স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো একসময় শিশুটিকে সেখানে রেখে যাওয়া হতে পারে। তবে কে বা কারা শিশুটিকে সেখানে রেখে গেছে, কিংবা এর পেছনে কী কারণ রয়েছে—তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, নবজাতককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ধুনট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ধুনট উপজেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের অধীনে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে শিশু কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে শিশুটির প্রকৃত পরিবারের সন্ধান ও পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নেওয়া হবে। পরিবার শনাক্ত করা সম্ভব না হলে প্রচলিত আইন ও সরকারি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও এমন একটি শিশুকে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ফলে এবারও শিশুটির প্রকৃত পরিচয় ও পরিবারের সন্ধান পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
