রাজনীতি
বগুড়ার ধুনট উপজেলার ইসলামী যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রবিউল ইসলাম সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন ইসলামী দলের মধ্যে সম্ভাব্য জোট গঠনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই সম্ভাব্য জোটে অংশ না নিয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কৌশলগত অবস্থান ও বাস্তবতার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেই মাওলানা রবিউল ইসলাম রাজনীতিতে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন—
“দেশের মানুষ যখন ইসলামপন্থীদের নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়েই টুপি ওয়ালাদের ভেতরে শুরু হয়েছে দলীয় স্বার্থের রাজনীতি। এই আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতি সারা দেশের ইসলামপন্থীদের মন ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। সেই মুহূর্ত থেকেই রাজনীতির প্রতি আমার ভেতরে এক ধরনের ঘৃণা জন্ম নিয়েছে।
এ মুহূর্তে আমি সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে যদি কোনো দল বা সংগঠনের কাজ সত্যিকার অর্থে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত মনে হয়, তাহলে তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুন্দর দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেও আমি পিছপা হবো।”
ইসলামী যুব আন্দোলনের ধুনট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আতিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি অন্য মাধ্যমে শুনেছেন। তিনি আরও জানান, মাওলানা রবিউল ইসলামের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলবেন এবং দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো রাজনীতির অংশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ধুনট উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী শাহাদাত হোসেন বলেন, তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। তবে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধান হবে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এ ঘটনাকে কেউ কেউ স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তাঁদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় মতভেদ ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে এমন অবস্থান নতুন কিছু নয়।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার ধুনট উপজেলার ইসলামী যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রবিউল ইসলাম সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন ইসলামী দলের মধ্যে সম্ভাব্য জোট গঠনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সেই সম্ভাব্য জোটে অংশ না নিয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই কৌশলগত অবস্থান ও বাস্তবতার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেই মাওলানা রবিউল ইসলাম রাজনীতিতে বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মাওলানা রবিউল ইসলাম বলেন—
“দেশের মানুষ যখন ইসলামপন্থীদের নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়েই টুপি ওয়ালাদের ভেতরে শুরু হয়েছে দলীয় স্বার্থের রাজনীতি। এই আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতি সারা দেশের ইসলামপন্থীদের মন ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিয়েছে। সেই মুহূর্ত থেকেই রাজনীতির প্রতি আমার ভেতরে এক ধরনের ঘৃণা জন্ম নিয়েছে।
এ মুহূর্তে আমি সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে যদি কোনো দল বা সংগঠনের কাজ সত্যিকার অর্থে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিবেদিত মনে হয়, তাহলে তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একটি সুন্দর দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখতেও আমি পিছপা হবো।”
ইসলামী যুব আন্দোলনের ধুনট উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আতিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি অন্য মাধ্যমে শুনেছেন। তিনি আরও জানান, মাওলানা রবিউল ইসলামের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলবেন এবং দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো রাজনীতির অংশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ধুনট উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতী শাহাদাত হোসেন বলেন, তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। তবে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধান হবে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এ ঘটনাকে কেউ কেউ স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তাঁদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় মতভেদ ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়ে এমন অবস্থান নতুন কিছু নয়।
