নির্বাচন
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রক্তচক্ষু, রাজনৈতিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, গুম ও জেল-জুলুমের ভয়াবহতাকে উপেক্ষা করে যিনি রাজপথে সর্বদা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন থেকেছেন, তিনি চৌগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং চৌগাছা উপজেলা পৌর বিএনপির সম্মানিত নির্বাহী সদস্য জনাব আতিকুর রহমান লেন্টু।
১৯৮৫ সাল থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু। দেখতে দেখতে বিগত ৩৯ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পতাকাতলে থেকে তিনি রাজনীতির মূল সার্থকতা খুঁজে পেয়েছেন। রাজনীতি ও দলের প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্যের পাশাপাশি তিনি একজন সফল ও সম্মানিত ব্যবসায়ী। তিনি বিসিআইসির সার ডিলার এবং যশোর জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক (সড়ক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনের দিনগুলোতে স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ নেতা-কর্মীদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে গেছেন আতিকুর রহমান লেন্টু। ২০১৩ সালে আওয়ামী প্রশাসন ও দলীয় ক্যাডারদের হয়রানিতে যখন ইউনিয়ন বিএনপি জর্জরিত, তখন তিনি কঠিন দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাঁকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। সন্তানের স্নেহের পরশ থেকে বঞ্চিত হয়ে বছরের পর বছর কাটাতে হয়েছে ধানক্ষেত আর বনে-জঙ্গলে। তবুও তিনি ওয়ার্ড ও পৌরসভার সাধারণ নেতা-কর্মীদের একা ফেলে যাননি। গায়োবি মামলা ও গ্রেফতার এড়িয়ে গোপন স্থানে থেকেও নেতা-কর্মীদের জামিন, আইনি সহায়তা এবং আর্থিক দিক সামলেছেন। গভীর রাতে মাস্ক ও গামছা মুখে বেঁধে অনাহারী ও নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাঁদের পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করেছেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে আওয়ামী প্রশাসন ও স্থানীয় ক্যাডাররা তাঁর ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর নামে আগে থাকা একটি মামলার পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার প্রভাবে তিনি নিয়মিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসতে না পারায় তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও ধ্বংসের মুখে পড়ে।
গত ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে যখন অনেকেই নিজ স্বার্থ ও আখের গোছাতে ব্যস্ত, সেখানে আতিকুর রহমান লেন্টু হাত দিয়েছেন জনকল্যাণমূলক কাজে। একদিকে পৌর বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, অন্যদিকে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা বিতরণ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও উন্নয়নে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি নিজ এলাকার স্থানীয় একটি মসজিদের সভাপতির দায়িত্বও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করছেন।
আতিকুর রহমান লেন্টুর এসব মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে দল-মত নির্বিশেষে পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণ আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাঁকে চৌগাছা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চায়।
পৌরবাসীর মতে, আতিকুর রহমান লেন্টু বিগত ৪০ বছর ধরে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানউন্নয়নে যে অবদান রেখে চলেছেন, তা কোনো নির্বাচিত মেয়রের চেয়ে কম নয়। তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে তা হবে চৌগাছা পৌরসভার জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক সাধারণ বাসিন্দা শেফালী বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "লেন্টু ভাই সর্বদা আমাদের পাশে থাকেন। গভীর রাতে কোনো বিপদে-আপদে ডাকলেও আমরা তাঁকে কাছে পাই। তাঁর মতো একজন ত্যাগী, সৎ ও খাঁটি বিএনপির মানুষ যদি আমাদের পৌরসভার মেয়র হন, তবে আমাদের এলাকার ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।"
জনগণের এই ভালোবাসার জোয়ার ও মেয়র পদের দাবির বিষয়ে অনুভূতি জানতে চাইলে একবুক প্রত্যয় ও বিনয় নিয়ে আতিকুর রহমান লেন্টু বলেন:
"আমি পৌর বিএনপির একজন নির্বাহী সদস্য এবং দলের একজন সাধারণ কর্মী—এটাই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। এলাকার মানুষের পাশে থাকা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী আমলে অনেক মামলা-হামলার শিকার হয়েছি, কিন্তু আমার এলাকার কোনো নেতা-কর্মীর ক্ষতি হতে দিইনি। এলাকার উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কাজ আমার নিত্যদিনের সঙ্গী, যা গত ৪০ বছর ধরে করে আসছি। এখন পৌর এলাকাবাসী এবং আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠন জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপি যদি চায়, তবে আমি মেয়র পদে নির্বাচন করব। এলাকার মানুষের সেবা করার জন্য পদ প্রধান বিষয় নয়, সৎ ইচ্ছাই আসল।"
তিনি আরও যোগ করেন, "যদি আমি জনগণের ভালোবাসায় মেয়র নির্বাচিত হই, তবে রাস্তাঘাটের অভূতপূর্ব উন্নয়নের পাশাপাশি পৌর করের জটিলতা নিরসন করব। চৌগাছা কাঁচাবাজারকে আধুনিক রূপ দেব এবং সর্বোপরি পৌরসভা থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের অপসারণ করে স্বজনপ্রীতি ও দুর্গারীতিমুক্ত এক আদর্শ পৌরসভা গঠন করব—যেটি আমাদের দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের টেকসই উন্নয়ন নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।"

