নির্বাচন
চট্টগ্রাম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬:
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঋণ খেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপন এবং বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ খেলাপির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আপিল শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সরওয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তিনি এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ করেননি—এমন অভিযোগ উঠে আসে।
এ বিষয়ে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুল আমিন নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। আপিল আবেদনে সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।
আপিল শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
আইনি দিক থেকে জানা গেছে, এর আগে হাইকোর্ট সরওয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে চেম্বার জজ আদালত সেই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। ফলে তার বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।
উল্লেখ্য, সরওয়ার আলমগীর একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি হালদা গ্রুপ-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা যায়।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রাম, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬:
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঋণ খেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপন এবং বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ খেলাপির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আপিল শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, সরওয়ার আলমগীরের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপির অভিযোগ রয়েছে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় তিনি এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যথাযথভাবে উল্লেখ করেননি—এমন অভিযোগ উঠে আসে।
এ বিষয়ে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. নুরুল আমিন নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। আপিল আবেদনে সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়।
আপিল শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
আইনি দিক থেকে জানা গেছে, এর আগে হাইকোর্ট সরওয়ার আলমগীরের নাম ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে চেম্বার জজ আদালত সেই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। ফলে তার বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির অভিযোগ বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।
উল্লেখ্য, সরওয়ার আলমগীর একজন ব্যবসায়ী এবং তিনি হালদা গ্রুপ-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা যায়।
