নির্বাচন
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক লুত্ফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতসহ বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী। ফলে আসনটিতে নির্বাচনী উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে।
এ অবস্থায় ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে নেমেছেন মাজেদ বাবুর স্ত্রী ফারহানা মাজেদ। সোমবার বিকেলে তাঁকে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে নারীদের উপস্থিতিতে ধারাবাহিক উঠান বৈঠকে অংশ নিতে দেখা গেছে। এসব উঠান বৈঠকে হাজার হাজার নারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে।
উঠান বৈঠকে বক্তব্যে ফারহানা মাজেদ বলেন, “আমার স্বামী আপদ-বিপদে ও আওয়ামী লীগের দুর্যোগের সময় আপনাদের পাশে ছিলেন, আছেন। আপনাদের কাছ থেকে দোয়া ছাড়া নেওয়ার কিছুই নেই। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের কথা ভেবেছেন, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “তিনি একজন উদার মনের মানুষ, রাজনীতিকে কখনোই ব্যক্তিগত লাভের হাতিয়ার বানাননি। এলাকার উন্নয়ন, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এই মানুষটাকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখেন—কী কাজে লাগে।”
স্থানীয় নারীরা জানান, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে মাজেদ বাবু এলাকাবাসীর কাছে একজন আস্থার নাম হয়ে উঠেছেন। তারা মনে করেন, সংসদে গেলে তিনি ঈশ্বরগঞ্জের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়ার এই প্রচারণা মাজেদ বাবুর পক্ষে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং নির্বাচনী মাঠে তাঁকে বাড়তি শক্তি জোগাচ্ছে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক লুত্ফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। তাঁর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতসহ বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী। ফলে আসনটিতে নির্বাচনী উত্তাপ দিন দিন বাড়ছে।
এ অবস্থায় ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে নেমেছেন মাজেদ বাবুর স্ত্রী ফারহানা মাজেদ। সোমবার বিকেলে তাঁকে উপজেলার বড়হিত ইউনিয়নের একাধিক গ্রামে নারীদের উপস্থিতিতে ধারাবাহিক উঠান বৈঠকে অংশ নিতে দেখা গেছে। এসব উঠান বৈঠকে হাজার হাজার নারী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন, যা এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলে।
উঠান বৈঠকে বক্তব্যে ফারহানা মাজেদ বলেন, “আমার স্বামী আপদ-বিপদে ও আওয়ামী লীগের দুর্যোগের সময় আপনাদের পাশে ছিলেন, আছেন। আপনাদের কাছ থেকে দোয়া ছাড়া নেওয়ার কিছুই নেই। তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের কথা ভেবেছেন, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন।”
তিনি আরও বলেন, “তিনি একজন উদার মনের মানুষ, রাজনীতিকে কখনোই ব্যক্তিগত লাভের হাতিয়ার বানাননি। এলাকার উন্নয়ন, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। এই মানুষটাকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখেন—কী কাজে লাগে।”
স্থানীয় নারীরা জানান, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণে মাজেদ বাবু এলাকাবাসীর কাছে একজন আস্থার নাম হয়ে উঠেছেন। তারা মনে করেন, সংসদে গেলে তিনি ঈশ্বরগঞ্জের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নারী ভোটারদের অংশগ্রহণ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়ার এই প্রচারণা মাজেদ বাবুর পক্ষে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং নির্বাচনী মাঠে তাঁকে বাড়তি শক্তি জোগাচ্ছে।
