নির্বাচন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের নির্বাচনি সমীকরণ বদলে গেল প্রথম ধাপের বাছাইয়েই। ঋণখেলাপি, দলীয় মনোনয়নপত্রের অভাব আর ভোটার তালিকায় ত্রুটির কারণে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাসহ ছিটকে গেছেন ১৮ জন প্রার্থী। ৩ দিনব্যাপী যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান তার কার্যালয়ে ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন। হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলে জেলার যশোর-১, ২ ও ৪ আসনের সমীকরণ বদলে গেছে। অবশ্য আপিলের পর প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। সেক্ষেত্রে বর্তমান হিসেব পাল্টে যাবে।
যশোর-১ (শার্শা)
বৈধ প্রার্থী: মুহাম্মদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী) ও বক্তিয়ার রহমান (ইসলামী আন্দোলন), নুরুজ্জামান লিটন (বিএনপি) ও জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (জাতীয় পার্টি)।
বাতিল: মফিকুল হাসান তৃপ্তি (বিএনপি), আবুল হাসান জহির (স্বতন্ত্র) ও শাহজাহান আলী গোলদার (স্বতন্ত্র)।
যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা)
বৈধ প্রার্থী: সাবিরা সুলতানা (বিএনপি), ইদ্রিস আলী (ইসলামী আন্দোলন), ইমরান খান (বাসদ) ও রিপন মাহমুদ (এবি পার্টি)।
বাতিল: ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত), মোহাম্মদ ইসহাক (বিএনপি), জহুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ও মেহেদী হাসান (স্বতন্ত্র)।
যশোর-৩ (সদর)
বৈধ প্রার্থী: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি), আব্দুল কাদের (জামায়াতে ইসলামী), খবির গাজী (জাতীয় পার্টি), রাশেদ খান (সিপিবি) ও নিজাম উদ্দিন অমিত (জাগপা)।
বাতিল: মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন (ইসলামী আন্দোলন)।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়া (আংশিক)
বৈধ প্রার্থী: মতিয়ার রহমান ফারাজী (বিএনপি), অধ্যাপক গোলাম রসুল (জামায়াতে ইসলামী), এম নাজিমউদ্দিন আল আজাদ (স্বতন্ত্র), সুকৃতি কুমার মন্ডল (বিএমজেপি), বায়েজীদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন) ও আশেক এলাহী (খেলাফত মজলিস)।
বাতিল: টিএস আইয়ূব (বিএনপি), অ্যাডভোকেট সৈয়দ এ এইচ সাবেরুল হক সাবু (বিএনপি), ফারহান সাজিদ (স্বতন্ত্র) ও জহুরুল হক (জাতীয় পার্টি)।
যশোর-৫ (মণিরামপুর)
বৈধ প্রার্থী: রশীদ আহমাদ (বিএনপি), জয়নাল আবেদীন (ইসলামী আন্দোলন), গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী) ও শহীদ ইকবাল হোসেন (স্বতন্ত্র)।
বাতিল: কামরুজ্জামান (স্বতন্ত্র), এম এম হালিম (জাতীয় পার্টি), এবিএম গোলাম মোস্তফা (স্বতন্ত্র) ও নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
যশোর-৬ (কেশবপুর)
বৈধ প্রার্থী: আবুল হোসেন আজাদ (বিএনপি), মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী) ও মাহমুদ হাসান (এবি পার্টি)।
বাতিল: শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন) ও জিএম হাসান (জাতীয় পার্টি)।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই ব্যাংক ঋণ খেলাপি, দলীয় মনোনয়নপত্রের ঘাটতি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের ভুয়া তথ্যের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী টিএস আইয়ূবের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত জটিলতায়।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিলের মাধ্যমে যদি তারা তাদের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে প্রার্থীতা ফিরে পেতে পারেন।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের নির্বাচনি সমীকরণ বদলে গেল প্রথম ধাপের বাছাইয়েই। ঋণখেলাপি, দলীয় মনোনয়নপত্রের অভাব আর ভোটার তালিকায় ত্রুটির কারণে বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতাসহ ছিটকে গেছেন ১৮ জন প্রার্থী। ৩ দিনব্যাপী যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান তার কার্যালয়ে ৪৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন। হেভিওয়েট প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলে জেলার যশোর-১, ২ ও ৪ আসনের সমীকরণ বদলে গেছে। অবশ্য আপিলের পর প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। সেক্ষেত্রে বর্তমান হিসেব পাল্টে যাবে।
যশোর-১ (শার্শা)
বৈধ প্রার্থী: মুহাম্মদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী) ও বক্তিয়ার রহমান (ইসলামী আন্দোলন), নুরুজ্জামান লিটন (বিএনপি) ও জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল (জাতীয় পার্টি)।
বাতিল: মফিকুল হাসান তৃপ্তি (বিএনপি), আবুল হাসান জহির (স্বতন্ত্র) ও শাহজাহান আলী গোলদার (স্বতন্ত্র)।
যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা)
বৈধ প্রার্থী: সাবিরা সুলতানা (বিএনপি), ইদ্রিস আলী (ইসলামী আন্দোলন), ইমরান খান (বাসদ) ও রিপন মাহমুদ (এবি পার্টি)।
বাতিল: ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত), মোহাম্মদ ইসহাক (বিএনপি), জহুরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র) ও মেহেদী হাসান (স্বতন্ত্র)।
যশোর-৩ (সদর)
বৈধ প্রার্থী: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি), আব্দুল কাদের (জামায়াতে ইসলামী), খবির গাজী (জাতীয় পার্টি), রাশেদ খান (সিপিবি) ও নিজাম উদ্দিন অমিত (জাগপা)।
বাতিল: মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন (ইসলামী আন্দোলন)।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়া (আংশিক)
বৈধ প্রার্থী: মতিয়ার রহমান ফারাজী (বিএনপি), অধ্যাপক গোলাম রসুল (জামায়াতে ইসলামী), এম নাজিমউদ্দিন আল আজাদ (স্বতন্ত্র), সুকৃতি কুমার মন্ডল (বিএমজেপি), বায়েজীদ হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন) ও আশেক এলাহী (খেলাফত মজলিস)।
বাতিল: টিএস আইয়ূব (বিএনপি), অ্যাডভোকেট সৈয়দ এ এইচ সাবেরুল হক সাবু (বিএনপি), ফারহান সাজিদ (স্বতন্ত্র) ও জহুরুল হক (জাতীয় পার্টি)।
যশোর-৫ (মণিরামপুর)
বৈধ প্রার্থী: রশীদ আহমাদ (বিএনপি), জয়নাল আবেদীন (ইসলামী আন্দোলন), গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী) ও শহীদ ইকবাল হোসেন (স্বতন্ত্র)।
বাতিল: কামরুজ্জামান (স্বতন্ত্র), এম এম হালিম (জাতীয় পার্টি), এবিএম গোলাম মোস্তফা (স্বতন্ত্র) ও নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
যশোর-৬ (কেশবপুর)
বৈধ প্রার্থী: আবুল হোসেন আজাদ (বিএনপি), মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী) ও মাহমুদ হাসান (এবি পার্টি)।
বাতিল: শহিদুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন) ও জিএম হাসান (জাতীয় পার্টি)।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই ব্যাংক ঋণ খেলাপি, দলীয় মনোনয়নপত্রের ঘাটতি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের ভুয়া তথ্যের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে যশোর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী টিএস আইয়ূবের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত জটিলতায়।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিলের মাধ্যমে যদি তারা তাদের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন তাহলে প্রার্থীতা ফিরে পেতে পারেন।
