রাজনীতি
ডাঃ শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতিতে সংলাপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায় সূচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি তারেক রহমান-কে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, তার সাম্প্রতিক আগমন একটি “ঐতিহাসিক মুহূর্ত” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ডাঃ শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার আবাসিক কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি এ আগমনকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বশীলতা ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। তার ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ওপর পরিচালিত হবে।
বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, তারেক রহমান আশ্বস্ত করেছেন যে, বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি এই আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কোনো নাগরিক যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন—এটাই সবার প্রত্যাশা।
জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে তারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আপসহীন থাকবেন। জনকল্যাণমূলক কাজে সমর্থন থাকলেও জবাবদিহিতার প্রশ্নে তারা সোচ্চার থাকবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ডাঃ শফিকুর রহমানের ভাষায়, তাদের উদ্দেশ্য সংঘাত সৃষ্টি নয়, বরং প্রয়োজনীয় সংশোধন ও গঠনমূলক পর্যবেক্ষণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের জনগণ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে যা ন্যায়বিচার, নাগরিক অধিকার ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ডাঃ শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয় রাজনীতিতে সংলাপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায় সূচনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি তারেক রহমান-কে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, তার সাম্প্রতিক আগমন একটি “ঐতিহাসিক মুহূর্ত” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ডাঃ শফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার আবাসিক কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি এ আগমনকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, দায়িত্বশীলতা ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
তিনি বলেন, তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেন যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। তার ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে মিলিতভাবে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ওপর পরিচালিত হবে।
বৈঠকে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, তারেক রহমান আশ্বস্ত করেছেন যে, বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি এই আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কোনো নাগরিক যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন—এটাই সবার প্রত্যাশা।
জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে তারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে আপসহীন থাকবেন। জনকল্যাণমূলক কাজে সমর্থন থাকলেও জবাবদিহিতার প্রশ্নে তারা সোচ্চার থাকবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ডাঃ শফিকুর রহমানের ভাষায়, তাদের উদ্দেশ্য সংঘাত সৃষ্টি নয়, বরং প্রয়োজনীয় সংশোধন ও গঠনমূলক পর্যবেক্ষণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের জনগণ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে যা ন্যায়বিচার, নাগরিক অধিকার ও স্থিতিশীলতার মাধ্যমে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