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রক্তচক্ষু, রাজনৈতিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা, হামলা, গুম ও জেল-জুলুমের ভয়াবহতাকে উপেক্ষা করে যিনি রাজপথে সর্বদা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন থেকেছেন, তিনি চৌগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং চৌগাছা উপজেলা পৌর বিএনপির সম্মানিত নির্বাহী সদস্য জনাব আতিকুর রহমান লেন্টু।
১৯৮৫ সাল থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু। দেখতে দেখতে বিগত ৩৯ বছর ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পতাকাতলে থেকে তিনি রাজনীতির মূল সার্থকতা খুঁজে পেয়েছেন। রাজনীতি ও দলের প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্যের পাশাপাশি তিনি একজন সফল ও সম্মানিত ব্যবসায়ী। তিনি বিসিআইসির সার ডিলার এবং যশোর জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক (সড়ক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বিগত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনের দিনগুলোতে স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ নেতা-কর্মীদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে গেছেন আতিকুর রহমান লেন্টু। ২০১৩ সালে আওয়ামী প্রশাসন ও দলীয় ক্যাডারদের হয়রানিতে যখন ইউনিয়ন বিএনপি জর্জরিত, তখন তিনি কঠিন দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাঁকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে আত্মগোপনে থাকতে হয়েছে। সন্তানের স্নেহের পরশ থেকে বঞ্চিত হয়ে বছরের পর বছর কাটাতে হয়েছে ধানক্ষেত আর বনে-জঙ্গলে। তবুও তিনি ওয়ার্ড ও পৌরসভার সাধারণ নেতা-কর্মীদের একা ফেলে যাননি। গায়োবি মামলা ও গ্রেফতার এড়িয়ে গোপন স্থানে থেকেও নেতা-কর্মীদের জামিন, আইনি সহায়তা এবং আর্থিক দিক সামলেছেন। গভীর রাতে মাস্ক ও গামছা মুখে বেঁধে অনাহারী ও নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাঁদের পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করেছেন।
পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে আওয়ামী প্রশাসন ও স্থানীয় ক্যাডাররা তাঁর ওপর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর নামে আগে থাকা একটি মামলার পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলার প্রভাবে তিনি নিয়মিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসতে না পারায় তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও ধ্বংসের মুখে পড়ে।
গত ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে যখন অনেকেই নিজ স্বার্থ ও আখের গোছাতে ব্যস্ত, সেখানে আতিকুর রহমান লেন্টু হাত দিয়েছেন জনকল্যাণমূলক কাজে। একদিকে পৌর বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন, অন্যদিকে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখছেন। পাশাপাশি বয়স্ক ভাতা বিতরণ এবং যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও উন্নয়নে নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি নিজ এলাকার স্থানীয় একটি মসজিদের সভাপতির দায়িত্বও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করছেন।
আতিকুর রহমান লেন্টুর এসব মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে দল-মত নির্বিশেষে পৌরসভার সর্বস্তরের জনগণ আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাঁকে চৌগাছা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চায়।
পৌরবাসীর মতে, আতিকুর রহমান লেন্টু বিগত ৪০ বছর ধরে এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানউন্নয়নে যে অবদান রেখে চলেছেন, তা কোনো নির্বাচিত মেয়রের চেয়ে কম নয়। তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে তা হবে চৌগাছা পৌরসভার জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ।
৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক সাধারণ বাসিন্দা শেফালী বেগম আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "লেন্টু ভাই সর্বদা আমাদের পাশে থাকেন। গভীর রাতে কোনো বিপদে-আপদে ডাকলেও আমরা তাঁকে কাছে পাই। তাঁর মতো একজন ত্যাগী, সৎ ও খাঁটি বিএনপির মানুষ যদি আমাদের পৌরসভার মেয়র হন, তবে আমাদের এলাকার ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।"
জনগণের এই ভালোবাসার জোয়ার ও মেয়র পদের দাবির বিষয়ে অনুভূতি জানতে চাইলে একবুক প্রত্যয় ও বিনয় নিয়ে আতিকুর রহমান লেন্টু বলেন:
"আমি পৌর বিএনপির একজন নির্বাহী সদস্য এবং দলের একজন সাধারণ কর্মী—এটাই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। এলাকার মানুষের পাশে থাকা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী আমলে অনেক মামলা-হামলার শিকার হয়েছি, কিন্তু আমার এলাকার কোনো নেতা-কর্মীর ক্ষতি হতে দিইনি। এলাকার উন্নয়ন ও সচেতনতামূলক কাজ আমার নিত্যদিনের সঙ্গী, যা গত ৪০ বছর ধরে করে আসছি। এখন পৌর এলাকাবাসী এবং আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠন জেলা ও কেন্দ্রীয় বিএনপি যদি চায়, তবে আমি মেয়র পদে নির্বাচন করব। এলাকার মানুষের সেবা করার জন্য পদ প্রধান বিষয় নয়, সৎ ইচ্ছাই আসল।"
তিনি আরও যোগ করেন, "যদি আমি জনগণের ভালোবাসায় মেয়র নির্বাচিত হই, তবে রাস্তাঘাটের অভূতপূর্ব উন্নয়নের পাশাপাশি পৌর করের জটিলতা নিরসন করব। চৌগাছা কাঁচাবাজারকে আধুনিক রূপ দেব এবং সর্বোপরি পৌরসভা থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের অপসারণ করে স্বজনপ্রীতি ও দুর্গারীতিমুক্ত এক আদর্শ পৌরসভা গঠন করব—যেটি আমাদের দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের টেকসই উন্নয়ন নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।"
